ঢাকা ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতির খতিয়ান তলব, দুই আমলের অনিয়ম খুঁজছে সংসদীয় কমিটি ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকার প্রকল্প, বদলাতে পারে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতি পর্তুগালের জার্সিতে রোনাল্ডোর পাঁচ রেকর্ড, ভাঙা কি অসম্ভব? রাতে দাঁতে তীব্র ব্যথা? চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার আগে যা করবেন একাদশে ভর্তি শিক্ষার্থীদের অনলাইন নিবন্ধন শুরু ১২ নভেম্বর ভুটানকে হারিয়ে সাফ মিশন শুরু বাংলাদেশের ৭ নভেম্বর ছুটি পেলেন পোশাক শ্রমিকরা সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের পরিবার পাবে ৫ লাখ টাকা, যেভাবে আবেদন করবেন শিশু-কিশোরদের মেধা-প্রতিভায় গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন, জামায়াতের সঙ্গে জোট ও বিস্তর অভিযোগ

আশা করব সাংবিধানিক সময়সীমার মধ্যে নির্বাচন হবে : জয়

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:৫৬:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৪ ১৮৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ভারতকে নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশের সংবিধান সমুন্নত রাখার আহবান জানিয়েছেন। বুধবার (১৪ আগস্ট) ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ আহবান জানান।

জয় বলেন,আমি আশা করব সাংবিধানিক সময়সীমা ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর সেটা ভারত নিশ্চিত করবে। আওয়ামী লীগকে প্রচারণা ও পুনর্গঠনের সুযোগ দেয়া হবে। যদি তা নিশ্চিত করা হয় আমি এখনো নিশ্চিত যে আমরা নির্বাচনে জয়ী হবো।

ওই সাক্ষাৎকারে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন সামাল দেয়ার ক্ষেত্রে সরকার ভুল করেছে বলেও স্বীকার করেন জয়। ওয়াশিংটন ডিসি থেকে দেয়া ওই ভিডিও সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সরকারের প্রথম থেকেই আন্দোলনকারীদের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে কোটার বিরুদ্ধে কথা বলা উচিত ছিল।

তিনি অঅরও বলেন, আমি মনে করি সরকারের উচিত ছিল কোটার বিরুদ্ধে কথা বলা। আদালতের হাতে ছেড়ে দেয়ার পরিবর্তে শুরু থেকেই আন্দোলনকারীদের সাথে দেখা করা। এগুলো না করে সরকার কোটা কমাতে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে। আদালত ভুল করেছে। আমরা কোটা চাই না বলে আমি সবাইকে আশ্বস্ত করার সুপারিশ করেছিলাম। কিন্তু আমাদের সরকার সেটা শুনেনি। বিচার ব্যবস্থার ওপর বিষয়টি ছেড়ে দিয়েছে।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন সহিংস হয়ে ওঠার পেছনে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার হাত ছিল বলেও দাবি জয়ের। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি একটি বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা এর পেছনে জড়িত ছিলো। কারণ ১৫ জুলাই থেকে অনেক আন্দোলনকারীর কাছে আগ্নেয়াস্ত্র ছিলো। গত ১৫ বছরে জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে আমাদের সফলতার কারণে বাংলাদেশে আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া খুবই কঠিন। একমাত্র কোনো বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাই বাংলাদেশে আগ্নেয়াস্ত্র পাচার ও আন্দোলনকারীদের কাছে সরবরাহ করতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আশা করব সাংবিধানিক সময়সীমার মধ্যে নির্বাচন হবে : জয়

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:৫৬:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৪

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ভারতকে নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশের সংবিধান সমুন্নত রাখার আহবান জানিয়েছেন। বুধবার (১৪ আগস্ট) ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ আহবান জানান।

জয় বলেন,আমি আশা করব সাংবিধানিক সময়সীমা ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর সেটা ভারত নিশ্চিত করবে। আওয়ামী লীগকে প্রচারণা ও পুনর্গঠনের সুযোগ দেয়া হবে। যদি তা নিশ্চিত করা হয় আমি এখনো নিশ্চিত যে আমরা নির্বাচনে জয়ী হবো।

ওই সাক্ষাৎকারে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন সামাল দেয়ার ক্ষেত্রে সরকার ভুল করেছে বলেও স্বীকার করেন জয়। ওয়াশিংটন ডিসি থেকে দেয়া ওই ভিডিও সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সরকারের প্রথম থেকেই আন্দোলনকারীদের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে কোটার বিরুদ্ধে কথা বলা উচিত ছিল।

তিনি অঅরও বলেন, আমি মনে করি সরকারের উচিত ছিল কোটার বিরুদ্ধে কথা বলা। আদালতের হাতে ছেড়ে দেয়ার পরিবর্তে শুরু থেকেই আন্দোলনকারীদের সাথে দেখা করা। এগুলো না করে সরকার কোটা কমাতে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে। আদালত ভুল করেছে। আমরা কোটা চাই না বলে আমি সবাইকে আশ্বস্ত করার সুপারিশ করেছিলাম। কিন্তু আমাদের সরকার সেটা শুনেনি। বিচার ব্যবস্থার ওপর বিষয়টি ছেড়ে দিয়েছে।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন সহিংস হয়ে ওঠার পেছনে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার হাত ছিল বলেও দাবি জয়ের। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি একটি বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা এর পেছনে জড়িত ছিলো। কারণ ১৫ জুলাই থেকে অনেক আন্দোলনকারীর কাছে আগ্নেয়াস্ত্র ছিলো। গত ১৫ বছরে জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে আমাদের সফলতার কারণে বাংলাদেশে আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া খুবই কঠিন। একমাত্র কোনো বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাই বাংলাদেশে আগ্নেয়াস্ত্র পাচার ও আন্দোলনকারীদের কাছে সরবরাহ করতে পারে।