ঢাকা ০২:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আগ্নেয়াস্ত্র হাতে প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের মাদকবিরোধী অভিযান, তদন্তের নির্দেশ ডিএমপির দুমকিতে জ্বালানি সংকট ও নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ে লিফলেট বিতরণ যশোর ও নড়াইলে ১২৭৮টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা: তিন স্তরের নিরাপত্তায় মাঠে এসআরবি সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষাই আগামীর বাংলাদেশের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী মুখোশ পরে দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ীকে গুলি ৮০ কিলোমিটার মেরিন ড্রাইভে শত শত হোটেল-রিসোর্ট, নেই ফায়ার স্টেশন সেনাবাহিনীর ৭ ইউনিটকে জাতীয় পতাকা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সতর্কবার্তার পরও চালু ছিল রিসোর্ট ‘টুপটুপ’, চার মাস আগেই ঝুঁকি শনাক্ত দুর্গাপূজার মণ্ডপে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, ভিড়ের চাপে গেট ভেঙে নিহত ১৭ ‘পেনশন নিয়ে বাড়ি ফেরা হবে না’, ছাত্রলীগ নেতার স্ট্যাটাস ঘিরে তোলপাড়

যশোর ও নড়াইলে ১২৭৮টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা: তিন স্তরের নিরাপত্তায় মাঠে এসআরবি

শহিদুল ইসলাম দইচ, যশোর
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০২:১৮:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা সার্বজনীন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্নের লক্ষ্যে যশোর ও নড়াইলে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মোতায়েন করা হয়েছে তিন স্তরের বিশেষ নিরাপত্তা বলয়।

​১৮ অক্টোবর (রোববার) দুপুর ১২টায় যশোর শহরের বেজপাড়া আশ্রম রোডস্থ রামকৃষ্ণ আশ্রম পূজা মণ্ডপে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান এসআরবি কোম্পানি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাঈম উল হক।

​প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, এ বছর যশোর ও নড়াইল জেলা মিলে সর্বমোট ১,২৭৮টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে যশোর জেলায় ৭৪৬টি এবং নড়াইল জেলায় ৫৩২টি মণ্ডপে পূজা উদযাপন করা হচ্ছে।

fgh

পূজায় ভক্ত ও দর্শনার্থীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসআরবি সদর দপ্তরের নির্দেশনায় বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। এসআরবি’র গৃহীত উল্লেখযোগ্য নিরাপত্তা পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে-​তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয়: পুরো এলাকায় তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে।

​চেকপোস্ট ও গোয়েন্দা নজরদারি-গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে মোড়ে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। পাশাপাশি পূজা মণ্ডপগুলোর আশপাশে গোয়েন্দা নজরদারি ও সাদা পোশাকে ছায়া টিমের উপস্থিতি জোরদার করা হয়েছে।

​২৪ ঘণ্টার একটানা টহল- এসআরবি টহল দল সকাল থেকে শুরু করে পরদিন সকাল পর্যন্ত একটানা ২৪ ঘণ্টা মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছে।

​মনিটরিং সেল গঠন: সার্বিক পরিস্থিতি তদারকির জন্য একটি আলাদা মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে।

​অধিনায়ক জানান, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে যাতে নিরাপত্তার কোনো ঘাটতি না থাকে এবং সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে উৎসব উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মাসিক কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন এবং আনসার-ভিডিপিসহ সকল বাহিনী একযোগে ও পৃথকভাবে নজরদারি জোরদার করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

যশোর ও নড়াইলে ১২৭৮টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা: তিন স্তরের নিরাপত্তায় মাঠে এসআরবি

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০২:১৮:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা সার্বজনীন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্নের লক্ষ্যে যশোর ও নড়াইলে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মোতায়েন করা হয়েছে তিন স্তরের বিশেষ নিরাপত্তা বলয়।

​১৮ অক্টোবর (রোববার) দুপুর ১২টায় যশোর শহরের বেজপাড়া আশ্রম রোডস্থ রামকৃষ্ণ আশ্রম পূজা মণ্ডপে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান এসআরবি কোম্পানি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাঈম উল হক।

​প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, এ বছর যশোর ও নড়াইল জেলা মিলে সর্বমোট ১,২৭৮টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে যশোর জেলায় ৭৪৬টি এবং নড়াইল জেলায় ৫৩২টি মণ্ডপে পূজা উদযাপন করা হচ্ছে।

fgh

পূজায় ভক্ত ও দর্শনার্থীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসআরবি সদর দপ্তরের নির্দেশনায় বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। এসআরবি’র গৃহীত উল্লেখযোগ্য নিরাপত্তা পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে-​তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয়: পুরো এলাকায় তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে।

​চেকপোস্ট ও গোয়েন্দা নজরদারি-গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে মোড়ে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। পাশাপাশি পূজা মণ্ডপগুলোর আশপাশে গোয়েন্দা নজরদারি ও সাদা পোশাকে ছায়া টিমের উপস্থিতি জোরদার করা হয়েছে।

​২৪ ঘণ্টার একটানা টহল- এসআরবি টহল দল সকাল থেকে শুরু করে পরদিন সকাল পর্যন্ত একটানা ২৪ ঘণ্টা মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছে।

​মনিটরিং সেল গঠন: সার্বিক পরিস্থিতি তদারকির জন্য একটি আলাদা মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে।

​অধিনায়ক জানান, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে যাতে নিরাপত্তার কোনো ঘাটতি না থাকে এবং সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে উৎসব উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মাসিক কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন এবং আনসার-ভিডিপিসহ সকল বাহিনী একযোগে ও পৃথকভাবে নজরদারি জোরদার করেছে।