ঢাকা ০৯:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্যাংক খাতের ঝুঁকি মোকাবিলায় ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন’ অনুমোদন দেশে প্রথমবার নৌযান শুমারি, ২০ আগস্ট থেকে ১০ দিন চলবে কার্যক্রম প্রথমবার নৌযান শুমারি, তালিকায় ২ লাখ ৪৪ হাজার ৮০৮ নৌযান Allegations of Widespread Irregularities and Corruption Against Transrail Lighting in Rooppur Power Transmission Project ট্রান্সরেইল লাইটিং ও অমৃক সিংয়ের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, দুদকে নালিশ একাদশ শ্রেণিতে আসন খালি থাকবে সাড়ে ১৩ লাখের বেশি আপা যে পথে হেঁটেছেন, আপনারাও সেই পথে হাঁটছেন: জামায়াত আমির ফ্যাসিবাদী শাসনে ভঙ্গুর বাংলাদেশ পুনর্গঠনের সময় এসেছে: প্রধানমন্ত্রী তিক্ততার দেয়াল ভেঙে সংলাপের পথে ঢাকা-দিল্লি যশোর বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১৪৭৮ জন

দেশে প্রথমবার নৌযান শুমারি, ২০ আগস্ট থেকে ১০ দিন চলবে কার্যক্রম

মোঃ মশিউর রহমান, টাঙ্গাইল
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৪০:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের সমুদ্রগামী, উপকূলীয় ও অভ্যন্তরীণ জলসীমায় চলাচলকারী ইঞ্জিনচালিত নৌযানের সঠিক তথ্য সংগ্রহ এবং একটি সমন্বিত ও নির্ভরযোগ্য ডাটাবেইজ তৈরির লক্ষ্যে দেশে প্রথমবারের মতো নৌযান শুমারি শুরু হচ্ছে। আগামী ২০ থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশে একযোগে এ শুমারি পরিচালনা করা হবে।

আরও পড়ুন : ট্রান্সরেইল লাইটিং ও অমৃক সিংয়ের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, দুদকে নালিশ

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সহযোগিতায় নৌপরিবহন অধিদপ্তর এ শুমারি বাস্তবায়ন করছে। সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘নৌযান শুমারি ২০২৬’-এর অবহিতকরণ সভায় এ তথ্য জানানো হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. সেলিম মিয়া। পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে শুমারির সার্বিক বিষয় তুলে ধরেন জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের উপপরিচালক সাঈদ আহমেদ।

আরও পড়ুন : Allegations of Widespread Irregularities and Corruption Against Transrail Lighting in Rooppur Power Transmission Project

সভায় জানানো হয়, দেশের সমুদ্রগামী, উপকূলীয় ও অভ্যন্তরীণ জলসীমায় চলাচলকারী সব ধরনের ইঞ্জিনচালিত নৌযান এ শুমারির আওতায় আসবে। ডাম্ব বার্জসহ নিজস্ব ইঞ্জিন না থাকলেও অন্য যন্ত্রচালিত নৌযানের মাধ্যমে টেনে বা ধাক্কা দিয়ে পরিচালিত নৌযানও এর অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

এ ছাড়া বিভিন্ন থিম পার্ক, ওয়াটার পার্ক ও রিসোর্টের কৃত্রিম লেক বা জলাশয়ে বিনোদনের কাজে ব্যবহৃত ছোট-বড় ইঞ্জিনচালিত নৌযান ও স্পিডবোটও শুমারির আওতায় আনা হবে।

তবে সামরিক বাহিনীর নিজস্ব তত্ত্বাবধানে পরিচালিত নৌযান ও জাহাজ এ কার্যক্রমের বাইরে থাকবে। একইভাবে সামরিক বাহিনীর মালিকানাধীন যেসব নৌযান বর্তমানে অন্য বাহিনী বা সংস্থার কার্যক্রমে ব্যবহৃত হচ্ছে, সেগুলোও শুমারিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে না। ইঞ্জিনবিহীন সাধারণ নৌকাও এ শুমারির আওতার বাইরে থাকবে।

