ঢাকা ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিবির নেতার মৃত্যুর প্রতিবাদে উত্তাল রাজধানী ঈদের ছুটিতে দুই বনে গাছ উধাও, কাটা হলো শত শত বৃক্ষ সিলেটে ডিসি সারওয়ারের আলোচিত অধ্যায়: ‘পাথরকাণ্ডে’ শুরু, ‘ডেগকাণ্ডে’ শেষ স্মৃতিবিজড়িত ১২০০ বছরের পুরনো ‘মেজর ওক’ গাছের মৃত্যু সৌদিকে উড়িয়ে বিশ্বকাপে স্পেনের প্রথম জয়, ঝলক দেখালেন ইয়ামাল শিল্পগোষ্ঠীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ এমপি-পুত্র খায়রুলের বিরুদ্ধে খুলনায় ১৮ দিন ধরে খাবার খাচ্ছে না খানজাহান আলীর মাজারের কুমির চাঁদাবাজি ও অনিয়মের অভিযোগ: এমপি-পুত্র সজীবকে যুবদল থেকে বহিষ্কার কোনো প্রভুত্ব নয়, সমবন্ধুত্বের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে: ভূমিমন্ত্রী মিনু সুন্দরবনে ফাঁদে আহত বাঘিনী সুস্থ, ফিরছে তার আবাসস্থলে

দাবি চিফ প্রসিকিউটরের

ইলিয়াস আলী গুম: জিয়াউল আহসানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিলেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:০৪:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস আলী গুমের ঘটনায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

রোববার (২১ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, তদন্ত ও সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ইলিয়াস আলীর অপহরণের ঘটনায় জিয়াউল আহসানের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে উঠে এসেছে বলেও জানান তিনি।

এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত গুম-খুনের ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেন তার সাবেক এক কর্মকর্তা। সাক্ষ্যে তিনি ইলিয়াস আলী গুমের ঘটনার বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন।

সাক্ষ্য অনুযায়ী, ২০১২ সালের ১৩ এপ্রিল র‌্যাব সদর দপ্তর থেকে জিয়াউল আহসানসহ কয়েকজন কর্মকর্তা মহাখালী ফ্লাইওভার এলাকায় যান। সেখানে জিয়াউল আহসান বিভিন্ন স্থানে ফোন করে ‘টার্গেট’ আসার বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছিলেন বলে সাক্ষ্যে উল্লেখ করা হয়।

সাক্ষী জানান, ওই সময় টার্গেট না আসায় তারা সেখান থেকে চলে যান। পরদিন গণমাধ্যমে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী নিখোঁজ হওয়ার খবর জানতে পারেন তিনি।

সাক্ষ্যে আরও বলা হয়, পরবর্তীতে র‌্যাব সদর দপ্তরে যোগ দেওয়ার পর পরিবেশে অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করেন তিনি। এক পর্যায়ে জিয়াউল আহসানের একটি ফোনালাপের বিষয়েও তিনি তথ্য দেন।

সাক্ষীর দাবি, ওই ফোনালাপে জিয়াউল আহসান ইলিয়াস আলীকে ‘গুম’ করার বিষয়ে কথা বলেন এবং পরে র‌্যাব সদর দপ্তরের কিছু সিসিটিভি ফুটেজ নষ্ট করার অভিযোগও উঠে আসে।

এদিকে, এ মামলায় একমাত্র আসামি হিসেবে মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানকে রোববার সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তার উপস্থিতিতেই সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দাবি চিফ প্রসিকিউটরের

ইলিয়াস আলী গুম: জিয়াউল আহসানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিলেছে

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:০৪:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস আলী গুমের ঘটনায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

রোববার (২১ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, তদন্ত ও সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ইলিয়াস আলীর অপহরণের ঘটনায় জিয়াউল আহসানের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে উঠে এসেছে বলেও জানান তিনি।

এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত গুম-খুনের ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেন তার সাবেক এক কর্মকর্তা। সাক্ষ্যে তিনি ইলিয়াস আলী গুমের ঘটনার বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন।

সাক্ষ্য অনুযায়ী, ২০১২ সালের ১৩ এপ্রিল র‌্যাব সদর দপ্তর থেকে জিয়াউল আহসানসহ কয়েকজন কর্মকর্তা মহাখালী ফ্লাইওভার এলাকায় যান। সেখানে জিয়াউল আহসান বিভিন্ন স্থানে ফোন করে ‘টার্গেট’ আসার বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছিলেন বলে সাক্ষ্যে উল্লেখ করা হয়।

সাক্ষী জানান, ওই সময় টার্গেট না আসায় তারা সেখান থেকে চলে যান। পরদিন গণমাধ্যমে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী নিখোঁজ হওয়ার খবর জানতে পারেন তিনি।

সাক্ষ্যে আরও বলা হয়, পরবর্তীতে র‌্যাব সদর দপ্তরে যোগ দেওয়ার পর পরিবেশে অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করেন তিনি। এক পর্যায়ে জিয়াউল আহসানের একটি ফোনালাপের বিষয়েও তিনি তথ্য দেন।

সাক্ষীর দাবি, ওই ফোনালাপে জিয়াউল আহসান ইলিয়াস আলীকে ‘গুম’ করার বিষয়ে কথা বলেন এবং পরে র‌্যাব সদর দপ্তরের কিছু সিসিটিভি ফুটেজ নষ্ট করার অভিযোগও উঠে আসে।

এদিকে, এ মামলায় একমাত্র আসামি হিসেবে মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানকে রোববার সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তার উপস্থিতিতেই সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।