প্রান্তিক খামারিদের সমৃদ্ধ করতে সরকার কাজ করছে: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:৫৭:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে
প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি।
তিনি বলেন, প্রান্তিক পর্যায়ে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা গেলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিও আরও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে এই খাতে কর্মসংস্থান বাড়বে এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হবে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে খুলনার দৌলতপুর আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যে সব খামারিকে কৃষক কার্ডের আওতায় নিয়ে এসেছেন। প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিদের কীভাবে আরও উন্নত করা যায় এবং তাদের অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করা যায়, সে লক্ষ্যেই ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে হ্যাচিং ডিম নাইজেরিয়ায় রপ্তানি করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এর উৎপাদন আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সরকার প্রাণিসম্পদ খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে সার্বিক নজরদারি করছেন।
প্রতিমন্ত্রীর আশা, এর মাধ্যমে প্রান্তিক পর্যায়ে খামারির সংখ্যা বাড়বে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং নতুন উদ্যোক্তারা এই খাতে যুক্ত হবেন।
তরুণদের প্রাণিসম্পদ খাতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অনেক তরুণ ইতোমধ্যে খামার করে সফল হয়েছেন। তাদের ঋণ সুবিধাসহ বিভিন্ন ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, এই খাতের আরও বিকাশে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
খুলনার দৌলতপুর আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামারের উন্নয়ন প্রসঙ্গে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, খামারটির উন্নয়নে ইতোমধ্যে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রকল্পের অগ্রগতি ও খামারের সার্বিক অবস্থা দেখতে আজ পরিদর্শন করা হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে খুলনার মানুষ এখান থেকে যথাযথ সেবা পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হুরে জান্নাত, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. বয়জার রহমানসহ অধিদপ্তরের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন কর্মকর্তা।


