কর্তৃপক্ষ জানায়, নৌযান শুমারির মাধ্যমে দেশের নৌপরিবহন খাতের একটি পূর্ণাঙ্গ ও নির্ভরযোগ্য তথ্যভাণ্ডার তৈরি করা হবে। বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে অভ্যন্তরীণ নৌযানের সঠিক পরিসংখ্যান না থাকায় পরিকল্পনা প্রণয়ন ও নীতিনির্ধারণে নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। শুমারির মাধ্যমে এ ঘাটতি অনেকটাই পূরণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রস্তুত করা ডাটাবেইজ নৌযানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, নৌদুর্ঘটনা কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং নৌযান মালিক, শ্রমিক ও নাবিকদের সঠিক তথ্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের দ্রুত শনাক্ত করে তাদের আর্থিকসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রেও এ তথ্যভাণ্ডার কাজে আসবে বলে সভায় জানানো হয়।

এ ছাড়া নাবিকদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা প্রণয়ন, নৌপরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণেও শুমারির তথ্য ব্যবহার করা হবে। তৈরি হওয়া ডাটাবেইজ বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের জন্য অফিসিয়াল তথ্যভাণ্ডার হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করবে।

সভায় মাঠপর্যায়ে শুমারি কার্যক্রম সুষ্ঠু, নির্ভুল ও নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে নৌযান মালিক, মাঝি-মাল্লা, নাবিকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুমারি কার্যক্রমে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়।

সভায় উপস্থিত সাংবাদিক তাইজুল ইসলাম টুটুল দেশের সব ইঞ্জিনচালিত নৌযান ও বোটের বাধ্যতামূলক নিবন্ধনের প্রস্তাব দেন।

তিনি বলেন, নদী, খাল-বিল ও পর্যটনকেন্দ্রে ব্যবহৃত সব ইঞ্জিনচালিত নৌযানের জন্য সরকারি অনুমোদন বা নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু করা হলে মালিকদের তথ্য সংরক্ষণ করা সহজ হবে এবং নৌযানের ডাটাবেইজ আরও সমৃদ্ধ হবে।

তিনি প্রতিবছর এসব নৌযানের ফিটনেস পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করারও প্রস্তাব দেন। তাঁর মতে, নিয়মিত ফিটনেস পরীক্ষা নৌদুর্ঘটনা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এ ছাড়া প্রতিটি নৌযানে জিপিএস ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু করে তার তথ্য কেন্দ্রীয়ভাবে সংরক্ষণের প্রস্তাবও দেন তিনি। এতে নৌপথে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং দুর্ঘটনা বা অপরাধের ঘটনায় দ্রুত নৌযান শনাক্ত করা সহজ হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর কর্মকর্তা, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), নৌপুলিশ, মৎস্য অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দেশে প্রথমবার নৌযান শুমারি, ২০ আগস্ট থেকে ১০ দিন চলবে কার্যক্রম

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৪০:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

দেশের সমুদ্রগামী, উপকূলীয় ও অভ্যন্তরীণ জলসীমায় চলাচলকারী ইঞ্জিনচালিত নৌযানের সঠিক তথ্য সংগ্রহ এবং একটি সমন্বিত ও নির্ভরযোগ্য ডাটাবেইজ তৈরির লক্ষ্যে দেশে প্রথমবারের মতো নৌযান শুমারি শুরু হচ্ছে। আগামী ২০ থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশে একযোগে এ শুমারি পরিচালনা করা হবে।

আরও পড়ুন : ট্রান্সরেইল লাইটিং ও অমৃক সিংয়ের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, দুদকে নালিশ

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সহযোগিতায় নৌপরিবহন অধিদপ্তর এ শুমারি বাস্তবায়ন করছে। সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘নৌযান শুমারি ২০২৬’-এর অবহিতকরণ সভায় এ তথ্য জানানো হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. সেলিম মিয়া। পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে শুমারির সার্বিক বিষয় তুলে ধরেন জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের উপপরিচালক সাঈদ আহমেদ।

আরও পড়ুন : Allegations of Widespread Irregularities and Corruption Against Transrail Lighting in Rooppur Power Transmission Project

