ঢাকা ১১:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আদানির একটি ইউনিট বন্ধ, বাড়তে পারে লোডশেডিং

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:১১:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশে চলমান বিদ্যুৎ সংকটের মধ্যে নতুন করে দুঃসংবাদ দিয়েছে Adani Group। গ্রুপটির বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় লোডশেডিং আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায়, যা মাত্র ১১ দিন আগে চালু হয়েছিল। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি)–এর তথ্য অনুযায়ী, এদিন দুই ইউনিট থেকে সর্বোচ্চ প্রায় ১৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছিল। তবে দুপুর ২টার দিকে তা কমে প্রায় ৭৫০ মেগাওয়াটে নেমে আসে।

এদিকে তীব্র গরমে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে সাড়ে ১৬ হাজার মেগাওয়াট ছাড়ালেও উৎপাদন সেই হারে বাড়ানো যাচ্ছে না। ফলে ঘণ্টায় ২০০০ থেকে ২৫০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)–এর সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম জানান, সংশ্লিষ্ট ইউনিটের বিয়ারিংয়ে ত্রুটির সংকেত পাওয়ায় বড় দুর্ঘটনা এড়াতে তাৎক্ষণিকভাবে উৎপাদন বন্ধ করা হয়েছে। মেরামতে ৩ থেকে ৪ দিন সময় লাগতে পারে।

ভারতের ঝাড়খণ্ড–এ অবস্থিত এই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশ প্রায় ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করে, যা রহনপুর হয়ে দেশে আসে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে Adani Power Limited–এর সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ২৫ বছর মেয়াদে বিদ্যুৎ কিনছে বাংলাদেশ। বর্তমান পরিস্থিতিতে ওই সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় চাপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আদানির একটি ইউনিট বন্ধ, বাড়তে পারে লোডশেডিং

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:১১:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

দেশে চলমান বিদ্যুৎ সংকটের মধ্যে নতুন করে দুঃসংবাদ দিয়েছে Adani Group। গ্রুপটির বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় লোডশেডিং আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায়, যা মাত্র ১১ দিন আগে চালু হয়েছিল। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি)–এর তথ্য অনুযায়ী, এদিন দুই ইউনিট থেকে সর্বোচ্চ প্রায় ১৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছিল। তবে দুপুর ২টার দিকে তা কমে প্রায় ৭৫০ মেগাওয়াটে নেমে আসে।

এদিকে তীব্র গরমে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে সাড়ে ১৬ হাজার মেগাওয়াট ছাড়ালেও উৎপাদন সেই হারে বাড়ানো যাচ্ছে না। ফলে ঘণ্টায় ২০০০ থেকে ২৫০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)–এর সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম জানান, সংশ্লিষ্ট ইউনিটের বিয়ারিংয়ে ত্রুটির সংকেত পাওয়ায় বড় দুর্ঘটনা এড়াতে তাৎক্ষণিকভাবে উৎপাদন বন্ধ করা হয়েছে। মেরামতে ৩ থেকে ৪ দিন সময় লাগতে পারে।

ভারতের ঝাড়খণ্ড–এ অবস্থিত এই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশ প্রায় ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করে, যা রহনপুর হয়ে দেশে আসে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে Adani Power Limited–এর সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ২৫ বছর মেয়াদে বিদ্যুৎ কিনছে বাংলাদেশ। বর্তমান পরিস্থিতিতে ওই সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় চাপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।