ঢাকা ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টাঙ্গাইলে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অভিযান, সাত দালালের কারাদণ্ড বন্যা মোকাবিলায় সমন্বিত পরিকল্পনা, উদ্ধারকাজে সেনাবাহিনী-বিজিবি মোতায়েন ৫ জেলার এইচএসসি পরীক্ষা ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত সীমান্তে ফের পুশইনের চেষ্টা, গ্রামবাসী-বিজিবির বাধায় শূন্যরেখায় ৩ জন মেগা প্রকল্পের ব্যয় নির্ধারণ করেন প্রকৌশলীরা, রাজনৈতিক ব্যক্তিরা নন সব বিভাগেই বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস, কোথাও হতে পারে অতিভারি বর্ষণ প্রাথমিক-মাধ্যমিকে ১৩৩ বই পরিমার্জন, যুক্ত হচ্ছে চার নতুন পাঠ্যবই রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ও রোটারি ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ, দুদকে তদন্তের আবেদন জেলা-উপজেলা হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অভিযান, সাত দালালের কারাদণ্ড

মোঃ মশিউর রহমান, টাঙ্গাইল
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:২০:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ ১৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে দালালমুক্ত করতে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দালালচক্রের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অনিয়মের অভিযোগে দুটি ওষুধ কোম্পানির দুই মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভকে পাঁচ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) হাসপাতাল চত্বরে পরিচালিত এ অভিযানে দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—বাপ্পি মিয়া ও আব্দুল বারেক (প্রত্যেকে ৬ মাস), ছনেট মিয়া, জামিল ইসলাম ও হৃদয় মিয়া (প্রত্যেকে ৩ মাস), ইসহাক মাহমুদ (১ মাস) এবং জনি আহমেদ (১৫ দিন) কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি দালালচক্র রোগী ও তাদের স্বজনদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে হাসপাতাল থেকে আশপাশের বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যেত। এছাড়া ওষুধ কিনে দেওয়ার নামে অতিরিক্ত দামে ওষুধ বিক্রির অভিযোগও ছিল তাদের বিরুদ্ধে। এতে বিশেষ করে দরিদ্র ও অসচেতন রোগীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছিলেন।

অভিযানের সময় হাসপাতাল এলাকায় অনিয়মের অভিযোগে দুটি ওষুধ কোম্পানির দুই মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন।

স্থানীয়দের দাবি, হাসপাতাল এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই দালালদের দৌরাত্ম্য ছিল। সাম্প্রতিক এই অভিযানে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। তারা হাসপাতালের সেবার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত এ ধরনের অভিযান চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সেবার মান উন্নয়ন, দালালচক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধ এবং অনিয়ম প্রতিরোধে প্রশাসনের নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অভিযান, সাত দালালের কারাদণ্ড

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:২০:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে দালালমুক্ত করতে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দালালচক্রের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অনিয়মের অভিযোগে দুটি ওষুধ কোম্পানির দুই মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভকে পাঁচ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) হাসপাতাল চত্বরে পরিচালিত এ অভিযানে দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—বাপ্পি মিয়া ও আব্দুল বারেক (প্রত্যেকে ৬ মাস), ছনেট মিয়া, জামিল ইসলাম ও হৃদয় মিয়া (প্রত্যেকে ৩ মাস), ইসহাক মাহমুদ (১ মাস) এবং জনি আহমেদ (১৫ দিন) কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি দালালচক্র রোগী ও তাদের স্বজনদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে হাসপাতাল থেকে আশপাশের বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যেত। এছাড়া ওষুধ কিনে দেওয়ার নামে অতিরিক্ত দামে ওষুধ বিক্রির অভিযোগও ছিল তাদের বিরুদ্ধে। এতে বিশেষ করে দরিদ্র ও অসচেতন রোগীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছিলেন।

অভিযানের সময় হাসপাতাল এলাকায় অনিয়মের অভিযোগে দুটি ওষুধ কোম্পানির দুই মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন।

স্থানীয়দের দাবি, হাসপাতাল এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই দালালদের দৌরাত্ম্য ছিল। সাম্প্রতিক এই অভিযানে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। তারা হাসপাতালের সেবার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত এ ধরনের অভিযান চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সেবার মান উন্নয়ন, দালালচক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধ এবং অনিয়ম প্রতিরোধে প্রশাসনের নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।