জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কৃতিত্ব পুরো জাতির: তথ্যমন্ত্রী

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৪৫:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কৃতিত্ব কোনো একক ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়; বরং এটি দেশের সাধারণ মানুষের সম্মিলিত অর্জন বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি আয়োজিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
গণঅভ্যুত্থানের কৃতিত্ব নিয়ে চলমান আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে একশ্রেণির মানুষ আন্দোলনের একক কৃতিত্ব নেওয়ার প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত। কে কত বড় ভূমিকা রেখেছেন, কে বেশি জনপ্রিয় হয়েছেন কিংবা কার ডিজিটাল পরিচিতি বেড়েছে—এসব বিষয়েই তাদের আগ্রহ বেশি।
তিনি বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত কৃতিত্ব কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়; এটি পুরো দেশের সাধারণ মানুষের। যারা এখনো এ অর্জন নিজেদের বলে প্রতিষ্ঠা করতে চান, তাদের সেই বিভ্রান্তি থেকে বেরিয়ে আসা উচিত।”
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গণঅভ্যুত্থান, অসংখ্য মানুষের আত্মত্যাগ, পরবর্তী অবাধ নির্বাচন, জনগণের রায়ে সরকার গঠন এবং কার্যকর সংসদ প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা—সব মিলিয়ে বাংলাদেশের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে না পারলে অর্জিত সাফল্য হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯৯০ সালের এরশাদবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান—উভয় সময়েই তিনি রাজপথে সক্রিয় ছিলেন এবং কারাবরণ করেছেন। তার ভাষায়, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে যখনই কোনো স্বৈরাচার দমনের চেষ্টা করেছে, তখনই জনগণ তার জবাব দিয়েছে।
বাংলাদেশের ইতিহাস সম্পর্কে তিনি বলেন, দেশের ইতিহাস কেবল ২০২৪ সালের জুলাই থেকে শুরু হয়েছে—এমন ধারণা সঠিক নয়। বাংলাদেশের অতীত, মুক্তিযুদ্ধ, গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের ধারাবাহিকতা সম্পর্কে না জানলে দেশের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস বোঝা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।



















