পঞ্চগড়ে ৩৩ যুবককে কারিগরি প্রশিক্ষণ ও সনদ দিল ১৮ বিজিবি

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:৫১:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে
পঞ্চগড়ের সীমান্তবর্তী এলাকার বেকার যুবকদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ৩৩ জন যুবককে ‘বেসিক ইলেকট্রিক্যাল হাউজ ওয়্যারিং’ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। প্রশিক্ষণ শেষে উত্তীর্ণদের হাতে সনদপত্র ও মেধা পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব সনদ ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পঞ্চগড় ব্যাটালিয়ন (১৮ বিজিবি)-এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় গত ২৩ আগস্ট থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি পরিচালিত হয়।
সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি জনকল্যাণে বিজিবি
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঠাকুরগাঁও সেক্টর সদর দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত সেক্টর কমান্ডার ও নীলফামারী ব্যাটালিয়ন (৫৬ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কায়সুর হাসান মাহমুদ।
বক্তব্যে তিনি বলেন, বিজিবি মহাপরিচালকের ঘোষণা অনুযায়ী বিজিবি সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক হিসেবে কাজ করবে। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি চোরাচালান, মাদক ও মানবপাচার প্রতিরোধে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সীমান্তবর্তী মানুষের জীবনমান উন্নয়নেও বিজিবি কাজ করছে। অসহায় ও দুস্থদের ত্রাণ সহায়তা, চিকিৎসাসেবা এবং শিক্ষা উপকরণ বিতরণের পাশাপাশি যুবসমাজকে দক্ষ করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রধান অতিথি বলেন, প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে যুবকরা নিজেদের স্বাবলম্বী করতে পারবেন। এ ধরনের কার্যক্রম বিজিবি ও সীমান্তবর্তী জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সৌহার্দ্য আরও দৃঢ় করবে।
স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন প্রশিক্ষণার্থীদের
অনুষ্ঠানে পঞ্চগড় ব্যাটালিয়ন (১৮ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ কায়েস, বিজিবির সহকারী পরিচালক মো. জিয়াউর রহমান, জেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, পঞ্চগড় টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারের (টিটিসি) প্রশিক্ষক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রশিক্ষণ শেষে সনদ পাওয়া যুবকরা সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, প্রত্যন্ত এলাকায় এ ধরনের কারিগরি প্রশিক্ষণ তাঁদের নতুন করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখাচ্ছে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে তাঁরা নিজ নিজ এলাকায় কাজ করে অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছল হওয়ার সুযোগ পাবেন।


























