ঢাকা ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিবির নেতার মৃত্যুর প্রতিবাদে উত্তাল রাজধানী ঈদের ছুটিতে দুই বনে গাছ উধাও, কাটা হলো শত শত বৃক্ষ সিলেটে ডিসি সারওয়ারের আলোচিত অধ্যায়: ‘পাথরকাণ্ডে’ শুরু, ‘ডেগকাণ্ডে’ শেষ স্মৃতিবিজড়িত ১২০০ বছরের পুরনো ‘মেজর ওক’ গাছের মৃত্যু সৌদিকে উড়িয়ে বিশ্বকাপে স্পেনের প্রথম জয়, ঝলক দেখালেন ইয়ামাল শিল্পগোষ্ঠীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ এমপি-পুত্র খায়রুলের বিরুদ্ধে খুলনায় ১৮ দিন ধরে খাবার খাচ্ছে না খানজাহান আলীর মাজারের কুমির চাঁদাবাজি ও অনিয়মের অভিযোগ: এমপি-পুত্র সজীবকে যুবদল থেকে বহিষ্কার কোনো প্রভুত্ব নয়, সমবন্ধুত্বের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে: ভূমিমন্ত্রী মিনু সুন্দরবনে ফাঁদে আহত বাঘিনী সুস্থ, ফিরছে তার আবাসস্থলে

ডেপুটি স্পিকারের বক্তব্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পিসিসিপির স্মারকলিপি

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৩২:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের প্রতিবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) রাঙ্গামাটি জেলা শাখা।

রোববার (২১ জুন) দুপুরে সংগঠনের একটি প্রতিনিধি দল রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ স্মারকলিপি জমা দেয়। পরে এর অনুলিপি জাতীয় সংসদের স্পিকার, চিফ হুইপ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতেও পাঠানো হয়।

পিসিসিপির কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতারা স্মারকলিপি জমা দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন। এতে কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. হাবীব আজম, রাঙ্গামাটি জেলা সভাপতি তাজুল ইসলাম তাজ, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেনসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

স্মারকলিপিতে দাবি করা হয়, গত ১৪ জুন জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য আন্না মিনজ নিজেকে ‘ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী’ ও ‘সমতলের নৃ-গোষ্ঠী’ হিসেবে পরিচয় দেন। ওই অধিবেশনে সভাপতিত্বকালে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহার করেন, যা সংগঠনের মতে সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় নীতির পরিপন্থী।

সংগঠনটি দাবি করে, বাংলাদেশের সংবিধানে ‘আদিবাসী’ শব্দের উল্লেখ নেই; বরং ‘উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়’ শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। এ বিষয়ে রাষ্ট্রীয় অবস্থানও স্পষ্ট রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করে।

পিসিসিপি আরও দাবি করে, এ ধরনের বক্তব্যকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে, যা জাতীয় ঐক্য ও স্থিতিশীলতার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

স্মারকলিপিতে সংগঠনটি দুটি দাবি জানায়— সংসদের কার্যবিবরণী থেকে ডেপুটি স্পিকারের বক্তব্য প্রত্যাহার এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের শব্দ ব্যবহারের বিষয়ে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন।

সংগঠনের নেতারা দেশের সার্বভৌমত্ব, সংবিধান ও জাতীয় সংহতি রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ডেপুটি স্পিকারের বক্তব্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পিসিসিপির স্মারকলিপি

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৩২:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের প্রতিবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) রাঙ্গামাটি জেলা শাখা।

রোববার (২১ জুন) দুপুরে সংগঠনের একটি প্রতিনিধি দল রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ স্মারকলিপি জমা দেয়। পরে এর অনুলিপি জাতীয় সংসদের স্পিকার, চিফ হুইপ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতেও পাঠানো হয়।

পিসিসিপির কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতারা স্মারকলিপি জমা দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন। এতে কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. হাবীব আজম, রাঙ্গামাটি জেলা সভাপতি তাজুল ইসলাম তাজ, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেনসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

স্মারকলিপিতে দাবি করা হয়, গত ১৪ জুন জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য আন্না মিনজ নিজেকে ‘ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী’ ও ‘সমতলের নৃ-গোষ্ঠী’ হিসেবে পরিচয় দেন। ওই অধিবেশনে সভাপতিত্বকালে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহার করেন, যা সংগঠনের মতে সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় নীতির পরিপন্থী।

সংগঠনটি দাবি করে, বাংলাদেশের সংবিধানে ‘আদিবাসী’ শব্দের উল্লেখ নেই; বরং ‘উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়’ শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। এ বিষয়ে রাষ্ট্রীয় অবস্থানও স্পষ্ট রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করে।

পিসিসিপি আরও দাবি করে, এ ধরনের বক্তব্যকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে, যা জাতীয় ঐক্য ও স্থিতিশীলতার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

স্মারকলিপিতে সংগঠনটি দুটি দাবি জানায়— সংসদের কার্যবিবরণী থেকে ডেপুটি স্পিকারের বক্তব্য প্রত্যাহার এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের শব্দ ব্যবহারের বিষয়ে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন।

সংগঠনের নেতারা দেশের সার্বভৌমত্ব, সংবিধান ও জাতীয় সংহতি রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।