ঢাকা ০২:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০ টাকার প্রলোভনে ৫ বছরের শিশু ধর্ষণ

চট্টগ্রামে একদিনে দুই শিশু ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্তকে নিতে গিয়ে অবরোধে পুলিশ

চট্টগ্রাম ব্যরো
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:৪৩:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রামে বাকলিয়ায় চার বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় উত্তেজনা ও সংঘর্ষের রেশ না কাটতেই একদিনের ব্যবধানে নগরের দুই এলাকায় আরও দুটি শিশু ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বায়েজিদ ও ডবলমুরিং থানা এলাকায় পৃথক ঘটনায় দুই শিশুকন্যা ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ডবলমুরিং এলাকায় অভিযুক্তকে আটক করতে গিয়ে স্থানীয়দের রোষের মুখে পড়ে প্রায় দুই ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকেন পুলিশ সদস্যরা।

শুক্রবার (২২ মে) দুপুর দুইটার দিকে নগরের বায়েজিদ থানার মোহাম্মদ নগর এলাকা থেকে পাঁচ বছরের এক শিশুকন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে মোহাম্মদ হাসান নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযোগ রয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে ১০ টাকার প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন তিনি। পরে শিশুটি পরিবারের সদস্যদের ঘটনাটি জানায়। এরপর ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা করা হয়।

বায়েজিদ থানার তদন্ত কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল বলেন, পরিবারের করা মামলার ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁকে নিরাপদ স্থানে রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে শুক্রবার (২২ মে) দুপুর দেড়টার দিকে নগরের ডবলমুরিং থানার হাজীপাড়া এলাকায় সাত বছরের এক শিশুকন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে স্থানীয় লোকজন এক যুবককে আটক করে মারধর করেন। পরে তাঁকে নিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে পড়ে পুলিশ সদস্যরা। প্রায় দুই ঘণ্টা হাজীপাড়ায় অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকতে হয় পুলিশ ও অভিযুক্তকে।

পরে বিচারের আশ্বাস দিলে অভিযুক্তকে থানায় নিয়ে যেতে সক্ষম হন ডবলমুরিং থানার পুলিশ সদস্যরা। তবে এ ঘটনায় অভিযুক্তের পরিচয় জানা যায়নি।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার আমিনুর রশিদ বলেন, ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে পুলিশ অবরুদ্ধ থাকার বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২১ মে) নগরের বাকলিয়া এলাকায় চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। বিকেল পাঁচটা থেকে মধ্যরাত দুইটা পর্যন্ত স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলে। এতে পুলিশের কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও রাবার বুলেটে দুই সাংবাদিকসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

১০ টাকার প্রলোভনে ৫ বছরের শিশু ধর্ষণ

চট্টগ্রামে একদিনে দুই শিশু ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্তকে নিতে গিয়ে অবরোধে পুলিশ

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:৪৩:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

চট্টগ্রামে বাকলিয়ায় চার বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় উত্তেজনা ও সংঘর্ষের রেশ না কাটতেই একদিনের ব্যবধানে নগরের দুই এলাকায় আরও দুটি শিশু ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বায়েজিদ ও ডবলমুরিং থানা এলাকায় পৃথক ঘটনায় দুই শিশুকন্যা ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ডবলমুরিং এলাকায় অভিযুক্তকে আটক করতে গিয়ে স্থানীয়দের রোষের মুখে পড়ে প্রায় দুই ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকেন পুলিশ সদস্যরা।

শুক্রবার (২২ মে) দুপুর দুইটার দিকে নগরের বায়েজিদ থানার মোহাম্মদ নগর এলাকা থেকে পাঁচ বছরের এক শিশুকন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে মোহাম্মদ হাসান নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযোগ রয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে ১০ টাকার প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন তিনি। পরে শিশুটি পরিবারের সদস্যদের ঘটনাটি জানায়। এরপর ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা করা হয়।

বায়েজিদ থানার তদন্ত কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল বলেন, পরিবারের করা মামলার ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁকে নিরাপদ স্থানে রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে শুক্রবার (২২ মে) দুপুর দেড়টার দিকে নগরের ডবলমুরিং থানার হাজীপাড়া এলাকায় সাত বছরের এক শিশুকন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে স্থানীয় লোকজন এক যুবককে আটক করে মারধর করেন। পরে তাঁকে নিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে পড়ে পুলিশ সদস্যরা। প্রায় দুই ঘণ্টা হাজীপাড়ায় অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকতে হয় পুলিশ ও অভিযুক্তকে।

পরে বিচারের আশ্বাস দিলে অভিযুক্তকে থানায় নিয়ে যেতে সক্ষম হন ডবলমুরিং থানার পুলিশ সদস্যরা। তবে এ ঘটনায় অভিযুক্তের পরিচয় জানা যায়নি।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার আমিনুর রশিদ বলেন, ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে পুলিশ অবরুদ্ধ থাকার বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২১ মে) নগরের বাকলিয়া এলাকায় চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। বিকেল পাঁচটা থেকে মধ্যরাত দুইটা পর্যন্ত স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলে। এতে পুলিশের কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও রাবার বুলেটে দুই সাংবাদিকসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন।