ঢাকা ০৪:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীর স্লোগানকে হাদিস বলায় সমালোচনা, প্রত্যাহার সচিব শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে অর্থায়নের অভিযোগ, তালিকায় ১২ শিল্প গ্রুপ টিকা না কেনায় হামের প্রকোপ: ইউনূস সরকারের দায় নির্ধারণে তদন্ত ৮৩০ পর্যটক নিয়ে ‘এমভি বার আউলিয়া’র যাত্রা পর্যটকদের নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত কক্সবাজারের হোটেলগুলোতে? ইউপি নির্বাচন সামনে রেখে ইসির তোড়জোড় হামের টিকাকাণ্ডে অন্তর্বর্তী সরকারের দায় খুঁজতে তদন্ত কমিশন চুরির বিরোধে কৃষককে পিটিয়ে হত্যা অনুমোদনহীন প্ল্যান্টে হেভি ক্রুড আমদানির অনুমতি চায় সুপার পেট্রোকেমিক্যাল পিএসসি সংস্কারসহ ১৩ দফা দাবি শিবিরের, নিয়োগে দলীয় প্রভাব বন্ধের আহ্বান

তারেক রহমানের পোস্ট

খালেদা জিয়ার প্রতি জাতির সম্মান অভূতপূর্ব, আমরা কখনোই ভুলব না

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:১৩:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬ ১১০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সদ্য প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি জাতির সম্মান অভূতপূর্ব উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, এই ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা তারা কখনোই ভুলবেন না।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) নিজের ফেসবুক পোস্টে তারেক রহমান বলেন, খালেদা জিয়ার জন্য ঘোষিত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক শেষে দেশ-বিদেশ থেকে পাওয়া মানুষের ভালোবাসা, সমবেদনা ও দোয়া তাঁদের পরিবারকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে।

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘এই তিন দিনে আমরা আরও উপলব্ধি করেছি—আমার মা ভিন্ন-ভিন্ন মানুষের কাছে ভিন্ন-ভিন্ন তাৎপর্য বহন করতেন। অনেক ক্ষেত্রেই তা ছিল এতটাই গভীর, যা হয়তো আমরা নিজেরাও পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারিনি।’

তারেক রহমান বলেন, অনেকের কাছে খালেদা জিয়া ছিলেন আপোষহীনতার প্রতীক এবং নিজের বিশ্বাসের পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা। এই প্রেরণা রাজনীতির গণ্ডি ছাড়িয়ে পরিচয় ও মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে অসংখ্য মানুষকে স্পর্শ করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

খালেদা জিয়ার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ও রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রসঙ্গে তারেক রহমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও তাঁর উপদেষ্টা পরিষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, তাঁদের নেতৃত্ব ও দ্রুত সমন্বয়ের কারণেই স্বল্প সময়ে এই বিরল ও সম্মানজনক অন্তিম আয়োজন সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।

খালেদা জিয়ার শেষযাত্রায় আন্তর্জাতিক মহলের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, কূটনীতিক, বিদেশি প্রতিনিধি ও শুভানুধ্যায়ীদের উপস্থিতি ও সহমর্মিতা ছিল অভূতপূর্ব। জানাজায় বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের অংশগ্রহণ, শোকবার্তা, সামাজিক মাধ্যমে সহমর্মিতা এবং বিভিন্ন মিশনের বিবৃতি গভীরভাবে তাঁদের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে।

তিনি সশস্ত্র বাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সদস্যদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিশেষভাবে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের সম্মানসূচক গার্ড অব অনার ও শেষ সালামকে খালেদা জিয়ার জীবন ও অবদানের প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা হিসেবে উল্লেখ করেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘পর্দার আড়ালে থেকে যারা নীরবে ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন, তাদের প্রতিও আমাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আপনাদের প্রচেষ্টাতেই মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে মায়ের অন্তিম যাত্রা সম্পন্ন হয়েছে।’

সবশেষে বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর অভিবাদন জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি প্রান্ত থেকে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ তাঁদের পরিবার কখনোই ভুলবে না। বিএনপি ও জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে শোক ও স্মরণের এই সময়ে পাশে থাকার জন্য সবাইকে আবারও আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তারেক রহমানের পোস্ট

খালেদা জিয়ার প্রতি জাতির সম্মান অভূতপূর্ব, আমরা কখনোই ভুলব না

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:১৩:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

সদ্য প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি জাতির সম্মান অভূতপূর্ব উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, এই ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা তারা কখনোই ভুলবেন না।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) নিজের ফেসবুক পোস্টে তারেক রহমান বলেন, খালেদা জিয়ার জন্য ঘোষিত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক শেষে দেশ-বিদেশ থেকে পাওয়া মানুষের ভালোবাসা, সমবেদনা ও দোয়া তাঁদের পরিবারকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে।

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘এই তিন দিনে আমরা আরও উপলব্ধি করেছি—আমার মা ভিন্ন-ভিন্ন মানুষের কাছে ভিন্ন-ভিন্ন তাৎপর্য বহন করতেন। অনেক ক্ষেত্রেই তা ছিল এতটাই গভীর, যা হয়তো আমরা নিজেরাও পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারিনি।’

তারেক রহমান বলেন, অনেকের কাছে খালেদা জিয়া ছিলেন আপোষহীনতার প্রতীক এবং নিজের বিশ্বাসের পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা। এই প্রেরণা রাজনীতির গণ্ডি ছাড়িয়ে পরিচয় ও মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে অসংখ্য মানুষকে স্পর্শ করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

খালেদা জিয়ার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ও রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রসঙ্গে তারেক রহমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও তাঁর উপদেষ্টা পরিষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, তাঁদের নেতৃত্ব ও দ্রুত সমন্বয়ের কারণেই স্বল্প সময়ে এই বিরল ও সম্মানজনক অন্তিম আয়োজন সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।

খালেদা জিয়ার শেষযাত্রায় আন্তর্জাতিক মহলের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, কূটনীতিক, বিদেশি প্রতিনিধি ও শুভানুধ্যায়ীদের উপস্থিতি ও সহমর্মিতা ছিল অভূতপূর্ব। জানাজায় বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের অংশগ্রহণ, শোকবার্তা, সামাজিক মাধ্যমে সহমর্মিতা এবং বিভিন্ন মিশনের বিবৃতি গভীরভাবে তাঁদের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে।

তিনি সশস্ত্র বাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সদস্যদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিশেষভাবে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের সম্মানসূচক গার্ড অব অনার ও শেষ সালামকে খালেদা জিয়ার জীবন ও অবদানের প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা হিসেবে উল্লেখ করেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘পর্দার আড়ালে থেকে যারা নীরবে ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন, তাদের প্রতিও আমাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আপনাদের প্রচেষ্টাতেই মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে মায়ের অন্তিম যাত্রা সম্পন্ন হয়েছে।’

সবশেষে বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর অভিবাদন জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি প্রান্ত থেকে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ তাঁদের পরিবার কখনোই ভুলবে না। বিএনপি ও জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে শোক ও স্মরণের এই সময়ে পাশে থাকার জন্য সবাইকে আবারও আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি।