ঢাকা ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কবে মুক্তি পাচ্ছেন মায়ানমারের নোবেলজয়ী নেত্রী?

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৩৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মায়ানমারের নোবেলজয়ী গণতন্ত্রকামী নেত্রী Aung San Suu Kyi-কে ঘিরে নতুন করে মুক্তির জল্পনা তৈরি হয়েছে। দেশটির সামরিক শাসিত সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে তার কারাদণ্ডের মেয়াদ কমানোর কথা জানানো হয়েছে।

শুক্রবার সু চির আইনজীবী জানান, জেনারেল Min Aung Hlaing নেতৃত্বাধীন সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তার মোট ২৭ বছরের সাজা কমিয়ে এক-ষষ্ঠাংশে নামিয়ে আনা হবে—যা প্রায় সাড়ে চার বছর।

এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে সু চি ইতোমধ্যেই সেই সময়কাল পূর্ণ করে ফেলেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে তাকে দ্রুত মুক্তি দেওয়া হতে পারে—এমন সম্ভাবনা জোরালো হচ্ছে।

তবে পুরোপুরি স্বাধীনতা নাও মিলতে পারে। তার পরিবর্তে তাকে গৃহবন্দি করে রাখা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তার সমর্থকদের একাংশ।

একইসঙ্গে সরকার ৪,৩৩৫ বন্দির জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে National League for Democracy বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করলেও ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। এরপর সু চি-সহ শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতার করে একাধিক মামলায় দণ্ড দেওয়া হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক চাপ ও অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। এখন দেখার বিষয়—সাজা কমানোর এই ঘোষণা বাস্তবে সু চির পূর্ণ মুক্তির পথ খুলে দেয়, নাকি নতুনভাবে সীমাবদ্ধতার মধ্যে রাখা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

কবে মুক্তি পাচ্ছেন মায়ানমারের নোবেলজয়ী নেত্রী?

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৩৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

মায়ানমারের নোবেলজয়ী গণতন্ত্রকামী নেত্রী Aung San Suu Kyi-কে ঘিরে নতুন করে মুক্তির জল্পনা তৈরি হয়েছে। দেশটির সামরিক শাসিত সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে তার কারাদণ্ডের মেয়াদ কমানোর কথা জানানো হয়েছে।

শুক্রবার সু চির আইনজীবী জানান, জেনারেল Min Aung Hlaing নেতৃত্বাধীন সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তার মোট ২৭ বছরের সাজা কমিয়ে এক-ষষ্ঠাংশে নামিয়ে আনা হবে—যা প্রায় সাড়ে চার বছর।

এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে সু চি ইতোমধ্যেই সেই সময়কাল পূর্ণ করে ফেলেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে তাকে দ্রুত মুক্তি দেওয়া হতে পারে—এমন সম্ভাবনা জোরালো হচ্ছে।

তবে পুরোপুরি স্বাধীনতা নাও মিলতে পারে। তার পরিবর্তে তাকে গৃহবন্দি করে রাখা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তার সমর্থকদের একাংশ।

একইসঙ্গে সরকার ৪,৩৩৫ বন্দির জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে National League for Democracy বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করলেও ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। এরপর সু চি-সহ শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতার করে একাধিক মামলায় দণ্ড দেওয়া হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক চাপ ও অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। এখন দেখার বিষয়—সাজা কমানোর এই ঘোষণা বাস্তবে সু চির পূর্ণ মুক্তির পথ খুলে দেয়, নাকি নতুনভাবে সীমাবদ্ধতার মধ্যে রাখা হয়।