ঢাকা ০৪:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মানবসেবায় জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ২৭ বছর ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু ১৬ নভেম্বর আগ্নেয়াস্ত্র হাতে প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের মাদকবিরোধী অভিযান, তদন্তের নির্দেশ ডিএমপির দুমকিতে জ্বালানি সংকট ও নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ে লিফলেট বিতরণ যশোর ও নড়াইলে ১২৭৮টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা: তিন স্তরের নিরাপত্তায় মাঠে এসআরবি সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষাই আগামীর বাংলাদেশের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী মুখোশ পরে দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ীকে গুলি ৮০ কিলোমিটার মেরিন ড্রাইভে শত শত হোটেল-রিসোর্ট, নেই ফায়ার স্টেশন সেনাবাহিনীর ৭ ইউনিটকে জাতীয় পতাকা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সতর্কবার্তার পরও চালু ছিল রিসোর্ট ‘টুপটুপ’, চার মাস আগেই ঝুঁকি শনাক্ত

সাংবাদিকদের বহিষ্কার দাবি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র অন্দোলনের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:৪৩:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৪ ২৩১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাষ্ট্র বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় কিছু সাংবাদিককে কর্মস্থল থেকে বহিষ্কার এবং নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র অন্দোলনকারীরা। শনিবার (১০ আগস্ট) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র অন্দোলনের সমন্বয়ক আব্দুল কাদের ও আব্দুল হান্নান মাসউদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

বিঞ্জপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রেসক্লাব একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান। এই ক্লাবই বরাবরই জাতির দুঃসময়ে এগিয়ে এসেছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে এই প্রতিষ্ঠানটি দলীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত করে ভাবমূর্তি ধ্বংস করে করেছে। শুধু তা-ই নয়, প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন , সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত প্রতিনিয়ত পুলিশ ও আওয়ামী লীগকে মদদ দিয়ে এবং টকশোতে উষ্কানিমূলক বক্তব্য দিয়ে ছাত্রদের রক্তঝরানোর মতো মানবতা বিরোধী কাজে জড়িত ছিলো।

আরও বলা হয়, ছাত্রদের রক্তঝরানোর মতো অমানবিক কাজে জড়িত ছিলো- প্রেস ক্লাবের সদস্য প্রভাষ আমিন, জায়েদুল আহসান পিন্টু,ইকবাল সোবহান চৌধুরী, মোজাম্মেল বাবু, আশীষ সৈকত, সোহেল হাসান চৌধুরী, আরিফ জেপ্তিক, অশোক চৌধুরী, শাহজান সরদার, ফারজানা রুপা, সুভাষ সিংহ রায়, আবুল খায়ের, আজমল হক হেলাল, মঞ্জুরুল ইসলাম (ডিবিসি), প্রণবসাহা (ডিবিসি), নঈম নিজাম (বাংলাদেশ প্রতিদিন), সাইফুল আলম (যুগান্তর), খায়রুল আলম (ভারতীয় গোয়ান্দা সংস্থার এজেন্ট ও ডিইউজে নেতা), আবেদ খান, সুভাষ চন্দ্র বাদল, জাফর ওয়াজেদ (পিআইবি), জ,ই মামুন, শাহনাজ সিদ্দিকী (বিএসএস), পাভেল রহমান, আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া, সাইফুল ইসলাম কল্লোল (বিএসএস), সৈয়দ বোরহান কবির, শাবান মাহমুদ।

এছাড়াও মোল্লা আমজাদ, সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, শফিকুর রহমান, আবুল কালাম আজাদ, মামুন আবদুল্লাহ (ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি), সোমা ইসলাম (চ্যানেল আই), অজয় দাশ ( সমকাল), শ্যামল সরকার (ইত্তেফাক), আলমগীর হোসেন (সমকাল), শাকিল আহমেদ (৭১ টিভি),সঞ্জয় সাহা পিয়াল (সমকাল), রামা প্রসাদ (সমকাল), ফরাজী আজমল (ইত্তেফাক), আনিসুর রহমান (বিএসএস), স্বপন বসু (বিএসএস),মিথিলা ফারজানা (৭১ টিভি), হাসান জাবেদ (এনটিভি), শবনম আজিম (৭১ টিভি) এনামুল হক চৌধুরী, নাঈমুল ইসলাম খান, দিপক কুমার আচার্য। সাংবাদিকতার আড়ালে এদের কর্মকাণ্ড ছিল জাতীয় স্বার্থ ও রাষ্ট্র বিরোধী।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এসব জাতীয় দুশমনরা সাংবাদিকতার নাম ভাঙ্গিয়ে আর যাতে জাতির ক্ষতি করতে না পারে সেজন্য তাদের বহিষ্কার ও সাংবাদিকদের অঙ্গনে নিষিদ্ধ করার নিবেদন জানাচ্ছি। এরমধ্যে আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্যও সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সাংবাদিকদের বহিষ্কার দাবি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র অন্দোলনের

