বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারে পবিপ্রবির ৫ উদ্ভাবন, নজর কাড়ল ‘ই-নিবাস’ অ্যাপ

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:৪৩:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
‘ইনোভেট টু মার্কেট’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজধানীর নভোথিয়েটারে আয়োজিত বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬-এ পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) উদ্ভাবনী প্রকল্পগুলো দর্শনার্থীদের নজর কেড়েছে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর আয়োজিত এ মেলায় পবিপ্রবির স্টল পরিদর্শন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস এম হেমায়েত জাহান, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ বি এম সাইফুল ইসলাম, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, রেজিস্ট্রার প্রফেসর মো. জামাল হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট ডিনরা।
মেলায় পবিপ্রবির পক্ষ থেকে কৃষিপণ্য, প্রাণীস্বাস্থ্য, প্রাণীজ উৎপাদন, মৎস্যসম্পদ ও কৃষি প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন উদ্ভাবন, বৈজ্ঞানিক পোস্টার ও প্রোটোটাইপ প্রদর্শন করা হয়।
ইনোভেশন ফেয়ারে পবিপ্রবির ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. খোকন হোসেন।
মেলায় পবিপ্রবির শিক্ষক ও গবেষকদের নির্বাচিত পাঁচটি উদ্ভাবনী গবেষণা প্রকল্প উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—
- ফ্যাকাল্টি অব ফিশারিজের প্রফেসর ড. মো. সাজেদুল হকের নেতৃত্বে তৈরি ‘Smart Fish Dryer’—সামুদ্রিক মাছ দ্রুত, সব আবহাওয়ায় এবং রাসায়নিকমুক্ত উপায়ে শুকানোর আইওটি-ভিত্তিক প্রযুক্তি।
- উপকূলীয় অঞ্চলের মা ও শিশুদের পুষ্টি চাহিদা পূরণে তৈরি ‘Nutri-Fish Powder’ (আইডিয়া ও প্রসেস ম্যাপ)।
- সিএসই অনুষদের ইমামুল কবির আনান ও আরিফুল ইসলাম মাসুমের তৈরি স্মার্ট রেন্ট ও হোল্ডিং ট্যাক্স ম্যানেজমেন্ট অ্যাপ ‘e-Nibash’।
- রিফাত আল সাদ কায়সার ও মো. নুমান শেখের তৈরি সৌর ও গ্রিড বিদ্যুৎ বণ্টন ব্যবস্থাপনার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ‘GridMind AI’।
- প্রফেসর ড. এস এম তাওহিদুল ইসলাম ও মো. আফ্রিদি আলম প্রান্তুর তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আইওটি সেন্সরনির্ভর ফসল সুরক্ষা ও রোগ শনাক্তকরণ অ্যাপ ‘AgDMM’।
প্রদর্শিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে বিশেষভাবে আগ্রহ তৈরি করেছে ‘e-Nibash’ অ্যাপটি। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অ্যাপটির কার্যকারিতা ও সম্ভাবনা দেখে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তারা ভবিষ্যতে এটি ব্যবহারের জন্য যোগাযোগ করে অর্ডার দেওয়ার আগ্রহের কথাও জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পবিপ্রবির এসব উদ্ভাবন কৃষি, মৎস্য, প্রযুক্তি ও জনসেবামূলক খাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে এবং গবেষণার ফলাফলকে বাজারমুখী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


























