ঢাকা ০২:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে নতুন অধ্যায় শ্রীমঙ্গলে

​এলিসন সুঙ,মৌলভীবাজার
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:৩২:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে এক উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে চা শ্রমিক ও প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর মাঝে ফ্যামিলি কার্ড এবং বিশেষ আর্থিক অনুদান বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠানে তৃতীয় ধাপের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান।

​এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে বেশ কিছু যুগান্তকারী পদক্ষেপের ঘোষণা ও বাস্তবায়ন করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ: পিছিয়ে পড়া চা শ্রমিক পরিবারগুলোর খাদ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের মাঝে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ,চা শ্রমিকরা যেন নিজস্ব ও টেকসই আবাসন গড়ে তুলতে পারেন, সেজন্য তাদের মাঝে পরিবারপ্রতি ২ লক্ষ টাকা মূল্যের ‘হেগো’ (আবাসন বা গৃহনির্মাণ সহায়তা) বিতরণ,চা শ্রমিকদের সন্তানদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে এবং ঝরে পড়া রোধে বিশেষ শিক্ষা অনুদান প্রদান এবং সমাজের মূল স্রোতধারায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করার প্রত্যয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত বেশ কয়েকজন প্রতিবন্ধী নাগরিকের হাতে সরাসরি আর্থিক অনুদান তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে তাদের স্বাবলম্বী করারও আশ্বাস দেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রী শ্রীমঙ্গল উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ১৫৫টি পরিবারের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করেন এবং অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ১০ জন উপকারভোগীর হাতে কার্ড তুলে দেন। এ কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি পরিবারকে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা ভাতা দেওয়া হবে। উপকারভোগীর পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে এ ভাতা দেওয়া হবে, ফলে তারা ঘরে বসেই অর্থ নিতে পারবেন। পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম পর্যায়ে শ্রীমঙ্গল উপজেলার ১৫৫ জন উপকারভোগীকে এই ভাতা দেওয়া হচ্ছে।

এসময় স্থানীয় চা শ্রমিকরা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সরাসরি অনুদান ও ফ্যামিলি কার্ড তাদের জীবনযাত্রার কষ্ট অনেকটাই লাঘব করবে। বিশেষ করে ঘর তৈরির জন্য বড় অঙ্কের অর্থ এবং সন্তানদের পড়াশোনার অনুদান পাওয়ায় তারা অত্যন্ত আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে নতুন অধ্যায় শ্রীমঙ্গলে

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:৩২:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে এক উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে চা শ্রমিক ও প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর মাঝে ফ্যামিলি কার্ড এবং বিশেষ আর্থিক অনুদান বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠানে তৃতীয় ধাপের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান।

​এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে বেশ কিছু যুগান্তকারী পদক্ষেপের ঘোষণা ও বাস্তবায়ন করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ: পিছিয়ে পড়া চা শ্রমিক পরিবারগুলোর খাদ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের মাঝে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ,চা শ্রমিকরা যেন নিজস্ব ও টেকসই আবাসন গড়ে তুলতে পারেন, সেজন্য তাদের মাঝে পরিবারপ্রতি ২ লক্ষ টাকা মূল্যের ‘হেগো’ (আবাসন বা গৃহনির্মাণ সহায়তা) বিতরণ,চা শ্রমিকদের সন্তানদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে এবং ঝরে পড়া রোধে বিশেষ শিক্ষা অনুদান প্রদান এবং সমাজের মূল স্রোতধারায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করার প্রত্যয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত বেশ কয়েকজন প্রতিবন্ধী নাগরিকের হাতে সরাসরি আর্থিক অনুদান তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে তাদের স্বাবলম্বী করারও আশ্বাস দেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রী শ্রীমঙ্গল উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ১৫৫টি পরিবারের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করেন এবং অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ১০ জন উপকারভোগীর হাতে কার্ড তুলে দেন। এ কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি পরিবারকে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা ভাতা দেওয়া হবে। উপকারভোগীর পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে এ ভাতা দেওয়া হবে, ফলে তারা ঘরে বসেই অর্থ নিতে পারবেন। পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম পর্যায়ে শ্রীমঙ্গল উপজেলার ১৫৫ জন উপকারভোগীকে এই ভাতা দেওয়া হচ্ছে।

এসময় স্থানীয় চা শ্রমিকরা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সরাসরি অনুদান ও ফ্যামিলি কার্ড তাদের জীবনযাত্রার কষ্ট অনেকটাই লাঘব করবে। বিশেষ করে ঘর তৈরির জন্য বড় অঙ্কের অর্থ এবং সন্তানদের পড়াশোনার অনুদান পাওয়ায় তারা অত্যন্ত আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ।