দুদকের মামলার আসামিরা ডিজি আব্দুর রহিমের ছত্রচ্ছায়ায়

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:১৭:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী, যারা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা একটি মামলার আসামি, তারা এখনও দায়িত্ব পালন করছেন—এমন অভিযোগ উঠেছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক (রুটিন দায়িত্ব থাকা) স্বৈরাচারী পতিত লীগ সরকারের দোসর আব্দুর রহিমের ছত্রচ্ছায়ায় এসব কর্মকর্তা-কর্মচারী বহাল রয়েছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ডিএইয়ের সাবেক সহকারী পরিচালক (অর্থ) সৈয়দ শরিফুল ইসলামসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে দুদক অর্থ আত্মসাৎ ও অনিয়মের অভিযোগে মামলা করে। মামলার তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিটও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬-১৭ ও ২০১৭-১৮ অর্থবছরে কম্পিউটার সামগ্রী ও যন্ত্রাংশ ক্রয়ের নামে ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে প্রায় ৫৫ লাখ ৯১ হাজার টাকাসহ আরও বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় দুদকের উপসহকারী পরিচালক এস এম আনিসুজ্জামান তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগকারীদের দাবি, মামলার এক আসামি সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন এবং একজন অবসরে গেছেন। তবে অপর দুই আসামি—বর্তমানে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলা কৃষি অফিসে কর্মরত উচ্চমান সহকারী মো. অলিউল্লাহ প্রধান এবং ডিএইয়ের প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের ক্যাশিয়ার মো. জাহিদ হাসান—এখনও দায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়া অভিযোগে বলা হয়েছে, সাবেক সহকারী পরিচালক (অর্থ) সৈয়দ শরিফুল ইসলাম বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
সুত্রে আরও জানা জায়, প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের ক্যাশিয়ার জাহিদ হাসানকে গত ১৯ মে ময়মনসিংহের উপ পরিচালকের কার্যালয়ে ক্যাশিয়ার হিসেবে বদলী করা হলেও (জুন ক্লোজিং) ঠিকাদার দের বিল পরিশোধ এর কমিশন বানিজ্যর কারণে এখন ডিএইতে রেখেছেন। শুরু মাত্র আর্থিক সুবিধা নেওয়ার কারণে ডিজি রহিম। দুদকের চার্জশিট ভুক্ত আসামি এখন চাকরিতে বহাল থাকায় সাধারণ কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাঝে চলছে চরম উত্তেজনা। ডিজির নিরব ভুমিকা এখন প্রশ্ন বিদ্ধ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে।
একাধিক সুত্রে যায় জায়, পতিত লীগ সরকারের দোসর দুর্নীতি পরায়ন মহা ঘুষখোর ডিজি রহিম, মহা পরিচালক পদে পদায়ন পাওয়ার পরে তাঁর নেতৃত্বে গঠিত সিন্ডিকেট বাহীনির নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ব্যাপক ঘুষ, দুর্নীতি, বদলী বানিজ্যর কারণে হিম শিম খাচ্ছেন সাধারণ নিরীহ কর্মকর্তা কর্মচারীরা বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিয়ম ভেঙে নন-ক্যাডার কর্মকর্তাদের ৬ষ্ঠ গ্রেডের পদে বিধিমালা লঙ্ঘন করে ক্ষমতা বহির্ভূত পদায়ন করে হাতিয়ে নিয়েছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, বিগত সময়ে মহাপরিচালকের দপ্তরে বিতর্কিত পদোন্নতি কার্যক্রম নিয়ে জটিলতা তৈরি হলেও তা সমাধান হয়নি। বর্তমানে মহাপরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) মোঃ আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে নন ক্যাডার কর্মকর্তাদের জটিল ফাইলগুলো পুনরায় সচল করার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। উন্নয়ন প্রকল্প হতে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত নন-ক্যাডার ৯ম গ্রেডের কর্মকর্তাদের ৬ষ্ঠ গ্রেডে পদায়নের জন্য তড়িঘড়ি উদ্যোগ নিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে। অথচ নন-ক্যাডার কর্মকর্তা/কর্মচারী চাকুরি ও পদোন্নতি বিধিমালা ২০১১ এবং ডিজির প্রশাসনিক ক্ষমতা অনুযায়ী একই সঙ্গে দুটি পৃথক নিয়োগ যোগ্যতার পদ বা কর্মস্থল ধরে পদোন্নতি বা পদায়নের কোনো সুযোগ নেই।
