ঢাকা ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নামের মিল থাকায় বিএনপি নেতাকে পুলিশি হয়রানির অভিযোগ

নোয়াখালী প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৪৯:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালীর সদর উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নে এক মাদক কারবারির নামের সঙ্গে মিল থাকায় এক ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতাকে পুলিশি হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার (২২ মে) সকালে এ ঘটনার প্রতিবাদে উপজেলার খলিফারহাট বাজারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন করেছে এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত আরেক সুরুজ মিয়ার সঙ্গে নামের মিল থাকায় আমিন উল্যার ছেলে, ঢাকায় ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বিএনপি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত সুরুজ মিয়াকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। পুলিশ দিয়ে তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চলছে বলেও দাবি করেন তারা।

তারা আরও অভিযোগ করেন, সম্প্রতি পুলিশ তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পরিবারকে আতঙ্কিত করেছে এবং এলাকায় তার সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্নের অপচেষ্টা করা হয়েছে।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া স্থানীয়রা দাবি করেন, একটি স্বার্থান্বেষী চক্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে একজন ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতার ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে। তারা প্রকৃত মাদক কারবারিকে শনাক্ত করে তার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

এতে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক ও ব্যবসায়ী খলিলুর রহমান, স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. জামাল, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাফরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। পরে বাজার এলাকায় একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, কয়েক দিন আগে সুরুজ মিয়ার বাড়ি থেকে ৪৫০ পিস ইয়াবা ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। তবে অভিযানের সময় অভিযুক্ত সুরুজ মিয়া বাড়িতে ছিলেন না। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ ছাড়া অন্য কোনো সুরুজ মিয়ার বিষয়ে তাদের কাছে তথ্য নেই এবং ওই বাড়িতে পুলিশ কোনো অভিযানও পরিচালনা করেনি। অন্য কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালিয়েছে কিনা, সে বিষয়ে আমাদের জানা নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নামের মিল থাকায় বিএনপি নেতাকে পুলিশি হয়রানির অভিযোগ

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৪৯:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

নোয়াখালীর সদর উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নে এক মাদক কারবারির নামের সঙ্গে মিল থাকায় এক ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতাকে পুলিশি হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার (২২ মে) সকালে এ ঘটনার প্রতিবাদে উপজেলার খলিফারহাট বাজারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন করেছে এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত আরেক সুরুজ মিয়ার সঙ্গে নামের মিল থাকায় আমিন উল্যার ছেলে, ঢাকায় ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বিএনপি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত সুরুজ মিয়াকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। পুলিশ দিয়ে তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চলছে বলেও দাবি করেন তারা।

তারা আরও অভিযোগ করেন, সম্প্রতি পুলিশ তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পরিবারকে আতঙ্কিত করেছে এবং এলাকায় তার সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্নের অপচেষ্টা করা হয়েছে।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া স্থানীয়রা দাবি করেন, একটি স্বার্থান্বেষী চক্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে একজন ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতার ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে। তারা প্রকৃত মাদক কারবারিকে শনাক্ত করে তার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

এতে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক ও ব্যবসায়ী খলিলুর রহমান, স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. জামাল, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাফরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। পরে বাজার এলাকায় একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, কয়েক দিন আগে সুরুজ মিয়ার বাড়ি থেকে ৪৫০ পিস ইয়াবা ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। তবে অভিযানের সময় অভিযুক্ত সুরুজ মিয়া বাড়িতে ছিলেন না। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ ছাড়া অন্য কোনো সুরুজ মিয়ার বিষয়ে তাদের কাছে তথ্য নেই এবং ওই বাড়িতে পুলিশ কোনো অভিযানও পরিচালনা করেনি। অন্য কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালিয়েছে কিনা, সে বিষয়ে আমাদের জানা নেই।