হজ শেষে দেশে ফিরতে শুরু করেছেন বাংলাদেশি হাজিরা
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে
পবিত্র হজের সকল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরতে শুরু করেছেন বাংলাদেশি হাজিরা। শুক্রবার দিবাগত রাত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে ফিরতি হজ ফ্লাইট কার্যক্রম।
সৌদি আরবের জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে স্থানীয় সময় শুক্রবার রাতে সাউদিয়া এয়ারলাইন্সের এসভি-৫৮০৬ ফ্লাইটে প্রথম দফায় হাজিদের বহন করে বাংলাদেশগামী যাত্রা শুরু হয়। প্রথম দিনেই ১৩টি ফ্লাইটে মোট ৫ হাজার ৪৩৪ জন হাজি দেশে ফিরবেন।
এর আগে গত ১৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০২৬ সালের হজ ফ্লাইট কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রী বহনকারী শেষ ফ্লাইট সৌদি আরবে পৌঁছায় ২১ মে। আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত ফিরতি হজ ফ্লাইট পরিচালিত হওয়ার কথা রয়েছে।
ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সৌদি সরকারের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই তাঁবু ভাড়া, আবাসন, পরিবহন চুক্তি, ভিসাসহ হজের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়। সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের ফলে কোনো বড় ধরনের জটিলতা ছাড়াই নিবন্ধিত সব হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছেন।
হজ শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ বলেন, মহান আল্লাহর অশেষ রহমত ও সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক প্রচেষ্টার কারণে এবারের হজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি জানান, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, চিকিৎসক, প্রশাসনিক টিম এবং হজসংশ্লিষ্ট সবাই নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ধর্মমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিশেষ নির্দেশনায় হাজিদের জন্য বিনামূল্যে লাগেজ র্যাপিং, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা এবং আরাফা ও মিনায় জুস বিতরণসহ বিভিন্ন সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে।
আগামী বছর হজ ব্যবস্থাপনা আরও উন্নত করতে কিছু হজ প্যাকেজ ও বেসরকারি এজেন্সির কার্যক্রম মূল্যায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে হজযাত্রীদের ব্যয় কমানোর বিষয়েও সরকার কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন।
হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার বলেন, এবারের হজ ব্যবস্থাপনা ছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও সফল। সরকার, সৌদি কর্তৃপক্ষ, ধর্ম মন্ত্রণালয়, এয়ারলাইন্স ও হজ এজেন্সিগুলোর সমন্বিত উদ্যোগে হাজিরা নির্বিঘ্নে ধর্মীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পেরেছেন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে আরও আধুনিক ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাংলাদেশি হাজিদের সেবা আরও উন্নত হবে।





