সূত্র আরো জানা যায়, ২০২৫ সালের নভেম্বরে উন্নয়ন প্রকল্প হতে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত পাঁচজন সহকারী উদ্যান উন্নয়ন কর্মকর্তাকে ৯ম গ্রেড থেকে ৬ষ্ঠ গ্রেডে পদোন্নতির আদেশ জারি করা হয়। তবে তাদের মধ্যে অন্তত তিনজন কর্মকর্তার ক্ষেত্রে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। একজন ইতোমধ্যে বিধিবহির্ভূতভাবে পদবী পরিবর্তন করে ভিন্ন নিয়োগ যোগ্যতার পদে খামারবাড়িতে যোগদান করেছেন। আরেকজন দীর্ঘদিন ধরে পদবী পরিবর্তন করে অন্য পদে কর্মরত থেকেও পদোন্নতির সুবিধা নিয়েছেন। সহকারী উদ্যান কর্মকর্তা, ইমরান কবির, হর্টিকালচার সেন্টার, নাইক্ষ্যংছড়ি, বান্দরবনের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ার পরও ব্যবস্থা না নিয়ে তাকে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। বিশেষ করে, মোঃ শাহিন সালে উদ্দিন, সহকারী উদ্যান উন্নয়ন কর্মকর্তা পদোন্নতি পাওয়ার আগেই রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পদবী পরিবর্তন করে অন্য নিয়োগ যোগ্যতার পরিসংখ্যান কর্মকর্তা পদে খামারবাড়িতে যোগদান করেন। একইভাবে আরেক কর্মকর্তা ছাত্র সংগঠনের পরিচয় ব্যবহার করে লাভজনক পদে পদায়ন নিয়েও পদোন্নতি সুবিধা গ্রহণ করেন। মোসাঃ জান্নাত মাহাবুবা খাতুন, সহকারী উদ্যান উন্নয়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কর্মস্থলে একক কর্তৃত্বে দায়িত্ব পালন করে ব্যাপক দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থাকা স্বত্বেও তা উপেক্ষা করা হয়েছে। এসব কারণে তাদের পদোন্নতি কার্যকর করতে গিয়ে অভিযোগ থাকা স্বত্বেও তা উপেক্ষা করা হয়েছে।
এসব কারণে তাদের পদোন্নতি কার্যকর করতে গিয়ে প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হয়েছিল। পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে কৃষি মন্ত্রণালয়ে পদায়নের বিষয়টি অবগতকরে প্রস্তাব পাঠানো হলেও কোনো সুনির্দিষ্ট সমাধান না পেয়ে ফেব্রুয়ারিতে পুনরায় ‘ভূতাপেক্ষভাবে’ পদায়নের প্রস্তাব পাঠানো হয়। অথচ অধিদপ্তর প্রধানের প্রশাসনিক ক্ষমতা ও সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী এ ধরনের ভূতাপেক্ষ বদলি বা পদনাম পরিবর্তন বা পদোন্নতির ক্ষমতা কেবল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের হাতে।
কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে এ ধরনের প্রস্তাব না পাঠানোর জন্য মৌখিকভাবে সতর্ক করা হলেও তা উপেক্ষা করে পুনরায় তৎপরতা চালিয়ে ৩০ এপ্রিল, ২৬ যোগদানের তারিখ উল্লেখ করে ৬ষ্ঠ গ্রেডের পদোন্নতি পদে মহাপরিচালক মোঃ আব্দুর রহিম রুটিন দায়িত্বে থাকার পরও প্রশাসনিক ক্ষমতা বহির্ভূত বিধিবহির্ভূতভাবে ভিন্ন দুইটি পদ ও দুটি কর্মস্থল উল্লেখ করে ৬ষ্ঠ গ্রেড পদে পদায়ন আদেশ জারী করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে।
আরও যানা যায়, কৃষিবিদ নাজিম উর রউফ খান, প্রাক্তনঃ অতিরিক্ত উপপরিচালক (প্রশাসন-১), প্রশাসন ও অর্থ উইং, বর্তমানেঃ অতিরিক্ত উপপরিচালক (পিপি) উপপরিচালকের কার্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কৃষিবিদ মোঃ শরীফুল ইসলাম, অতিরিক্ত উপপরিচালক (শাস্য), উপপরিচালকের কার্যালয়, ঢাকা, কৃষিবিদ মোঃ আহসান হাবীব, অতিরিক্ত উপপরিচালক (বালাইনাশক মাননিয়ন্ত্রণ), উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইং, কৃষিবিদ কাজী আনোয়ার হোসেন, উপজেলা কৃষি অফিসার (এল.আর) বর্তমানেঃ অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রটোকল অফিসার, প্রশাসন ও অর্থ উইং ও কৃষিবিদ এবিএম শাহ সহ, গত ১০/০৬/১০২৬ তারিখ মৃত্তিকা ভবনের সামনে মন্ত্রীর সাথে বিভিন্ন ইস্যুতে উচ্চবাচ্য করতে থাকলে তাদেরকে থামানোর জন্য এমদাদুল হক চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার করা হচ্ছে। মোঃ শরীফুল ইসলামকে ইতিপূর্বে খামারবাড়িতে অন্তবর্তী সরকারের আমলে সাবেক কৃষি ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এর সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ আচরণ করার কারণে লৌহজং, মুন্সিগঞ্জ থেকে সুনামগঞ্জে বদলি করা হলেও বর্মমানে