ঢাকা ০৯:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আসামি ছাড়াতে ৩০ লাখ টাকা ঘুষ দাবি, পুলিশের বক্তব্য ভিন্ন প্রতিবন্ধী ভাতা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে দর্শকের মৃত্যু ৫০ হাজার টাকার বন্ডে জামিন, শান্তিভঙ্গ না করার মুচলেকায় মুক্ত ককরোচ-প্রধান সংবিধান সংস্কারে নতুন পরিষদের দাবি এনসিপির, সংশোধন কমিটিতে ‘না’ সৌদি আরবে হামলার জের: রিয়াদে বিমানের সব ফ্লাইট অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ডেঙ্গুর মৃত্যু বাড়ছেই, অক্টোবরে ১৬ দিনে প্রাণ গেল ১০৪ জনের ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন করা যাবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত পাঁচ বছর পর মাঠে গড়াল টাঙ্গাইল প্রথম বিভাগ ফুটবল লীগ পাবনা থেকে নিখোঁজ স্কুলছাত্রী নরসিংদী থেকে উদ্ধার

প্রতিবন্ধী ভাতা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:১৫:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ভাতা বাড়ানোসহ কর্মসংস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা ও যাতায়াতে সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যতে প্রতিবন্ধী ভাতা বাড়ানো হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতির প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরাও সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাদের অধিকার, মর্যাদা ও প্রয়োজন যথাযথভাবে বিবেচনা করা সরকার ও সমাজের দায়িত্ব। অতীতে এ ক্ষেত্রে যেসব ঘাটতি ছিল, তা পূরণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করতে চায়।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে তারা আরও স্বাচ্ছন্দ্যে জীবনযাপন করতে পারেন।

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে যোগাযোগের প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও আদালতে সাংকেতিক ভাষা ব্যবহারের সুযোগ তৈরির বিষয়টি সরকার বিবেচনা করবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হবে।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের যেন যোগাযোগজনিত সমস্যায় পড়তে না হয়, সে জন্য সাংকেতিক ভাষা জানা ব্যক্তিদের ব্যবস্থা করার বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলেও জানান তিনি।

প্রতিবন্ধী নারীদের আইনি সহায়তা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আইনি সহায়তা দিতে সমাজকল্যাণ, আইন এবং নারী ও শিশুবিষয়ক সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, তাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তি খাতেও প্রশিক্ষণের সুযোগ সম্প্রসারণের বিষয়টি সরকার বিবেচনা করবে।

এ বিষয়ে সমাজকল্যাণমন্ত্রীকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনা দেন তিনি। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির প্রস্তাবকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান।

প্রতিবন্ধী কৃষকদের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা এবং সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়টিও সরকার বিবেচনা করবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করতে গণপরিবহন ব্যবস্থাকে আরও উপযোগী করার ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন নারীদের জন্য পিংক বাসসেবা আরও কার্যকর করার পাশাপাশি ঢাকা ও অন্যান্য বড় শহরে প্রতিবন্ধীবান্ধব বাস চালুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান তিনি।

নতুন ভবনের নকশা অনুমোদনের ক্ষেত্রেও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রবেশ ও চলাচলের উপযোগী ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশনার কথা তুলে ধরেন তারেক রহমান। এসব সুবিধা না থাকলে সংশ্লিষ্ট ভবনের নকশা অনুমোদন না দেওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

দেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারণে নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। এ জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে সঠিক পরিসংখ্যান সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

জাতীয় সংসদে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার প্রস্তাবের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, এটি সাংবিধানিক বিবেচনার সঙ্গে সম্পর্কিত। এ বিষয়ে দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

তিনি বলেন, প্রত্যেক মানুষের সম্মান ও মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরাও যেন প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা পেয়ে স্বাবলম্বী ও স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবনযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই সরকার কাজ করবে।

বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতির (বিপিকেএস) প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক আব্দুস সাত্তার দুলালের সঞ্চালনায় সভায় ৩০ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও সংগঠনের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন। তারা নিজেদের সমস্যা ও বিভিন্ন দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে মো. মহসিন নামের এক প্রতিবন্ধী ক্রীড়াবিদ প্রধানমন্ত্রীর জন্য ক্যাপ উপহার এনেছেন জানানো হলে মঞ্চ থেকে নেমে এসে তা গ্রহণ করেন তারেক রহমান। এ সময় বিদেশে খেলাধুলায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে মহসিনের দলকে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

প্রতিবন্ধী ভাতা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:১৫:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ভাতা বাড়ানোসহ কর্মসংস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা ও যাতায়াতে সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যতে প্রতিবন্ধী ভাতা বাড়ানো হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতির প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরাও সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাদের অধিকার, মর্যাদা ও প্রয়োজন যথাযথভাবে বিবেচনা করা সরকার ও সমাজের দায়িত্ব। অতীতে এ ক্ষেত্রে যেসব ঘাটতি ছিল, তা পূরণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করতে চায়।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে তারা আরও স্বাচ্ছন্দ্যে জীবনযাপন করতে পারেন।

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে যোগাযোগের প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও আদালতে সাংকেতিক ভাষা ব্যবহারের সুযোগ তৈরির বিষয়টি সরকার বিবেচনা করবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হবে।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের যেন যোগাযোগজনিত সমস্যায় পড়তে না হয়, সে জন্য সাংকেতিক ভাষা জানা ব্যক্তিদের ব্যবস্থা করার বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলেও জানান তিনি।

প্রতিবন্ধী নারীদের আইনি সহায়তা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আইনি সহায়তা দিতে সমাজকল্যাণ, আইন এবং নারী ও শিশুবিষয়ক সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, তাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তি খাতেও প্রশিক্ষণের সুযোগ সম্প্রসারণের বিষয়টি সরকার বিবেচনা করবে।

এ বিষয়ে সমাজকল্যাণমন্ত্রীকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনা দেন তিনি। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির প্রস্তাবকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান।

প্রতিবন্ধী কৃষকদের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা এবং সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়টিও সরকার বিবেচনা করবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করতে গণপরিবহন ব্যবস্থাকে আরও উপযোগী করার ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন নারীদের জন্য পিংক বাসসেবা আরও কার্যকর করার পাশাপাশি ঢাকা ও অন্যান্য বড় শহরে প্রতিবন্ধীবান্ধব বাস চালুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান তিনি।

নতুন ভবনের নকশা অনুমোদনের ক্ষেত্রেও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রবেশ ও চলাচলের উপযোগী ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশনার কথা তুলে ধরেন তারেক রহমান। এসব সুবিধা না থাকলে সংশ্লিষ্ট ভবনের নকশা অনুমোদন না দেওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

দেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারণে নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। এ জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে সঠিক পরিসংখ্যান সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

জাতীয় সংসদে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার প্রস্তাবের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, এটি সাংবিধানিক বিবেচনার সঙ্গে সম্পর্কিত। এ বিষয়ে দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

তিনি বলেন, প্রত্যেক মানুষের সম্মান ও মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরাও যেন প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা পেয়ে স্বাবলম্বী ও স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবনযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই সরকার কাজ করবে।

বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতির (বিপিকেএস) প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক আব্দুস সাত্তার দুলালের সঞ্চালনায় সভায় ৩০ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও সংগঠনের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন। তারা নিজেদের সমস্যা ও বিভিন্ন দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে মো. মহসিন নামের এক প্রতিবন্ধী ক্রীড়াবিদ প্রধানমন্ত্রীর জন্য ক্যাপ উপহার এনেছেন জানানো হলে মঞ্চ থেকে নেমে এসে তা গ্রহণ করেন তারেক রহমান। এ সময় বিদেশে খেলাধুলায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে মহসিনের দলকে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।