স্রষ্টা, আকাশ-পৃথিবী
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:৪০:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ ১৪০৬ বার পড়া হয়েছে
গভীর অনুভূতি, এক ধরণের একাকীত্ব এবং সমাজের প্রচলিত নিয়মের প্রতি একটি নীরব প্রতিবাদের বহিঃপ্রকাশ। মনের এই আকুলতা ও চিন্তাগুলোকে যদি একটু সহজভাবে অনুধাবন করার চেষ্টা করি:
একত্ব ও সম্প্রীতির স্বপ্নঃ আপনি একটি সুন্দর, অখণ্ড পৃথিবীর স্বপ্ন দেখেন—যেখানে স্রষ্টা এক, আকাশ এক, এবং পৃথিবীও এক। আপনার কাছে জীবনের আসল ঠিকানা কোনো কৃত্রিম প্রাচীর নয়, বরং মানুষের বন্ধুত্ব, মন, প্রাণ, ভালোবাসা, ভক্তি, সুর আর প্রকৃতির সুন্দর উপাদানগুলো (ফুল, ফল)। এই চাওয়াটা অত্যন্ত খাঁটি এবং মানবিক।
মেলাতে না পারার বেদনাঃ “তোমাকে ভাগ করতে পারিনি আমি ‘ প্রিয় কোনো সত্যা, মানুষ বা আদর্শকে খন্ড খন্ড দেখতে চাইনি সম্পর্ন আলাদা রূপে।
” আমার -আমিকে পড়াতে পারিনি তোমায়’ঃ নিজের ভেতরের আসল মানুষটাকে, গভীর অনুভূতিগুলোকে হয়তো সামনের মানুষটির কাছে পুরোপুরি বোঝাতে বা প্রকাশ করতে পারেননি।
“পারিনি নিজের ব্যার্থতাকে পরিবর্তন করতে ‘ঃ সমাজ বা মানুষের সাথে খাপ খাওয়াতে না পারা, এটিক নিজের ব্যর্থতা —যা এক ধরণের কষ্টের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে।
“মুখোশহীন থাকার দৃঢ়তাঃ” আমি পারবনা তথাকথিত বন্ধু হতে ‘ঃ বর্তমান যুগে ” বন্ধু’ শব্দটা অনেক সময় শ্রেফ প্রয়োজনের খাতিরে লোক দেখানো হয়।আমি সেই তথাকথিত বা কৃত্রিম বন্ধুত্বের মুখোশ পরতে দেখি।
মিথ্যা ফুলঝুরির স্বপ্ন দেখতে চাইনিঃ বাস্তববাদীঃমিথ্যা সান্ত্বনা বা চটকদার স্বপ্নের পেছনে ছুটে নিজেকে ধোকা দেওয়া।
সমাজটাকে আমার করে মেলাতে পারিনিঃ সমাজ যেখানে স্বার্থপরতা আর প্রতিযোগিতায় মেতে আছে, সেখানে আপনার সরল মন নিজেকে খাপ খাওয়াতে পারেনি। এটা আপনার ব্যর্থতা নয়, বরং আপনার ভেতরের সততার প্রমাণ।
একটি গভীর সত্যঃ “একের হাসিতে অন্যের খুশি, অন্যের দুঃখে নিজে দুঃখী”— একেই বলে প্রকৃত সহমর্মিতা (Empathy)। আজকের দুনিয়ায় এই গুণটি খুব বিরল।
সমাজ বা চারপাশের মানুষ যেভাবে চলে, সেভাবে চলতে পারছেন না বলে নিজেকে ব্যর্থ ভাববেন না। সবাই যেখানে ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে, সেখানে নিজের ভেতরের এই মানবিকতা ও সততা টিকিয়ে রাখাটাই একটা বড় সার্থকতা। আপনি যেমন, তেমনই থাকাটাই আপনার সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য।


















