ঢাকা ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তা আব্দুর রহিমের প্রতিবাদ ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরু ৭ জানুয়ারি ১৫ আগস্ট, বঙ্গবন্ধু হত্যার ৫১ বছর টাক ঢাকতে হেয়ার প্যাচ কতটা নিরাপদ? ভুল ব্যবহারে বাড়তে পারে চুল পড়া শিগগিরই হতে পারে ছাত্রদলের নতুন কমিটি, আলোচনায় একাধিক নেতা আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক খালেদা জিয়া: রাজপথ থেকে রাষ্ট্র পরিচালনায় দীর্ঘ পথচলা আরও বড় পরিসরে চালু হবে যশোর শিশু হাসপাতাল: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত Billions at Stake, Work Left Unfinished: Questions Surround Transrail and Amrik Singh হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প, কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই উধাও ট্রান্সরেল ও অমৃক সিং? ভারত সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী , দিল্লিতে মোদির সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা

টাক ঢাকতে হেয়ার প্যাচ কতটা নিরাপদ? ভুল ব্যবহারে বাড়তে পারে চুল পড়া

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:৩৯:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাথায় টাকের পরিধি যত বাড়ে, অনেকের দুশ্চিন্তাও তত বাড়ে। চুল পাতলা হয়ে যাওয়া বা টাক পড়া নিয়ে অস্বস্তি থেকে অনেকেই বেছে নিচ্ছেন হেয়ার প্যাচ। অভিনেতা, রাজনীতিক থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশার মানুষের মধ্যেও টাক ঢাকার এই পদ্ধতি দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে।

অস্ত্রোপচার ছাড়াই দ্রুত চুল ঘন দেখানোর সুযোগ, তুলনামূলক কম খরচ এবং সহজে ব্যবহার করা যায়—এসব কারণেই হেয়ার প্যাচের চাহিদা বাড়ছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, নিয়মিত হেয়ার প্যাচ ব্যবহার করা কি সত্যিই নিরাপদ? নাকি টাক ঢাকতে গিয়ে উল্টো বাড়তে পারে চুল পড়ার সমস্যা?

হেয়ার প্যাচকে সাধারণত ‘নন-সার্জিক্যাল হেয়ার রিপ্লেসমেন্ট সিস্টেম’ বলা হয়। প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম চুলের একটি অংশ লেস, পলিউরেথেনের মতো ত্বকবান্ধব বেসের সঙ্গে যুক্ত থাকে। পরে মেডিক্যাল-গ্রেড আঠা, টেপ কিংবা ক্লিপের সাহায্যে মাথার টাক পড়া অংশে সেটি বসানো হয়। সঠিকভাবে তৈরি ও লাগানো হলে এটি স্বাভাবিক চুলের সঙ্গে এমনভাবে মিশে যায় যে বাইরে থেকে সহজে বোঝার উপায় থাকে না।

তবে চিকিৎসকদের মতে, পদ্ধতিটি তুলনামূলক নিরাপদ হলেও ব্যবহারে অসতর্ক হলে মাথার ত্বক ও চুলে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

টাক ঢাকতে গিয়ে বাড়তে পারে চুল পড়া

চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ কৌশিক লাহিড়ীর মতে, ক্লিপ বা মেডিক্যাল-গ্রেড টেপ দিয়ে সঠিকভাবে হেয়ার প্যাচ ব্যবহার করলে সাধারণত বড় ধরনের ঝুঁকি থাকে না। কারণ এতে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয় না। তবে ভুলভাবে ব্যবহার করা কিংবা দীর্ঘ সময় একইভাবে প্যাচ লাগিয়ে রাখলে সমস্যা তৈরি হতে পারে।

চিকিৎসকদের অন্যতম উদ্বেগ হলো ট্র্যাকশন অ্যালোপেশিয়া। দীর্ঘ সময় শক্ত করে লাগানো প্যাচ বা ক্লিপের টানে আশপাশের চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে যেতে পারে। প্যাচ খোলার সময়ও বেশি টান পড়লে চুলের ফলিকল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ফলে টাক ঢাকার বদলে উল্টো চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে।