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:৪৩:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৪

রাষ্ট্র বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় কিছু সাংবাদিককে কর্মস্থল থেকে বহিষ্কার এবং নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র অন্দোলনকারীরা। শনিবার (১০ আগস্ট) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র অন্দোলনের সমন্বয়ক আব্দুল কাদের ও আব্দুল হান্নান মাসউদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

বিঞ্জপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রেসক্লাব একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান। এই ক্লাবই বরাবরই জাতির দুঃসময়ে এগিয়ে এসেছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে এই প্রতিষ্ঠানটি দলীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত করে ভাবমূর্তি ধ্বংস করে করেছে। শুধু তা-ই নয়, প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন , সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত প্রতিনিয়ত পুলিশ ও আওয়ামী লীগকে মদদ দিয়ে এবং টকশোতে উষ্কানিমূলক বক্তব্য দিয়ে ছাত্রদের রক্তঝরানোর মতো মানবতা বিরোধী কাজে জড়িত ছিলো।

আরও বলা হয়, ছাত্রদের রক্তঝরানোর মতো অমানবিক কাজে জড়িত ছিলো- প্রেস ক্লাবের সদস্য প্রভাষ আমিন, জায়েদুল আহসান পিন্টু,ইকবাল সোবহান চৌধুরী, মোজাম্মেল বাবু, আশীষ সৈকত, সোহেল হাসান চৌধুরী, আরিফ জেপ্তিক, অশোক চৌধুরী, শাহজান সরদার, ফারজানা রুপা, সুভাষ সিংহ রায়, আবুল খায়ের, আজমল হক হেলাল, মঞ্জুরুল ইসলাম (ডিবিসি), প্রণবসাহা (ডিবিসি), নঈম নিজাম (বাংলাদেশ প্রতিদিন), সাইফুল আলম (যুগান্তর), খায়রুল আলম (ভারতীয় গোয়ান্দা সংস্থার এজেন্ট ও ডিইউজে নেতা), আবেদ খান, সুভাষ চন্দ্র বাদল, জাফর ওয়াজেদ (পিআইবি), জ,ই মামুন, শাহনাজ সিদ্দিকী (বিএসএস), পাভেল রহমান, আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া, সাইফুল ইসলাম কল্লোল (বিএসএস), সৈয়দ বোরহান কবির, শাবান মাহমুদ।

এছাড়াও মোল্লা আমজাদ, সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, শফিকুর রহমান, আবুল কালাম আজাদ, মামুন আবদুল্লাহ (ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি), সোমা ইসলাম (চ্যানেল আই), অজয় দাশ ( সমকাল), শ্যামল সরকার (ইত্তেফাক), আলমগীর হোসেন (সমকাল), শাকিল আহমেদ (৭১ টিভি),সঞ্জয় সাহা পিয়াল (সমকাল), রামা প্রসাদ (সমকাল), ফরাজী আজমল (ইত্তেফাক), আনিসুর রহমান (বিএসএস), স্বপন বসু (বিএসএস),মিথিলা ফারজানা (৭১ টিভি), হাসান জাবেদ (এনটিভি), শবনম আজিম (৭১ টিভি) এনামুল হক চৌধুরী, নাঈমুল ইসলাম খান, দিপক কুমার আচার্য। সাংবাদিকতার আড়ালে এদের কর্মকাণ্ড ছিল জাতীয় স্বার্থ ও রাষ্ট্র বিরোধী।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এসব জাতীয় দুশমনরা সাংবাদিকতার নাম ভাঙ্গিয়ে আর যাতে জাতির ক্ষতি করতে না পারে সেজন্য তাদের বহিষ্কার ও সাংবাদিকদের অঙ্গনে নিষিদ্ধ করার নিবেদন জানাচ্ছি। এরমধ্যে আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্যও সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছি।