ঢাকা ০১:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দুই কবরের পাশে দাঁড়িয়ে কাজী আনোয়ারের প্রশ্ন—‘আমরা কোথায় যাব?’ সরকারের আশ্বাসে আন্দোলন প্রত্যাহার করল সিজেপি ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াইয়ে শিক্ষিকা ইয়াসমিন আরা, পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন চার মাসেই ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে বিএনপি সরকার পূর্বাচলে একবার ভিটেমাটি হারিয়েছিলেন, তিন দশক পর আবার উচ্ছেদের শঙ্কা ৬২১ কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন ভর্তি বন্ধের নির্দেশ ‘ককরোচ’ আন্দোলনের চাপে পদত্যাগ শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের বিউটি ও ব্রাইডাল ইন্ডাস্ট্রিকে বিশ্বমঞ্চে নিতে ঢাকায় সেলিনা মনির স্বনির্ভর, প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর সেপ্টেম্বরের সংসদ অধিবেশনেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: আইনমন্ত্রী

১৮ দিনের শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যা, মায়ের ১৩ বছর কারাদণ্ড

মোঃ মশিউর রহমান, টাঙ্গাইল
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:১৩:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬ ৬২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টাঙ্গাইলে শিশু ছেলেকে হত্যার দায়ে মাকে ১৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। টাঙ্গাইলের বিশেষ ট্রাইবুন্যাল-১ এর বিচারক মোঃ হাফিজুর রহমান সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে এই রায় দেন।

দন্ডিত ওই মায়ের নাম আয়না বেগম (২৪)। তিনি মির্জাপুর উপজেলার শিবপুর চন্দনপাড়া গ্রামের মোঃ জহিরুল ইসলামের স্ত্রী এবং দেলদুয়ার উপজেলা লাউহাটী মধ্যপাড়া গ্রামের আমিনুল ইসলামের মেয়ে।

রায়ে দণ্ডিত আয়না বেগমকে তার শিশু পুত্র হত্যার দায়ে ১০ বছর এবং মরদেহ গুম করার অভিযোগে ৩ বছরসহ ১৩ বছর কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া তাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

টাঙ্গাইলের সরকারী কৌশুলী (পিপি) শফিকুল ইসলাম ওরফে রিপন জানান, আয়না বেগম সন্তান জন্মের পর তার বাবার বাড়ি লাউহাটী মধ্যপাড়া গ্রামে অবস্থান করছিলেন। বিগত ২০২০ সালের ৩০ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে আয়না বেগমের স্বামী জহিরুল ইসলাম সংবাদ পান যে, তার ১৮ দিন বয়সের শিশু পুত্রকে পাওয়া যাচ্ছে না। এ খবর পাওয়ার পর তিনি তার শশুড় বাড়ি লাউহাটী গ্রামে যান। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে শশুর বাড়ির পাশের খালের পানিতে ছেলের মৃতদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে।

এরপর ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে জানা যায়, ১৮ দিনের শিশু রায়হানকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। পরে জহিরুল ইসলাম বাদি হয়ে তার স্ত্রী আয়না বেগমের বিরুদ্ধে দেলদুয়ার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে দেলদুয়ার থানার উপ পরিদর্শক মনোয়ার হোসেন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

২০২০ সালের ১৫ ডিসেম্বর অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এই মামলার বিচার কাজ শুরু হয়। মামলায় ৯ জনের স্বাক্ষ গ্রহণ শেষে রায় দেয়া হয়। রায় ঘোষনার পর আয়না বেগমকে কারাগারে পাঠানো হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

১৮ দিনের শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যা, মায়ের ১৩ বছর কারাদণ্ড

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:১৩:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

টাঙ্গাইলে শিশু ছেলেকে হত্যার দায়ে মাকে ১৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। টাঙ্গাইলের বিশেষ ট্রাইবুন্যাল-১ এর বিচারক মোঃ হাফিজুর রহমান সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে এই রায় দেন।

দন্ডিত ওই মায়ের নাম আয়না বেগম (২৪)। তিনি মির্জাপুর উপজেলার শিবপুর চন্দনপাড়া গ্রামের মোঃ জহিরুল ইসলামের স্ত্রী এবং দেলদুয়ার উপজেলা লাউহাটী মধ্যপাড়া গ্রামের আমিনুল ইসলামের মেয়ে।

রায়ে দণ্ডিত আয়না বেগমকে তার শিশু পুত্র হত্যার দায়ে ১০ বছর এবং মরদেহ গুম করার অভিযোগে ৩ বছরসহ ১৩ বছর কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া তাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

টাঙ্গাইলের সরকারী কৌশুলী (পিপি) শফিকুল ইসলাম ওরফে রিপন জানান, আয়না বেগম সন্তান জন্মের পর তার বাবার বাড়ি লাউহাটী মধ্যপাড়া গ্রামে অবস্থান করছিলেন। বিগত ২০২০ সালের ৩০ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে আয়না বেগমের স্বামী জহিরুল ইসলাম সংবাদ পান যে, তার ১৮ দিন বয়সের শিশু পুত্রকে পাওয়া যাচ্ছে না। এ খবর পাওয়ার পর তিনি তার শশুড় বাড়ি লাউহাটী গ্রামে যান। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে শশুর বাড়ির পাশের খালের পানিতে ছেলের মৃতদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে।

এরপর ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে জানা যায়, ১৮ দিনের শিশু রায়হানকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। পরে জহিরুল ইসলাম বাদি হয়ে তার স্ত্রী আয়না বেগমের বিরুদ্ধে দেলদুয়ার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে দেলদুয়ার থানার উপ পরিদর্শক মনোয়ার হোসেন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

২০২০ সালের ১৫ ডিসেম্বর অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এই মামলার বিচার কাজ শুরু হয়। মামলায় ৯ জনের স্বাক্ষ গ্রহণ শেষে রায় দেয়া হয়। রায় ঘোষনার পর আয়না বেগমকে কারাগারে পাঠানো হয়।