সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার সব ধর্মের মূল শিক্ষা: প্রধানমন্ত্রী

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:৪৩:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার সব ধর্মের মূল উপজীব্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, মানবতার কল্যাণ সব ধর্মের অন্যতম প্রধান শিক্ষা। তাই নিজ নিজ ধর্মীয় বিধান ও সংস্কৃতি চর্চার পাশাপাশি মানুষের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহমর্মিতা বজায় রেখে সমাজে শান্তির পরিবেশ নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ উপলক্ষে তিনি বাংলাদেশসহ বিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে শুভেচ্ছা জানান।
বাণীতে তারেক রহমান বলেন, হিন্দুধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যলোকে আসেন। তিনি ভক্তদের কল্যাণ সাধন করেন, অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটান এবং সৃষ্টিকে লালন করেন। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের তাৎপর্যকে অনন্য মাত্রা দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও সংস্কৃতি ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে পালন করে আসছেন। এটি দেশের আবহমান ধর্মীয়, সামাজিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির সৌন্দর্য। ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন ধর্ম, গোত্র ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় হয়।
তিনি বলেন, হাজারো প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিস্টের বিতাড়নের পর বাংলাদেশ আবারও গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। একই সঙ্গে শুরু হয়েছে দেশ পুনর্গঠনের বিশাল কর্মযজ্ঞ। দল, মত, ধর্ম ও বর্ণনির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য একটি কল্যাণমূলক, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা তাঁদের অঙ্গীকার।
তারেক রহমান বলেন, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তায় সমৃদ্ধ হয়ে উঠুক দেশের বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনবোধ।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “ধর্ম যার যার—রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার—নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার।”
হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই-বোনদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাঁরা যেন সারা দেশে উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে, নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে দুর্গাপূজার আনন্দ উদ্যাপন করেন। এ সময় তিনি তাঁদের আবারও শুভেচ্ছা জানান।






















