ঢাকা ০৭:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাঁশের সাঁকোই ভরসা, নেই স্থায়ী সেতু

মোঃ মশিউর রহমান, টাঙ্গাইল
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:১০:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ৩৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টাঙ্গাইলের সখীপুর ও বাসাইল উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বংশাই নদে সেতু না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নদটির দুই পাড়ে বসবাসকারী হাজারো মানুষ প্রতিদিন শিক্ষা, চিকিৎসা, বাজারসহ নানা প্রয়োজনে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো ও নৌকায় পারাপার হচ্ছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে সুন্যা বাজারসংলগ্ন এলাকায় একটি স্থায়ী সেতুর দাবি জানানো হলেও এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে নড়বড়ে বাঁশের সাঁকোই তাদের একমাত্র ভরসা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুন্যা বাজার এলাকায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আলিম মাদ্রাসা ও একাধিক কিন্ডারগার্টেন রয়েছে। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ আশপাশের অন্তত অর্ধশত গ্রামের মানুষ প্রতিদিন এই সাঁকো ব্যবহার করেন।

সুন্যা আব্বাসিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মুনতাহা বলেন, ভাঙা বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন স্কুলে যেতে হয়। বর্ষাকালে ভয় লাগে, অনেক সময় যাওয়া সম্ভব হয় না।

সুন্যা সম্মিলিত আলিম মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বলেন, মোটরসাইকেল রেখে হেঁটে নদ পার হতে হয়। এই ভোগান্তির কোনো শেষ নেই।

স্থানীয় বাসিন্দা বাবু জানান, বর্ষায় সাঁকো ডুবে গেলে একমাত্র ভরসা থাকে নৌকা। তখন কৃষিপণ্য আনা-নেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে।

স্থানীয়রা বলছেন, একটি স্থায়ী সেতু নির্মিত হলে সখীপুর ও বাসাইল উপজেলার অন্তত অর্ধশত গ্রামের মানুষের জীবনযাত্রা সহজ হবে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে।

এ বিষয়ে বাসাইল উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী কাজী ফাত্তাউর রহমান বলেন, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের নজরে রয়েছে। নতুন উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে সেতুটি অন্তর্ভুক্ত করে দ্রুত কার্যক্রম শুরুর চেষ্টা চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাঁশের সাঁকোই ভরসা, নেই স্থায়ী সেতু

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:১০:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

টাঙ্গাইলের সখীপুর ও বাসাইল উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বংশাই নদে সেতু না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নদটির দুই পাড়ে বসবাসকারী হাজারো মানুষ প্রতিদিন শিক্ষা, চিকিৎসা, বাজারসহ নানা প্রয়োজনে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো ও নৌকায় পারাপার হচ্ছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে সুন্যা বাজারসংলগ্ন এলাকায় একটি স্থায়ী সেতুর দাবি জানানো হলেও এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে নড়বড়ে বাঁশের সাঁকোই তাদের একমাত্র ভরসা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুন্যা বাজার এলাকায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আলিম মাদ্রাসা ও একাধিক কিন্ডারগার্টেন রয়েছে। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ আশপাশের অন্তত অর্ধশত গ্রামের মানুষ প্রতিদিন এই সাঁকো ব্যবহার করেন।

সুন্যা আব্বাসিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মুনতাহা বলেন, ভাঙা বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন স্কুলে যেতে হয়। বর্ষাকালে ভয় লাগে, অনেক সময় যাওয়া সম্ভব হয় না।

সুন্যা সম্মিলিত আলিম মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বলেন, মোটরসাইকেল রেখে হেঁটে নদ পার হতে হয়। এই ভোগান্তির কোনো শেষ নেই।

স্থানীয় বাসিন্দা বাবু জানান, বর্ষায় সাঁকো ডুবে গেলে একমাত্র ভরসা থাকে নৌকা। তখন কৃষিপণ্য আনা-নেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে।

স্থানীয়রা বলছেন, একটি স্থায়ী সেতু নির্মিত হলে সখীপুর ও বাসাইল উপজেলার অন্তত অর্ধশত গ্রামের মানুষের জীবনযাত্রা সহজ হবে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে।

এ বিষয়ে বাসাইল উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী কাজী ফাত্তাউর রহমান বলেন, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের নজরে রয়েছে। নতুন উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে সেতুটি অন্তর্ভুক্ত করে দ্রুত কার্যক্রম শুরুর চেষ্টা চলছে।