সভায় জানানো হয়, দেশের সমুদ্রগামী, উপকূলীয় ও অভ্যন্তরীণ জলসীমায় চলাচলকারী সব ধরনের ইঞ্জিনচালিত নৌযান এ শুমারির আওতায় আসবে। ডাম্ব বার্জসহ নিজস্ব ইঞ্জিন না থাকলেও অন্য যন্ত্রচালিত নৌযানের মাধ্যমে টেনে বা ধাক্কা দিয়ে পরিচালিত নৌযানও এর অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

এ ছাড়া বিভিন্ন থিম পার্ক, ওয়াটার পার্ক ও রিসোর্টের কৃত্রিম লেক বা জলাশয়ে বিনোদনের কাজে ব্যবহৃত ছোট-বড় ইঞ্জিনচালিত নৌযান ও স্পিডবোটও শুমারির আওতায় আনা হবে।

তবে সামরিক বাহিনীর নিজস্ব তত্ত্বাবধানে পরিচালিত নৌযান ও জাহাজ এ কার্যক্রমের বাইরে থাকবে। একইভাবে সামরিক বাহিনীর মালিকানাধীন যেসব নৌযান বর্তমানে অন্য বাহিনী বা সংস্থার কার্যক্রমে ব্যবহৃত হচ্ছে, সেগুলোও শুমারিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে না। ইঞ্জিনবিহীন সাধারণ নৌকাও এ শুমারির আওতার বাইরে থাকবে।

কর্তৃপক্ষ জানায়, নৌযান শুমারির মাধ্যমে দেশের নৌপরিবহন খাতের একটি পূর্ণাঙ্গ ও নির্ভরযোগ্য তথ্যভাণ্ডার তৈরি করা হবে। বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে অভ্যন্তরীণ নৌযানের সঠিক পরিসংখ্যান না থাকায় পরিকল্পনা প্রণয়ন ও নীতিনির্ধারণে নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। শুমারির মাধ্যমে এ ঘাটতি অনেকটাই পূরণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রস্তুত করা ডাটাবেইজ নৌযানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, নৌদুর্ঘটনা কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং নৌযান মালিক, শ্রমিক ও নাবিকদের সঠিক তথ্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের দ্রুত শনাক্ত করে তাদের আর্থিকসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রেও এ তথ্যভাণ্ডার কাজে আসবে বলে সভায় জানানো হয়।

এ ছাড়া নাবিকদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা প্রণয়ন, নৌপরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণেও শুমারির তথ্য ব্যবহার করা হবে। তৈরি হওয়া ডাটাবেইজ বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের জন্য অফিসিয়াল তথ্যভাণ্ডার হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করবে।

সভায় মাঠপর্যায়ে শুমারি কার্যক্রম সুষ্ঠু, নির্ভুল ও নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে নৌযান মালিক, মাঝি-মাল্লা, নাবিকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুমারি কার্যক্রমে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়।

সভায় উপস্থিত সাংবাদিক তাইজুল ইসলাম টুটুল দেশের সব ইঞ্জিনচালিত নৌযান ও বোটের বাধ্যতামূলক নিবন্ধনের প্রস্তাব দেন।

তিনি বলেন, নদী, খাল-বিল ও পর্যটনকেন্দ্রে ব্যবহৃত সব ইঞ্জিনচালিত নৌযানের জন্য সরকারি অনুমোদন বা নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু করা হলে মালিকদের তথ্য সংরক্ষণ করা সহজ হবে এবং নৌযানের ডাটাবেইজ আরও সমৃদ্ধ হবে।

তিনি প্রতিবছর এসব নৌযানের ফিটনেস পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করারও প্রস্তাব দেন। তাঁর মতে, নিয়মিত ফিটনেস পরীক্ষা নৌদুর্ঘটনা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এ ছাড়া প্রতিটি নৌযানে জিপিএস ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু করে তার তথ্য কেন্দ্রীয়ভাবে সংরক্ষণের প্রস্তাবও দেন তিনি। এতে নৌপথে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং দুর্ঘটনা বা অপরাধের ঘটনায় দ্রুত নৌযান শনাক্ত করা সহজ হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর কর্মকর্তা, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), নৌপুলিশ, মৎস্য অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।