ঢাকা ০৭:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্ত্রীর লাঠির আঘাতে বৃদ্ধের মৃত্যু, মণিরামপুরে আটক স্ত্রী

শহিদুল ইসলাম দইচ, যশোর
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৩৮:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যশোরের মণিরামপুরে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীর লাঠির আঘাতে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে উপজেলার মদনপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে।

নিহত আরিফুর রহমান (৭০) মদনপুর গ্রামের মৃত লালচাঁদ গাজীর ছেলে।

মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ জানান, পারিবারিক বিরোধের একপর্যায়ে আরিফুর রহমানকে তার স্ত্রী শেফালী বেগম লাঠি দিয়ে মাথা ও কপালে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

পুলিশ জানায়, পরে শেফালী বেগম এক আত্মীয়কে ডেকে এনে ঘটনাটি স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে জানালেও সকালে স্থানীয় ইউপি সদস্য মরদেহে রক্তাক্ত জখম দেখতে পান। বিষয়টি তিনি পুলিশকে অবহিত করেন।

খবর পেয়ে ঝাঁপা পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। নিহতের স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

স্ত্রীর লাঠির আঘাতে বৃদ্ধের মৃত্যু, মণিরামপুরে আটক স্ত্রী

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৩৮:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

যশোরের মণিরামপুরে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীর লাঠির আঘাতে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে উপজেলার মদনপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে।

নিহত আরিফুর রহমান (৭০) মদনপুর গ্রামের মৃত লালচাঁদ গাজীর ছেলে।

মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ জানান, পারিবারিক বিরোধের একপর্যায়ে আরিফুর রহমানকে তার স্ত্রী শেফালী বেগম লাঠি দিয়ে মাথা ও কপালে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

পুলিশ জানায়, পরে শেফালী বেগম এক আত্মীয়কে ডেকে এনে ঘটনাটি স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে জানালেও সকালে স্থানীয় ইউপি সদস্য মরদেহে রক্তাক্ত জখম দেখতে পান। বিষয়টি তিনি পুলিশকে অবহিত করেন।

খবর পেয়ে ঝাঁপা পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। নিহতের স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।