প্রাথমিক-মাধ্যমিকে ১৩৩ বই পরিমার্জন, যুক্ত হচ্ছে চার নতুন পাঠ্যবই
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:২৬:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তকে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষকে সামনে রেখে ১৩৩টি পাঠ্যবই পরিমার্জনের পাশাপাশি চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য চারটি নতুন বই সংযোজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, ইতিহাস, বাংলা, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি), বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়সহ বিভিন্ন বিষয়ের বইয়ে নতুন বিষয়বস্তু যুক্ত করা হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পুরোনো অংশ পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে। বিশেষ করে আইসিটি বইয়ে প্রথমবারের মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও আধুনিক প্রযুক্তি বিষয়ে নতুন অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।
এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের শারীরিক, মানসিক ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে চারটি নতুন পাঠ্যবই যুক্ত করার কাজ চলছে।
নবম-দশম শ্রেণির বাংলা বইয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের একটি প্রবন্ধ অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি পঞ্চম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ের ‘আমাদের স্মরণীয় নেতা’ অধ্যায়ে বিদ্যমান চার নেতার পাশাপাশি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জীবন ও অবদান যুক্ত করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এনসিটিবির তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক স্তরের ৩৬টি এবং মাধ্যমিক স্তরের ৯৯টি বইয়ের মধ্যে ৯৭টির পরিমার্জনের কাজ শেষ হয়েছে। প্রাথমিকের বই পরিমার্জনে ১৬০ জন এবং মাধ্যমিকের বইয়ে ২৫০ জন বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞ কাজ করেছেন।
২০২৭ শিক্ষাবর্ষে মোট ৩০ কোটি ৮৩ লাখের বেশি পাঠ্যবই ছাপানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে প্রাথমিক স্তরের জন্য ৮ কোটি ২১ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩০ কপি এবং মাধ্যমিক, মাদরাসা ও কারিগরি স্তরের জন্য ২১ কোটি ২৭ লাখ ২৮ হাজার ৩৩২ কপি বই মুদ্রণ করা হবে। আগামী আগস্টের প্রথম সপ্তাহে বই ছাপার কাজ শুরু হয়ে নভেম্বরের মাঝামাঝি শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে এনসিটিবির চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা বলেন, এ পর্যন্ত ১৩৩টি বইয়ের পরিমার্জন ও ইনডিজাইন সম্পন্ন হয়েছে। নতুন চারটি বইয়ের বিষয়বস্তু ও কাঠামো চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।
তিনি আরও বলেন, ‘চার শতাধিক বিশেষজ্ঞ, বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক, সম্পাদক ও কারিগরি বিশেষজ্ঞ বই প্রস্তুতের কাজে যুক্ত রয়েছেন। প্রতিটি বই একাধিক ধাপে পর্যালোচনা করা হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের হাতে সময়মতো নির্ভুল, মানসম্মত ও যুগোপযোগী পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া।’






















