ঢাকা ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিবির নেতার মৃত্যুর প্রতিবাদে উত্তাল রাজধানী ঈদের ছুটিতে দুই বনে গাছ উধাও, কাটা হলো শত শত বৃক্ষ সিলেটে ডিসি সারওয়ারের আলোচিত অধ্যায়: ‘পাথরকাণ্ডে’ শুরু, ‘ডেগকাণ্ডে’ শেষ স্মৃতিবিজড়িত ১২০০ বছরের পুরনো ‘মেজর ওক’ গাছের মৃত্যু সৌদিকে উড়িয়ে বিশ্বকাপে স্পেনের প্রথম জয়, ঝলক দেখালেন ইয়ামাল শিল্পগোষ্ঠীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ এমপি-পুত্র খায়রুলের বিরুদ্ধে খুলনায় ১৮ দিন ধরে খাবার খাচ্ছে না খানজাহান আলীর মাজারের কুমির চাঁদাবাজি ও অনিয়মের অভিযোগ: এমপি-পুত্র সজীবকে যুবদল থেকে বহিষ্কার কোনো প্রভুত্ব নয়, সমবন্ধুত্বের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে: ভূমিমন্ত্রী মিনু সুন্দরবনে ফাঁদে আহত বাঘিনী সুস্থ, ফিরছে তার আবাসস্থলে

বেফাঁস বক্তব্যের জেরে খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:২৩:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ ৩০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাকে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার বুঝিয়ে দিয়ে আগামী ২১ জুনের মধ্যে পুলিশ সদর দপ্তরে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি (সংস্থাপন) রায়হান উদ্দিন খানের সই করা এক চিঠিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দায়িত্ব পালনকালে দেওয়া একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই তাকে কেএমপি থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খানকে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার যথাযথভাবে হস্তান্তর করে ২১ জুন পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে রিপোর্ট করতে হবে।

মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা। তিনি কেএমপিতে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

এর আগে গত মঙ্গলবার নগরীর লবণচরা থানার মহিরবাড়ি খালপাড় এলাকায় স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তাঁর দেওয়া একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই বক্তব্যে তিনি অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে গোপনীয়তা রক্ষার কথা বলতে গিয়ে একপর্যায়ে ইন্সপেক্টরের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিমূলক মন্তব্য করেন।

তার ওই বক্তব্য নিয়ে পুলিশ বাহিনীর মধ্যেও প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। পরে বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনও এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং অভিযোগ বা অনিয়মের ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বেফাঁস বক্তব্যের জেরে খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার প্রত্যাহার

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:২৩:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাকে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার বুঝিয়ে দিয়ে আগামী ২১ জুনের মধ্যে পুলিশ সদর দপ্তরে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি (সংস্থাপন) রায়হান উদ্দিন খানের সই করা এক চিঠিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দায়িত্ব পালনকালে দেওয়া একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই তাকে কেএমপি থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খানকে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার যথাযথভাবে হস্তান্তর করে ২১ জুন পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে রিপোর্ট করতে হবে।

মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা। তিনি কেএমপিতে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

এর আগে গত মঙ্গলবার নগরীর লবণচরা থানার মহিরবাড়ি খালপাড় এলাকায় স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তাঁর দেওয়া একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই বক্তব্যে তিনি অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে গোপনীয়তা রক্ষার কথা বলতে গিয়ে একপর্যায়ে ইন্সপেক্টরের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিমূলক মন্তব্য করেন।

তার ওই বক্তব্য নিয়ে পুলিশ বাহিনীর মধ্যেও প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। পরে বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনও এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং অভিযোগ বা অনিয়মের ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানায়।