ঢাকা ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইউপি নির্বাচন সামনে রেখে ইসির তোড়জোড় হামের টিকাকাণ্ডে অন্তর্বর্তী সরকারের দায় খুঁজতে তদন্ত কমিশন চুরির বিরোধে কৃষককে পিটিয়ে হত্যা অনুমোদনহীন প্ল্যান্টে হেভি ক্রুড আমদানির অনুমতি চায় সুপার পেট্রোকেমিক্যাল পিএসসি সংস্কারসহ ১৩ দফা দাবি শিবিরের, নিয়োগে দলীয় প্রভাব বন্ধের আহ্বান তেঁতুলিয়ায় ৬৪ শতক জমি নিয়ে পাল্টাপাল্টি দখলের অভিযোগ অ্যাকাউন্ট থেকে ৮৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ:ডাচ-বাংলার ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা যুক্তরাজ্যে স্থায়ী বসবাসের অনুমতিতে অপেক্ষা ১০ বছর, কঠোর হচ্ছে অভিবাসন নীতি ৭ নভেম্বর উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী মহেশপুর সীমান্তের ধানক্ষেতে নারীর মরদেহ, পরিচয় মিলেছে যশোরে

প্রাইভেটকার থেকে নামিয়ে আইনজীবীকে পিটিয়ে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০২:৪২:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬ ৯১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে নাঈম কিবরিয়া (৩৫) নামের এক আইনজীবীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আরিফুল ইসলাম।

পুলিশ ও স্বজনদের তথ্যমতে, নাঈম কিবরিয়া পাবনা সদর উপজেলার বাসিন্দা এবং পাবনা জেলা জজ আদালতের আইনজীবী ছিলেন। তাঁর বাবার নাম গোলাম কিবরিয়া।

ভাটারা থানার এসআই আরিফুল ইসলাম জানান, বুধবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে নাঈম কিবরিয়া বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় একটি প্রাইভেট কার চালাচ্ছিলেন। এ সময় একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে গাড়িটির ধাক্কা লাগে। এরপর মোটরসাইকেলের চালকসহ কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় যুবক তাঁকে গাড়ি থেকে টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে বেদম মারধর করেন এবং রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যান।

খবর পেয়ে তাঁর খালাতো ভাই রফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে নাঈমকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

নিহতের খালাতো ভাই রফিকুল ইসলাম জানান, নাঈম প্রায় ১০ দিন আগে পাবনা থেকে ঢাকায় এসে পূর্বাচলে তাঁর বাসায় উঠেছিলেন। পাবনায় ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন নিতে তিনি ঢাকায় এসেছিলেন। ঘটনার রাতে তিনি এক বন্ধুর প্রাইভেট কার নিয়ে বের হয়েছিলেন।

রফিকুল আরও বলেন, রাতে নাঈমের মুঠোফোনে কল দিলে বসুন্ধরা এলাকার এক নিরাপত্তাকর্মী ফোন ধরেন এবং জানান—নাঈমকে মারধর করে রাস্তায় ফেলে রাখা হয়েছে। পরে তিনি গিয়ে নাঈমকে উদ্ধার করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

প্রাইভেটকার থেকে নামিয়ে আইনজীবীকে পিটিয়ে হত্যা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০২:৪২:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে নাঈম কিবরিয়া (৩৫) নামের এক আইনজীবীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আরিফুল ইসলাম।

পুলিশ ও স্বজনদের তথ্যমতে, নাঈম কিবরিয়া পাবনা সদর উপজেলার বাসিন্দা এবং পাবনা জেলা জজ আদালতের আইনজীবী ছিলেন। তাঁর বাবার নাম গোলাম কিবরিয়া।

ভাটারা থানার এসআই আরিফুল ইসলাম জানান, বুধবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে নাঈম কিবরিয়া বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় একটি প্রাইভেট কার চালাচ্ছিলেন। এ সময় একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে গাড়িটির ধাক্কা লাগে। এরপর মোটরসাইকেলের চালকসহ কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় যুবক তাঁকে গাড়ি থেকে টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে বেদম মারধর করেন এবং রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যান।

খবর পেয়ে তাঁর খালাতো ভাই রফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে নাঈমকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

নিহতের খালাতো ভাই রফিকুল ইসলাম জানান, নাঈম প্রায় ১০ দিন আগে পাবনা থেকে ঢাকায় এসে পূর্বাচলে তাঁর বাসায় উঠেছিলেন। পাবনায় ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন নিতে তিনি ঢাকায় এসেছিলেন। ঘটনার রাতে তিনি এক বন্ধুর প্রাইভেট কার নিয়ে বের হয়েছিলেন।

রফিকুল আরও বলেন, রাতে নাঈমের মুঠোফোনে কল দিলে বসুন্ধরা এলাকার এক নিরাপত্তাকর্মী ফোন ধরেন এবং জানান—নাঈমকে মারধর করে রাস্তায় ফেলে রাখা হয়েছে। পরে তিনি গিয়ে নাঈমকে উদ্ধার করেন।