ঢাকা ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংস্কার অগ্রগতি না থাকায় জুনে ঋণের কিস্তি দিচ্ছে না আইএমএফ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:৩৮:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজস্ব ও ব্যাংক খাতে সংস্কার বাস্তবায়নে অগ্রগতি সন্তোষজনক না হওয়ায় বাংলাদেশের চলমান ঋণ কর্মসূচির পরবর্তী কিস্তি জুনে ছাড় না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে International Monetary Fund।

ওয়াশিংটনে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের স্প্রিং মিটিংয়ে অংশ নেওয়া বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ কর্মসূচির আওতায় জুনে ১.৩ বিলিয়ন ডলার ছাড় হওয়ার কথা থাকলেও তা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।

বর্তমানে এই কর্মসূচির অধীনে বাংলাদেশ আরও প্রায় ১.৮৬ বিলিয়ন ডলার পাওয়ার কথা রয়েছে, যার মেয়াদ আগামী জানুয়ারিতে শেষ হবে।

আইএমএফ জানিয়েছে, রাজস্ব ব্যবস্থা সংস্কার, ব্যাংক খাতের পুনর্গঠন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ভর্তুকি প্রত্যাহার এবং বাজারভিত্তিক বিনিময় হার চালুর মতো গুরুত্বপূর্ণ শর্তগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। এসব বিষয়ে সন্তোষজনক অগ্রগতি না হওয়ায় নতুন কিস্তি ছাড়ে তারা অনাগ্রহী।

সংস্থাটি আরও জানায়, শর্তগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা ছাড়া নতুন অর্থ ছাড় করা হবে না। প্রতিনিধি দলের একজন সদস্যের মতে, এই পর্যালোচনা প্রক্রিয়া দীর্ঘ হতে পারে। ফলে সব শর্ত পূরণ হলেও সেপ্টেম্বরের আগে কিস্তি ছাড়ের সম্ভাবনা কম।

এদিকে জানা গেছে, চলমান কর্মসূচির পাশাপাশি নতুন শর্তে নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছে আইএমএফ, যা ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক নীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সংস্কার অগ্রগতি না থাকায় জুনে ঋণের কিস্তি দিচ্ছে না আইএমএফ

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:৩৮:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

রাজস্ব ও ব্যাংক খাতে সংস্কার বাস্তবায়নে অগ্রগতি সন্তোষজনক না হওয়ায় বাংলাদেশের চলমান ঋণ কর্মসূচির পরবর্তী কিস্তি জুনে ছাড় না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে International Monetary Fund।

ওয়াশিংটনে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের স্প্রিং মিটিংয়ে অংশ নেওয়া বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ কর্মসূচির আওতায় জুনে ১.৩ বিলিয়ন ডলার ছাড় হওয়ার কথা থাকলেও তা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।

বর্তমানে এই কর্মসূচির অধীনে বাংলাদেশ আরও প্রায় ১.৮৬ বিলিয়ন ডলার পাওয়ার কথা রয়েছে, যার মেয়াদ আগামী জানুয়ারিতে শেষ হবে।

আইএমএফ জানিয়েছে, রাজস্ব ব্যবস্থা সংস্কার, ব্যাংক খাতের পুনর্গঠন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ভর্তুকি প্রত্যাহার এবং বাজারভিত্তিক বিনিময় হার চালুর মতো গুরুত্বপূর্ণ শর্তগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। এসব বিষয়ে সন্তোষজনক অগ্রগতি না হওয়ায় নতুন কিস্তি ছাড়ে তারা অনাগ্রহী।

সংস্থাটি আরও জানায়, শর্তগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা ছাড়া নতুন অর্থ ছাড় করা হবে না। প্রতিনিধি দলের একজন সদস্যের মতে, এই পর্যালোচনা প্রক্রিয়া দীর্ঘ হতে পারে। ফলে সব শর্ত পূরণ হলেও সেপ্টেম্বরের আগে কিস্তি ছাড়ের সম্ভাবনা কম।

এদিকে জানা গেছে, চলমান কর্মসূচির পাশাপাশি নতুন শর্তে নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছে আইএমএফ, যা ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক নীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।