ঢাকা ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নারী কণ্ঠে বিশ্বাস, পরিবার অসুস্থ ভান—ফেসবুক প্রতারণার কৌশল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৩১:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬ ৭২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফেসবুকভিত্তিক প্রতারণার মাধ্যমে কোটি টাকার অর্থ আত্মসাৎ করা প্রতারক মনিরুল ইসলামের স্থাবর সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করেছে সিআইডি। সিনিয়র স্পেশাল জজ, মহানগর দায়রা আদালতের আদেশে মোট ৭৬ লাখ ৩২ হাজার টাকার জমি ও ফ্ল্যাট বাজেয়াপ্ত করা হয়।

সিআইডির তদন্তে জানা গেছে, মনিরুল ইসলাম বিভিন্ন পেশার বয়স্ক ব্যক্তিদের ফেসবুকে বন্ধু হিসেবে যুক্ত হতেন। কখনো ডাক্তার, কখনো কলেজের অধ্যক্ষ, আবার কখনো প্রধানমন্ত্রীর পিএস পরিচয়ে ভিকটিমদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। ফোনে নারী কণ্ঠ ব্যবহার করে বিশ্বাস অর্জনের একপর্যায়ে তিনি পরিবার অসুস্থ হওয়ার ভান করে অর্থ হাতিয়ে নিতেন।

অর্থ আত্মসাতের পর মনিরুল ইসলাম মোবাইল বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যেতেন। ধৃত তথ্য অনুযায়ী, তিনি আত্মসাতকৃত অর্থ দিয়ে ঢাকা জেলার ডেমরা এলাকায় ৭.৫ শতাংশ জমি এবং দারুসসালাম এলাকায় ২১৫০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কিনেছিলেন।

সিআইডি জানায়, ফেসবুকে প্রতারণার মাধ্যমে ২৪ লাখ ৭৪ হাজার টাকা আত্মসাতের একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল ২০২৩ সালে। তদন্তে প্রাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এই সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

বর্তমানে মামলার তদন্ত কার্যক্রম চালাচ্ছে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট। অপরাধের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদঘাটন এবং অন্য অজ্ঞাত সহযোগীদের শনাক্তকরণে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

নারী কণ্ঠে বিশ্বাস, পরিবার অসুস্থ ভান—ফেসবুক প্রতারণার কৌশল

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৩১:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

ফেসবুকভিত্তিক প্রতারণার মাধ্যমে কোটি টাকার অর্থ আত্মসাৎ করা প্রতারক মনিরুল ইসলামের স্থাবর সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করেছে সিআইডি। সিনিয়র স্পেশাল জজ, মহানগর দায়রা আদালতের আদেশে মোট ৭৬ লাখ ৩২ হাজার টাকার জমি ও ফ্ল্যাট বাজেয়াপ্ত করা হয়।

সিআইডির তদন্তে জানা গেছে, মনিরুল ইসলাম বিভিন্ন পেশার বয়স্ক ব্যক্তিদের ফেসবুকে বন্ধু হিসেবে যুক্ত হতেন। কখনো ডাক্তার, কখনো কলেজের অধ্যক্ষ, আবার কখনো প্রধানমন্ত্রীর পিএস পরিচয়ে ভিকটিমদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। ফোনে নারী কণ্ঠ ব্যবহার করে বিশ্বাস অর্জনের একপর্যায়ে তিনি পরিবার অসুস্থ হওয়ার ভান করে অর্থ হাতিয়ে নিতেন।

অর্থ আত্মসাতের পর মনিরুল ইসলাম মোবাইল বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যেতেন। ধৃত তথ্য অনুযায়ী, তিনি আত্মসাতকৃত অর্থ দিয়ে ঢাকা জেলার ডেমরা এলাকায় ৭.৫ শতাংশ জমি এবং দারুসসালাম এলাকায় ২১৫০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কিনেছিলেন।

সিআইডি জানায়, ফেসবুকে প্রতারণার মাধ্যমে ২৪ লাখ ৭৪ হাজার টাকা আত্মসাতের একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল ২০২৩ সালে। তদন্তে প্রাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এই সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

বর্তমানে মামলার তদন্ত কার্যক্রম চালাচ্ছে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট। অপরাধের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদঘাটন এবং অন্য অজ্ঞাত সহযোগীদের শনাক্তকরণে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।