আঠা থেকেও হতে পারে অ্যালার্জি

নিম্নমানের প্যাচ বা আঠা ব্যবহারে মাথার ত্বকে অ্যালার্জি কিংবা কন্ট্যাক্ট ডার্মাটাইটিস হতে পারে। এতে চুলকানি, জ্বালাপোড়া, লালভাব এমনকি ফুসকুড়ি বা ফোসকার মতো উপসর্গও দেখা দিতে পারে।

বিশেষ করে কোন ধরনের আঠা ব্যবহার করা হচ্ছে, তা জানা গুরুত্বপূর্ণ। ত্বকের জন্য উপযোগী ও মেডিক্যাল-গ্রেড আঠা ব্যবহার না করলে ঝুঁকি বাড়তে পারে।

ঘাম জমে সংক্রমণের আশঙ্কা

দীর্ঘ সময় মাথার ত্বক ঢাকা থাকলে ঘাম ও আর্দ্রতা আটকে যেতে পারে। এর ফলে ফলিকিউলাইটিসের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। পাশাপাশি ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাকের সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।

অপরিষ্কার প্যাচ ব্যবহার করলেও একই ধরনের সমস্যা হতে পারে। বিশেষ করে পার্লার বা স্যালনে প্যাচ লাগানোর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত সরঞ্জাম ও প্যাচ যথাযথভাবে পরিষ্কার কি না, তা নিশ্চিত করা জরুরি।

খুশকিও বাড়তে পারে

দীর্ঘ সময় মাথার ত্বক ঢাকা থাকলে খুশকি বা সেবোরিক ডার্মাটাইটিসের মতো সমস্যা বাড়তে পারে। অতিরিক্ত শক্ত ক্লিপ ব্যবহারের কারণে আশপাশের স্বাভাবিক চুলও উঠে যেতে পারে।

তাই শুধু প্যাচটি দেখতে ভালো লাগছে কি না, সেটিই বিবেচনা না করে মাথার ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্যের দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন।

হেয়ার প্যাচ ব্যবহারে যে সতর্কতা জরুরি

১. আঠার মান যাচাই করুন:
মেডিক্যাল-গ্রেড ও হাইপোঅ্যালার্জেনিক আঠা ব্যবহার করা হচ্ছে কি না নিশ্চিত করুন। সংবেদনশীল ত্বক হলে প্রয়োজনে প্যাচ টেস্ট করা যেতে পারে।

২. নিয়মিত প্যাচ খুলুন:
প্রতিদিন বা নির্দিষ্ট বিরতিতে প্যাচ খুলে মাথার ত্বক পরিষ্কার করে ভালোভাবে শুকিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

৩. অতিরিক্ত শক্ত করে লাগাবেন না:
ক্লিপ বা টেপ খুব শক্ত করে লাগালে আশপাশের চুলে টান পড়তে পারে। প্যাচ খোলার সময়ও ধীরে ও সতর্কতার সঙ্গে খুলতে হবে।

৪. পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন:
প্যাচ ও মাথার ত্বক নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। অন্যের প্যাচ, তোয়ালে বা চিরুনি ব্যবহার করা উচিত নয়।

৫. অস্বাভাবিক উপসর্গ হলে প্যাচ খুলে ফেলুন:
মাথার ত্বকে লালভাব, ব্যথা, পুঁজ, অতিরিক্ত চুলকানি কিংবা দুর্গন্ধ দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ক্লিপ-অন প্যাচ কি তুলনামূলক নিরাপদ?

চিকিৎসকদের মতে, স্থায়ীভাবে আঠা দিয়ে লাগানো প্যাচের তুলনায় খুলে ফেলা যায় এমন ক্লিপ-অন প্যাচ তুলনামূলকভাবে নিরাপদ হতে পারে। এতে মাথার ত্বক নিয়মিত পরিষ্কার করার সুযোগ থাকে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্যাচ খুলে রাখা যায়।

তবে যাদের এগজিমা, সোরিয়াসিস, ফলিকিউলাইটিস বা মাথার ত্বকে কোনো ক্ষত রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে হেয়ার প্যাচ ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

