ঢাকা ০৮:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিক্ষার্থীদের নিয়ে মন্তব্যের জেরে সংসদে দুঃখ প্রকাশ শিক্ষামন্ত্রীর জানুয়ারিতে এসএসসি, জুনে এইচএসসি পরীক্ষা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে বুধবার ‘মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয়’ কর্মসূচি বিদেশি সফটওয়্যার কেনার আড়ালে অর্থ পাচারের শঙ্কা: ব্যাংক খাতে নতুন উদ্বেগ চট্টগ্রাম বোর্ড ছাড়া সারা দেশে চলবে এইচএসসি পরীক্ষা সেমি জ্বরে কাঁপছে বিশ্বকাপ, ফরাসি বধের হ্যাটট্রিকের হাতছানি স্পেনের ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে নতুন ‘অস্ত্র’ ব্যবহার করবে আর্জেন্টিনা চার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী পরিবর্তনের দাবি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণাকে স্বাগত: তথ্য উপদেষ্টা পূর্ব পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ: ইতিহাসের রক্তঝরা পথচলা

সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

জানুয়ারিতে এসএসসি, জুনে এইচএসসি পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:৪৮:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আগামী ২০২৭ সালের শিক্ষাবর্ষ থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা জানুয়ারি মাসে এবং এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা জুন মাসে আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে সরকার। শিক্ষাবর্ষকে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা এবং শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সময়ের অপচয় কমাতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২৪তম কার্যদিবসের প্রশ্নোত্তর পর্বে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমানের এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে বিকেলে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার শিক্ষাবর্ষকে সময়োপযোগী করতে পাবলিক পরীক্ষার সময়সূচি পুনর্বিন্যাসের কাজ করছে। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সাল থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা জানুয়ারিতে এবং এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা জুনে অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শিক্ষাবর্ষ ও পাবলিক পরীক্ষার সময়সূচির মধ্যে সমন্বয় ফিরবে এবং শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় সাশ্রয় হবে। ভবিষ্যতে পাবলিক পরীক্ষাগুলো আরও আগাম সম্পন্ন করার লক্ষ্যেও সরকার কাজ করছে।

এদিকে একই অধিবেশনে সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকা প্রধান শিক্ষকের পদ দ্রুত পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা হবে।

তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি-সংক্রান্ত একটি রিট মামলার নিষ্পত্তি হওয়ায় আইনি জটিলতা দূর হয়েছে। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই যোগ্য শিক্ষকদের পদোন্নতি দিয়ে শূন্য পদগুলো পূরণের কার্যক্রম শুরু হবে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, নতুন শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী এখন থেকে প্রধান শিক্ষকের ৮০ শতাংশ পদ পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা হবে। আগে এ হার ছিল ৬৫ শতাংশ। মামলার কারণে পদোন্নতি কার্যক্রম স্থগিত থাকলেও আদালতের রায়ের পর এখন নীতিমালা অনুসরণ করে স্বচ্ছতার সঙ্গে পদোন্নতি দেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

জানুয়ারিতে এসএসসি, জুনে এইচএসসি পরীক্ষা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:৪৮:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

আগামী ২০২৭ সালের শিক্ষাবর্ষ থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা জানুয়ারি মাসে এবং এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা জুন মাসে আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে সরকার। শিক্ষাবর্ষকে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা এবং শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সময়ের অপচয় কমাতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২৪তম কার্যদিবসের প্রশ্নোত্তর পর্বে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমানের এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে বিকেলে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার শিক্ষাবর্ষকে সময়োপযোগী করতে পাবলিক পরীক্ষার সময়সূচি পুনর্বিন্যাসের কাজ করছে। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সাল থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা জানুয়ারিতে এবং এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা জুনে অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শিক্ষাবর্ষ ও পাবলিক পরীক্ষার সময়সূচির মধ্যে সমন্বয় ফিরবে এবং শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় সাশ্রয় হবে। ভবিষ্যতে পাবলিক পরীক্ষাগুলো আরও আগাম সম্পন্ন করার লক্ষ্যেও সরকার কাজ করছে।

এদিকে একই অধিবেশনে সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকা প্রধান শিক্ষকের পদ দ্রুত পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা হবে।

তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি-সংক্রান্ত একটি রিট মামলার নিষ্পত্তি হওয়ায় আইনি জটিলতা দূর হয়েছে। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই যোগ্য শিক্ষকদের পদোন্নতি দিয়ে শূন্য পদগুলো পূরণের কার্যক্রম শুরু হবে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, নতুন শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী এখন থেকে প্রধান শিক্ষকের ৮০ শতাংশ পদ পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা হবে। আগে এ হার ছিল ৬৫ শতাংশ। মামলার কারণে পদোন্নতি কার্যক্রম স্থগিত থাকলেও আদালতের রায়ের পর এখন নীতিমালা অনুসরণ করে স্বচ্ছতার সঙ্গে পদোন্নতি দেওয়া হবে।