ঢাকা ০৩:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত

শহিদুল ইসলাম দইচ, যশোর
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:১১:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Oplus_131072

বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাঅষ্টমীতে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে যশোর রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ৯টায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় কুমারী পূজা। এ বছর কুমারী হিসেবে যশোর শহরে বেজপাড়ার বাসিন্দা সোহাস পাঠক ও মল্লিকা পাঠকের কন্যা সোহানী পাঠক (৫) মাতৃজ্ঞানে পূজা করেন ভক্তরা।

আয়োজকরা জানান, ‘প্রতিবারের মত এবারও আমরা কুমারী পূজার আয়োজন করেছি। হিন্দু ধর্মীয় মতে, বয়স ভেদে কুমারীর নাম ভিন্ন হয়। এবার ৫ বছর বয়সী সোহানী পাঠক পুজিত হন। ‘

শাস্ত্রমতে এই বয়সে কুমারী পূজিতা হলে শুভশক্তির বিকাশ ও অশুভ শক্তির বিন্যাস ঘটে। এতে সমাজে অশান্তি দূর হয়ে শান্তিপূর্ণ অবস্থা বজায় থাকে।

পূজা করতে আসা ভক্তরা জানান, কুমারীর মধ্যে দেবী দুর্গার স্বরূপ রয়েছে। যে কারণে তাকে দেবী জ্ঞানে পূজা করা হয়েছে। এ পূজা করতে একটি বছর তারা অধির আগ্রহে থাকেন। তাই পূজা করতে পেরে আনন্দিত। পূজা শেষে ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করেন মন্দিরের পুরোহিত।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:১১:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাঅষ্টমীতে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে যশোর রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ৯টায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় কুমারী পূজা। এ বছর কুমারী হিসেবে যশোর শহরে বেজপাড়ার বাসিন্দা সোহাস পাঠক ও মল্লিকা পাঠকের কন্যা সোহানী পাঠক (৫) মাতৃজ্ঞানে পূজা করেন ভক্তরা।

আয়োজকরা জানান, ‘প্রতিবারের মত এবারও আমরা কুমারী পূজার আয়োজন করেছি। হিন্দু ধর্মীয় মতে, বয়স ভেদে কুমারীর নাম ভিন্ন হয়। এবার ৫ বছর বয়সী সোহানী পাঠক পুজিত হন। ‘

শাস্ত্রমতে এই বয়সে কুমারী পূজিতা হলে শুভশক্তির বিকাশ ও অশুভ শক্তির বিন্যাস ঘটে। এতে সমাজে অশান্তি দূর হয়ে শান্তিপূর্ণ অবস্থা বজায় থাকে।

পূজা করতে আসা ভক্তরা জানান, কুমারীর মধ্যে দেবী দুর্গার স্বরূপ রয়েছে। যে কারণে তাকে দেবী জ্ঞানে পূজা করা হয়েছে। এ পূজা করতে একটি বছর তারা অধির আগ্রহে থাকেন। তাই পূজা করতে পেরে আনন্দিত। পূজা শেষে ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করেন মন্দিরের পুরোহিত।