৫০০ টাকায় কোরবানীর পশু নিয়ে ঢাকায় স্পেশাল ক্যাটল ট্রেন
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:০৯:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬ ৬৬ বার পড়া হয়েছে
জামালপুরে ইসলামপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশে কোরবানির পশু ৫শত টাকায় স্পেশাল ক্যাটল ট্রেনটি যাত্রা করেছে। শুক্রবার (২২মে) বিকাল ৫টায় ইসলামপুর স্টেশন থেকে প্রথম ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে ইসলামপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশে তিনটি ক্যাটল ট্রেন চালু করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। প্রতি বগিতে ১৬টি করে গরু নিতে খরচ হবে ৮ হাজার টাকা। গরু প্রতি গুণতে হবে ৫০০ টাকা। প্রতিটি ট্রেনে ২৫টি করে ওয়াগন রয়েছে। প্রত্যেকটিতে ১৬টি করে গরু নিয়ে যাওয়া হয়। এবছর ইসলামপুর থেকে ৭৫টি ওয়াগন বুকিং করেছে গরু ব্যবসায়ীরা।
বিকাল ৫টায় প্রথম ট্রেনটি ছাড়ার দুই ঘণ্টা পর দ্বিতীয় ট্রেনটি ছেড়ে যায়। ২৩ মে শনিবার বিকেলে তৃতীয় ট্রেনটি ইসলামপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, কোরবানি ঈদ উপলক্ষে খামারি ও পাইকারদরে কথা ভেবে সরকার ২০২০ সালে প্রথম কেরবানির পশু পরিবহনে ক্যাটল ট্রেন চালু করে। তারপর থেকে প্রতি বছরই খামারি ও পাইকাররা এ অঞ্চলের পশু ট্রেনে করে বিক্রির জন্য ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় এ বছরও পশু পরিবহনে বাংলাদেশ রেলওয়ে জামালপুরের ইসলামপুর থেকে পশু ঢাকায় নেওয়ার জন্য তিনটি ক্যাটল ট্রেনে মোট ৭৫টি ওয়াগন বরাদ্দ দিয়েছে। এসব ওয়াগনের মাধ্যমে প্রায় ১ হাজার ২শত টি কোরবানির পশু ঢাকায় পরিবহন করা হবে। এতে প্রতিটি ট্রেনের জন্য রেলওয়ে বিভাগ ভাড়া পাবে ২ লক্ষ টাকা। ইতোমধ্যেই ২৫ টি ওয়াগনে ৪ শত পশু নিয়ে প্রথম ট্রেন ছেড়ে গেছে এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় ট্রেনেও সবগুলো ওয়াগনের বুকিং সম্পন্ন হয়েছে।
গরু ব্যবসায়ী বলেন, আগে ট্রাকে করে গরু নিয়ে গেলে অনেক সমস্যায় পড়তে হতো। বিভিন্ন জায়গায় চাঁদা দেওয়া লাগতো। গফুর সেখ নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, ট্রাকে করে গেলে গরুর অসুস্থ হয়ে পড়ে। ট্রেনে গেলে কোনো ঝাকি লাগে না। গরু নিয়ে আরামে ঢাকা যাইতেছি।
আজগর আলী বলেন, ট্রেনে গেলে আমাদের খরচ অর্ধেক লাগে। যেখানে ট্রাকে গেলে বেশি খরচ ও ঝুঁকি বেশি থাকে। সেজন্য এসব এলাকার গরু ব্যবসায়ীরা এখন ট্রাকের বদলে এই ক্যাটল স্পেশাল ট্রেনকেই বেশি পছন্দ করছে।
ইসলামপুর রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার শাহীন মিয়া বলেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর ক্যাটল স্পেশাল ট্রেনের আরও ভালো সাড়া পাওয়া গেছে। সড়ক পথের চেয়ে ট্রেনে পশু পরিবহনে খরচ কম ও নিরাপত্তা বেশি থাকায় খামারি ও পাইকারদের এমন সারা পাওয়া গেছে। এমন পরিবহন ব্যবস্থা চালু রাখার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হবে।





















