ঢাকা ০৭:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঋণখেলাপিদের তথ্য চেয়ে ইসির চিঠি এসএসসিতে দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের ১৫ দিনের মধ্যে পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী ঝালকাঠিতে ১৬০ মণ্ডপে দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি, নিরাপত্তায় সিসিটিভি শেষ তুলির আঁচড়ে দুর্গাপ্রতিমায় প্রাণ, উৎসবের অপেক্ষায় ইসলামপুর নোয়াখালীতে হাসপাতালের জানালার গ্রিল কেটে ৯ লাখ টাকা চুরি চাহিদা মিটিয়ে ডিম রপ্তানির সক্ষমতা অর্জন করতে হবে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বিশ্বব্যাংক থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার ঋণ চায় বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী প্রবাসীদের হয়রানি নিরসনে বিশেষ আদালত গঠনের পরিকল্পনা, শিগগিরই চালু যুবদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি-দখলের অভিযোগ, বিচার দাবিতে মানববন্ধন সিলেটে হামের চাপ, শয্যা সংকটে এক বিছানায় একাধিক শিশু

হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতেই হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:০৪:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ৩৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা আয়কর আদায়ের পথ খুলেছে। এ বিষয়ে হাইকোর্টের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়েছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের বিচারপতিদের স্বাক্ষরের পর ১৫ ও ৩২ পৃষ্ঠার পৃথক দুটি রায় প্রকাশ করা হয়।

এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর গ্রামীণ কল্যাণের দায়ের করা রিট খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। ফলে এনবিআরের দাবি করা ওই কর আদায়ে আইনগত বাধা থাকছে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।

আদালতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন ও ব্যারিস্টার ফিদা এম কামাল।

যেভাবে গড়ায় মামলা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ৪ অক্টোবর গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে ৬৬৬ কোটি টাকা আয়কর আদায়ের বিষয়ে আগের একটি রায় স্বতঃপ্রণোদিতভাবে প্রত্যাহার করে নেন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের বেঞ্চ ওই সিদ্ধান্ত নেন। একই সঙ্গে মামলার নথি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়।

পরে মামলাটি শুনানির জন্য নতুন বেঞ্চে পাঠানো হয়। পুনর্মূল্যায়নের পর গ্রামীণ কল্যাণের কাছে আয়কর দাবি নিয়ে করা পৃথক দুটি রিটের শুনানি হয়।

পাঁচ করবর্ষের কর নিয়ে বিরোধ

মামলাটি ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭—এই পাঁচ করবর্ষের আয়কর দাবি ঘিরে। এসব করবর্ষের কর নির্ধারণ ও আদায় নিয়ে ২০১৭ সালে গ্রামীণ কল্যাণ পৃথক দুটি রিট দায়ের করে।

প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেছিলেন। পরে সেই রুল খারিজ করে হাইকোর্ট রায় দেন। এর ফলে এনবিআরের দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে আদায়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতেই হবে

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:০৪:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা আয়কর আদায়ের পথ খুলেছে। এ বিষয়ে হাইকোর্টের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়েছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের বিচারপতিদের স্বাক্ষরের পর ১৫ ও ৩২ পৃষ্ঠার পৃথক দুটি রায় প্রকাশ করা হয়।

এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর গ্রামীণ কল্যাণের দায়ের করা রিট খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। ফলে এনবিআরের দাবি করা ওই কর আদায়ে আইনগত বাধা থাকছে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।

আদালতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন ও ব্যারিস্টার ফিদা এম কামাল।

যেভাবে গড়ায় মামলা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ৪ অক্টোবর গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে ৬৬৬ কোটি টাকা আয়কর আদায়ের বিষয়ে আগের একটি রায় স্বতঃপ্রণোদিতভাবে প্রত্যাহার করে নেন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের বেঞ্চ ওই সিদ্ধান্ত নেন। একই সঙ্গে মামলার নথি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়।

পরে মামলাটি শুনানির জন্য নতুন বেঞ্চে পাঠানো হয়। পুনর্মূল্যায়নের পর গ্রামীণ কল্যাণের কাছে আয়কর দাবি নিয়ে করা পৃথক দুটি রিটের শুনানি হয়।

পাঁচ করবর্ষের কর নিয়ে বিরোধ

মামলাটি ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭—এই পাঁচ করবর্ষের আয়কর দাবি ঘিরে। এসব করবর্ষের কর নির্ধারণ ও আদায় নিয়ে ২০১৭ সালে গ্রামীণ কল্যাণ পৃথক দুটি রিট দায়ের করে।

প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেছিলেন। পরে সেই রুল খারিজ করে হাইকোর্ট রায় দেন। এর ফলে এনবিআরের দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে আদায়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।