অর্থাৎ, হেয়ার প্যাচ নিজে থেকেই বিপজ্জনক নয়; ঝুঁকি অনেকটাই নির্ভর করে প্যাচের মান, আঠা বা ক্লিপের ধরন, ব্যবহারের সময় এবং পরিচ্ছন্নতার ওপর। টাক ঢাকার আগে তাই চুলের সৌন্দর্যের পাশাপাশি মাথার ত্বকের স্বাস্থ্যের কথাও গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

টাক ঢাকতে হেয়ার প্যাচ কতটা নিরাপদ? ভুল ব্যবহারে বাড়তে পারে চুল পড়া

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:৩৯:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

মাথায় টাকের পরিধি যত বাড়ে, অনেকের দুশ্চিন্তাও তত বাড়ে। চুল পাতলা হয়ে যাওয়া বা টাক পড়া নিয়ে অস্বস্তি থেকে অনেকেই বেছে নিচ্ছেন হেয়ার প্যাচ। অভিনেতা, রাজনীতিক থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশার মানুষের মধ্যেও টাক ঢাকার এই পদ্ধতি দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে।

অস্ত্রোপচার ছাড়াই দ্রুত চুল ঘন দেখানোর সুযোগ, তুলনামূলক কম খরচ এবং সহজে ব্যবহার করা যায়—এসব কারণেই হেয়ার প্যাচের চাহিদা বাড়ছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, নিয়মিত হেয়ার প্যাচ ব্যবহার করা কি সত্যিই নিরাপদ? নাকি টাক ঢাকতে গিয়ে উল্টো বাড়তে পারে চুল পড়ার সমস্যা?

হেয়ার প্যাচকে সাধারণত ‘নন-সার্জিক্যাল হেয়ার রিপ্লেসমেন্ট সিস্টেম’ বলা হয়। প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম চুলের একটি অংশ লেস, পলিউরেথেনের মতো ত্বকবান্ধব বেসের সঙ্গে যুক্ত থাকে। পরে মেডিক্যাল-গ্রেড আঠা, টেপ কিংবা ক্লিপের সাহায্যে মাথার টাক পড়া অংশে সেটি বসানো হয়। সঠিকভাবে তৈরি ও লাগানো হলে এটি স্বাভাবিক চুলের সঙ্গে এমনভাবে মিশে যায় যে বাইরে থেকে সহজে বোঝার উপায় থাকে না।

তবে চিকিৎসকদের মতে, পদ্ধতিটি তুলনামূলক নিরাপদ হলেও ব্যবহারে অসতর্ক হলে মাথার ত্বক ও চুলে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

টাক ঢাকতে গিয়ে বাড়তে পারে চুল পড়া

চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ কৌশিক লাহিড়ীর মতে, ক্লিপ বা মেডিক্যাল-গ্রেড টেপ দিয়ে সঠিকভাবে হেয়ার প্যাচ ব্যবহার করলে সাধারণত বড় ধরনের ঝুঁকি থাকে না। কারণ এতে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয় না। তবে ভুলভাবে ব্যবহার করা কিংবা দীর্ঘ সময় একইভাবে প্যাচ লাগিয়ে রাখলে সমস্যা তৈরি হতে পারে।

চিকিৎসকদের অন্যতম উদ্বেগ হলো ট্র্যাকশন অ্যালোপেশিয়া। দীর্ঘ সময় শক্ত করে লাগানো প্যাচ বা ক্লিপের টানে আশপাশের চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে যেতে পারে। প্যাচ খোলার সময়ও বেশি টান পড়লে চুলের ফলিকল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ফলে টাক ঢাকার বদলে উল্টো চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে।

আঠা থেকেও হতে পারে অ্যালার্জি

নিম্নমানের প্যাচ বা আঠা ব্যবহারে মাথার ত্বকে অ্যালার্জি কিংবা কন্ট্যাক্ট ডার্মাটাইটিস হতে পারে। এতে চুলকানি, জ্বালাপোড়া, লালভাব এমনকি ফুসকুড়ি বা ফোসকার মতো উপসর্গও দেখা দিতে পারে।

