ঢাকা ১১:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হাসিনাকে ঘিরে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন মজুদদারির বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন প্রয়োগের হুঁশিয়ারি আইনমন্ত্রীর বিশ্বকাপে মেসিকে লক্ষ্য করে হামলার হুমকি, নিশানায় ছিলেন রোনাল্ডোও প্রধানমন্ত্রীর প্রথম চট্টগ্রাম সফর, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কৃতিত্ব পুরো জাতির: তথ্যমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে ‘অপপ্রচারের’ নিন্দা পুলিশের, গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান শেখ হাসিনার দিল্লির সংবাদ সম্মেলনের সঙ্গে ভারত সরকারের সম্পৃক্ততা নেই: জয়সোয়াল টাঙ্গাইলে নিহত ১৪ বাস-মিনিবাস মালিকের পরিবারকে আর্থিক অনুদান ও সম্মাননা সাড়ে ৩ হাজার এতিম ও মাদরাসাশিক্ষার্থীর খাবারের আয়োজন করলেন প্রতিমন্ত্রী টুকু অপ-সাংবাদিকতা পরিহার করে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে

মজুদদারির বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন প্রয়োগের হুঁশিয়ারি আইনমন্ত্রীর

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:১৮:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাজার সিন্ডিকেট ও মজুদদারির বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন প্রয়োগ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, এ আইনে মজুদদারির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে। তাই যারা মজুদদারি করবেন, তাদের পরিণতি ভেবে কাজ করার পরামর্শ দেন তিনি।

শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপায় পাট ও পেঁয়াজের পাইকারি হাট ও আড়ত পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, কৃষকরা ঘাম ঝরিয়ে ফসল উৎপাদন করলেও অনেক সময় ন্যায্য দাম পান না। উৎপাদিত পণ্য বাজারে আসার পর বিভিন্ন সিন্ডিকেটের কারণে তারা জিম্মি হয়ে পড়েন। পাট ও পেঁয়াজ বিক্রির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তোলা আদায়ের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এক মণ পণ্যে কৃষককে অতিরিক্ত দুই কেজি পর্যন্ত দিতে হচ্ছে। এর সঙ্গে বাজারের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও অন্যদের তোলা দিতে গিয়ে কৃষকের এক মণে প্রকৃতপক্ষে ৪৫ কেজি পর্যন্ত দিতে হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ অন্যায্য।

তিনি বলেন, “সব সেক্টরের সিন্ডিকেট ভেঙে প্রান্তিক কৃষক যাতে লাভবান হন, আমরা সেদিকেই এগিয়ে যাব। বাজারগুলোতে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে কৃষকদের জিম্মি করে ফেলেছেন। আমরা এই সিন্ডিকেট ভাঙতে কাজ করছি।”

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, বাজারের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হবে। এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নিয়ম লঙ্ঘন করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

যেসব ব্যবসায়ী তোলা না পেলে কৃষকের কাছ থেকে পণ্য কিনবেন না বলে হুমকি দিচ্ছেন, তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “বাজার ছেড়ে চলে যান। বিকল্প ব্যবসায়ী এমনিতেই তৈরি হয়ে যাবে।”

বাজার পরিদর্শনের সময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মজুদদারির বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন প্রয়োগের হুঁশিয়ারি আইনমন্ত্রীর

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:১৮:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

বাজার সিন্ডিকেট ও মজুদদারির বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন প্রয়োগ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, এ আইনে মজুদদারির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে। তাই যারা মজুদদারি করবেন, তাদের পরিণতি ভেবে কাজ করার পরামর্শ দেন তিনি।

শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপায় পাট ও পেঁয়াজের পাইকারি হাট ও আড়ত পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, কৃষকরা ঘাম ঝরিয়ে ফসল উৎপাদন করলেও অনেক সময় ন্যায্য দাম পান না। উৎপাদিত পণ্য বাজারে আসার পর বিভিন্ন সিন্ডিকেটের কারণে তারা জিম্মি হয়ে পড়েন। পাট ও পেঁয়াজ বিক্রির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তোলা আদায়ের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এক মণ পণ্যে কৃষককে অতিরিক্ত দুই কেজি পর্যন্ত দিতে হচ্ছে। এর সঙ্গে বাজারের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও অন্যদের তোলা দিতে গিয়ে কৃষকের এক মণে প্রকৃতপক্ষে ৪৫ কেজি পর্যন্ত দিতে হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ অন্যায্য।

তিনি বলেন, “সব সেক্টরের সিন্ডিকেট ভেঙে প্রান্তিক কৃষক যাতে লাভবান হন, আমরা সেদিকেই এগিয়ে যাব। বাজারগুলোতে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে কৃষকদের জিম্মি করে ফেলেছেন। আমরা এই সিন্ডিকেট ভাঙতে কাজ করছি।”

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, বাজারের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হবে। এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নিয়ম লঙ্ঘন করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

যেসব ব্যবসায়ী তোলা না পেলে কৃষকের কাছ থেকে পণ্য কিনবেন না বলে হুমকি দিচ্ছেন, তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “বাজার ছেড়ে চলে যান। বিকল্প ব্যবসায়ী এমনিতেই তৈরি হয়ে যাবে।”

বাজার পরিদর্শনের সময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।