তিনি ঢাকায় কর্মরত। আরো অভিযোগ পাওয়া যায়, আব্দুর রহিমের গোপন তৎপরতায় খামারবাড়ির প্রশাসন ও অর্থ উইং এর অতিরিক্ত উপপরিচালক (প্রশাসন-১) হিসেবে কচুয়া, চাঁদপুর উপজেলাসহ বিভিন্ন উপজেলায় কর্মরত থাকাকালীন আর্থিক অনিয়ম, কর্মচারীদের সাথে অসদাচরণ, দুর্নীতি ও দাঙ্গাবাজ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত উপপরিচালকের কার্যালয় ফেনীর ২৯ ব্যাচের বিসিএস (কৃষি) কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোফায়েল হোসেন, অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্যান) কে মোটা অংকের আর্থিক লেনদেনের বিনিময়ে পদায়নের পায়তারা চলছে।
দুর্নীতিবাজ রহিম চাকুরি জীবনে যেখানে কর্মরত ছিলেন সেখানে তাঁর নেতৃত্বে একটি সু বিশাল সিন্ডিকেট বাহীনি দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করে সেই সকল কর্মস্থলে করেছেন নানা অনিয়মঃ খামারবাড়ির বাহিরে কর্মরত থাকাকালীন করেছেন আর্থিক অনিয়ম উঠেছে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে খামারবাড়িতে পরিচালক (গ্রেড-২) পদে উদ্ভিদ সংগনিরোধ উইংয়ে যোগদানের পূর্বে ১৪/০২/২০২৩খ্রি. তারিখ হতে ২৩/০২/২০২৫খ্রি. পর্যন্ত জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি (নাটা), গাজীপুরে পরিচালক ও মহাপরিচালক পদে কর্মরত থাকাকালীন সময়েও তার বিরুদ্ধে উঠেছিল আর্থিক কেলেংকারীসহ প্রশাসনিক ক্ষমতা অপব্যবহারের বিশদ অভিযোগ। ১২/০২/২০২৩ তারিখ হতে ১৬/০১/২০১৭খ্রি. তারিখ পর্যন্ত হর্টিকালচার সেন্টার, বনানী বগুড়াতে কর্মরত থাকাকালীন সময়েও করেছেন অর্থনেতিক লুটপাটসহ হর্টিকালচার সেন্টারের বিভিন্ন ধরণের চারা গাছ বিক্রির টাকা সরকারি কোষাঘারে জমা না দিয়ে লোপাটের অভিযোগ। উপজেলা কৃষি অফিসার পদে ২৩/১২/২০০৯খ্রি. তারিখ হতে ০২/০২/২০১৬খ্রি. তারিখ পর্যন্ত উপজেলা কৃষি অফিস, ধুনট ও শেরপুর, বগুড়াতে কর্মরত থাকাকালীন সময়ে মোঃ আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে ব্যাপক আর্থিক অনিয়ম ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাসহ কর্মচারীদের হয়রানির অভিযোগ রয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসার হিসেবে কর্মরত থাকার সুবাধে কৃষি প্রনোদনা, উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ কৃষক পর্যায়ে বাস্তবায়ন না করেই টাকা আত্মসাৎ করে রাজধানী ঢাকার উত্তরাতে করেছেন আলিশান ফ্ল্যাট ও বাড়ী। দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও অঢেল সম্পদের পাহাড় গড়েছেন তার স্ত্রী সন্তানের নামে। নাম প্রকাশ না করার সর্তে একাধিক কর্মকর্তার বলেন, খামারবাড়িকে ফ্যাসিস্ট সরকারের গোপন মিশন বাস্তবায়নে আব্দুর রহিমের গোপন নির্দেশনায় সদর দপ্তর খামারবাড়িসহ কেআইবি’র বিদ্যমান দুইটি গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থানে যে কোন সময়ে ঘটে যেতে পারে অনাকাঙ্কিত ঘটনা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক (রুটিন দায়িত্ব থাকা) আব্দুর রহিমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ডিজির প্রেসই উইং এর সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। তবে সরজমিনে গিয়ে দেখো যায় ওই দপ্তরে প্রেস উইংয়ের কোন কর্মকর্তা নেই।
পরে তার বক্তব্য নিতে হোয়াটসঅপে ম্যাসেজ পাঠিয়েও কোন সাড়া মেলেনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। দুদকের দায়িত্ব হলো অভিযোগের তদন্ত সম্পন্ন করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা এবং মামলাটি আইনগতভাবে পরিচালনা করা।
তারা আরও বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। নতুন কোনো তথ্য বা অভিযোগ পাওয়া গেলে তা আইন অনুযায়ী যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, “যদি কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ বা আদালতে বিচারাধীন মামলা থাকে, তাহলে আইন ও বিধি অনুযায়ী বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। কেউ অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকলে তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”