বিশেষ করে কোন ধরনের আঠা ব্যবহার করা হচ্ছে, তা জানা গুরুত্বপূর্ণ। ত্বকের জন্য উপযোগী ও মেডিক্যাল-গ্রেড আঠা ব্যবহার না করলে ঝুঁকি বাড়তে পারে।

ঘাম জমে সংক্রমণের আশঙ্কা

দীর্ঘ সময় মাথার ত্বক ঢাকা থাকলে ঘাম ও আর্দ্রতা আটকে যেতে পারে। এর ফলে ফলিকিউলাইটিসের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। পাশাপাশি ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাকের সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।

অপরিষ্কার প্যাচ ব্যবহার করলেও একই ধরনের সমস্যা হতে পারে। বিশেষ করে পার্লার বা স্যালনে প্যাচ লাগানোর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত সরঞ্জাম ও প্যাচ যথাযথভাবে পরিষ্কার কি না, তা নিশ্চিত করা জরুরি।

খুশকিও বাড়তে পারে

দীর্ঘ সময় মাথার ত্বক ঢাকা থাকলে খুশকি বা সেবোরিক ডার্মাটাইটিসের মতো সমস্যা বাড়তে পারে। অতিরিক্ত শক্ত ক্লিপ ব্যবহারের কারণে আশপাশের স্বাভাবিক চুলও উঠে যেতে পারে।

তাই শুধু প্যাচটি দেখতে ভালো লাগছে কি না, সেটিই বিবেচনা না করে মাথার ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্যের দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন।

হেয়ার প্যাচ ব্যবহারে যে সতর্কতা জরুরি

১. আঠার মান যাচাই করুন:
মেডিক্যাল-গ্রেড ও হাইপোঅ্যালার্জেনিক আঠা ব্যবহার করা হচ্ছে কি না নিশ্চিত করুন। সংবেদনশীল ত্বক হলে প্রয়োজনে প্যাচ টেস্ট করা যেতে পারে।

২. নিয়মিত প্যাচ খুলুন:
প্রতিদিন বা নির্দিষ্ট বিরতিতে প্যাচ খুলে মাথার ত্বক পরিষ্কার করে ভালোভাবে শুকিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

৩. অতিরিক্ত শক্ত করে লাগাবেন না:
ক্লিপ বা টেপ খুব শক্ত করে লাগালে আশপাশের চুলে টান পড়তে পারে। প্যাচ খোলার সময়ও ধীরে ও সতর্কতার সঙ্গে খুলতে হবে।

৪. পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন:
প্যাচ ও মাথার ত্বক নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। অন্যের প্যাচ, তোয়ালে বা চিরুনি ব্যবহার করা উচিত নয়।

৫. অস্বাভাবিক উপসর্গ হলে প্যাচ খুলে ফেলুন:
মাথার ত্বকে লালভাব, ব্যথা, পুঁজ, অতিরিক্ত চুলকানি কিংবা দুর্গন্ধ দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ক্লিপ-অন প্যাচ কি তুলনামূলক নিরাপদ?

চিকিৎসকদের মতে, স্থায়ীভাবে আঠা দিয়ে লাগানো প্যাচের তুলনায় খুলে ফেলা যায় এমন ক্লিপ-অন প্যাচ তুলনামূলকভাবে নিরাপদ হতে পারে। এতে মাথার ত্বক নিয়মিত পরিষ্কার করার সুযোগ থাকে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্যাচ খুলে রাখা যায়।

তবে যাদের এগজিমা, সোরিয়াসিস, ফলিকিউলাইটিস বা মাথার ত্বকে কোনো ক্ষত রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে হেয়ার প্যাচ ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

অর্থাৎ, হেয়ার প্যাচ নিজে থেকেই বিপজ্জনক নয়; ঝুঁকি অনেকটাই নির্ভর করে প্যাচের মান, আঠা বা ক্লিপের ধরন, ব্যবহারের সময় এবং পরিচ্ছন্নতার ওপর। টাক ঢাকার আগে তাই চুলের সৌন্দর্যের পাশাপাশি মাথার ত্বকের স্বাস্থ্যের কথাও গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।