ঢাকা ০৬:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পাঁচ মাস পূর্তিতে সরকারের অর্জন তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র যত ট্রলই হোক, সুশিক্ষা নিশ্চিতের পথ থেকে সরব না : শিক্ষামন্ত্রী কৃষক কার্ড বাস্তবায়নে মাঠে ডিএই, শুরু তথ্য সংগ্রহ ঝুট ব্যবসাসহ নানা অভিযোগ, এমপি বাচ্চুকে কারণ দর্শানোর নোটিশ ভূ-রাজনীতি নয়, অর্থনীতিই বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির মূল ভিত্তি : তথ্যমন্ত্রী পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিতে ইট উৎপাদনের ওপর জোর প্রধানমন্ত্রীর শহীদদের তালিকা নয়, জাতির স্মৃতি সংরক্ষণের লড়াই ভৈরব নদে গোসলে নেমে গৃহবধূ নিখোঁজ ডিম্বাশয়ের বার্ধক্যে লাগাম! আরও বেশি বয়স পর্যন্ত মা হতে পারবেন নারীরা সোনার মূর্তি আর পুরোনো কয়েনের ফাঁদ, ভাই-বোন গ্রেপ্তার

কৃষক কার্ড বাস্তবায়নে মাঠে ডিএই, শুরু তথ্য সংগ্রহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:৫২:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সারা দেশে কৃষক ও কৃষিজমির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)। শনিবার (১৮ জুলাই) থেকে দেশের সব উপজেলায় একযোগে এ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিমের সই করা এক অফিস আদেশে জানানো হয়েছে, প্রথম ধাপে প্রতিটি উপজেলার একটি করে ব্লক নির্বাচন করে কৃষক ও কৃষিজমির তথ্য সংগ্রহ করা হবে। পরীক্ষামূলক এই কার্যক্রমের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পরে উপজেলার সব ব্লকে পর্যায়ক্রমে তথ্য সংগ্রহ সম্প্রসারণ করা হবে।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, কৃষিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘কৃষক কার্ড কারিগরি ওয়ার্কিং কমিটির’ দ্বিতীয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশব্যাপী এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তথ্য সংগ্রহের জন্য মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ১৪ থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণে ‘তথ্য সংগ্রহ অ্যাপ’ ব্যবহারের কৌশল শেখানো হয়, যাতে তথ্য সংগ্রহের পুরো প্রক্রিয়া ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা যায়।

ডিএইর সকল পরিচালক, অতিরিক্ত পরিচালক, উপপরিচালক এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য সংগ্রহ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করে দ্রুত ও সঠিকভাবে কার্যক্রম বাস্তবায়নের তাগিদও দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কৃষকদের একটি নির্ভুল ও সমন্বিত তথ্যভান্ডার তৈরি হলে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন সহজ হবে। এর মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের শনাক্ত করে কৃষি প্রণোদনা, ভর্তুকি, ঋণসহ বিভিন্ন সরকারি সুবিধা আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কৃষক কার্ড বাস্তবায়নে মাঠে ডিএই, শুরু তথ্য সংগ্রহ

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:৫২:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সারা দেশে কৃষক ও কৃষিজমির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)। শনিবার (১৮ জুলাই) থেকে দেশের সব উপজেলায় একযোগে এ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিমের সই করা এক অফিস আদেশে জানানো হয়েছে, প্রথম ধাপে প্রতিটি উপজেলার একটি করে ব্লক নির্বাচন করে কৃষক ও কৃষিজমির তথ্য সংগ্রহ করা হবে। পরীক্ষামূলক এই কার্যক্রমের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পরে উপজেলার সব ব্লকে পর্যায়ক্রমে তথ্য সংগ্রহ সম্প্রসারণ করা হবে।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, কৃষিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘কৃষক কার্ড কারিগরি ওয়ার্কিং কমিটির’ দ্বিতীয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশব্যাপী এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তথ্য সংগ্রহের জন্য মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ১৪ থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণে ‘তথ্য সংগ্রহ অ্যাপ’ ব্যবহারের কৌশল শেখানো হয়, যাতে তথ্য সংগ্রহের পুরো প্রক্রিয়া ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা যায়।

ডিএইর সকল পরিচালক, অতিরিক্ত পরিচালক, উপপরিচালক এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য সংগ্রহ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করে দ্রুত ও সঠিকভাবে কার্যক্রম বাস্তবায়নের তাগিদও দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কৃষকদের একটি নির্ভুল ও সমন্বিত তথ্যভান্ডার তৈরি হলে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন সহজ হবে। এর মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের শনাক্ত করে কৃষি প্রণোদনা, ভর্তুকি, ঋণসহ বিভিন্ন সরকারি সুবিধা আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।