সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখা সবার পবিত্র দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:১৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব হিন্দু ধর্মাবলম্বীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ শুভেচ্ছা জানান।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিশ্বের হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশেষ দিন শুভ জন্মাষ্টমী। এই শুভ দিনে আমি বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্বের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।”
জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে তারেক রহমান বলেন, শ্রীকৃষ্ণের বার্তা ও শিক্ষা সমাজে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করবে।
তিনি বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধে উদ্বুদ্ধ একটি জনকল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
কেউ যেন দেশের সম্প্রীতির পরিবেশ বিনষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, “সমাজে শৃঙ্খলা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে আমাদের প্রত্যেককে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”
শ্রীকৃষ্ণের দর্শনের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, তাঁর জীবন ও কর্ম সমাজে ন্যায়, সাম্য ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় মানবপ্রেমের অনন্য আদর্শ তুলে ধরেছে। সৃষ্টিকর্তার প্রতি ভক্তি, মানবকল্যাণ ও শান্তির যে দর্শন শ্রীকৃষ্ণ প্রচার করেছেন, তা সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ সব মানুষের জন্যই অনুপ্রেরণাদায়ক।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি সভ্য রাষ্ট্র ও সমাজে বিভিন্ন ধর্ম ও মতের মানুষের মধ্যে মেলবন্ধন থাকে। বাংলাদেশেও যুগ যুগ ধরে সর্বস্তরের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে নিজ নিজ ধর্ম পালন করে আসছেন।
এই আবহমান সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখা নাগরিক হিসেবে সবার পবিত্র দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, সনাতন ধর্মীয় শাস্ত্র অনুযায়ী ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে ধরাধামে আবির্ভূত হন শ্রীকৃষ্ণ। হিন্দু পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী, মথুরার অত্যাচারী রাজা কংসের পাপাচার চরমে পৌঁছালে শ্রীকৃষ্ণের জন্ম হয়। পরবর্তীতে তিনি কংসকে বধ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেন। ‘দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন’কে শ্রীকৃষ্ণের মূল ব্রত হিসেবে বিবেচনা করা হয়।




















