ঢাকা ০১:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিয়ম ভেঙে ৫ বোনাস, ১১৬ কোটি টাকা ফেরতের নির্দেশেও নীরবতা ২০২৭ সালের পাঠ্যবইয়ে জিয়াউর রহমানের ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ ব্রিকস সম্মেলনে না যাওয়ায় আদানি বিদ্যুৎ বন্ধ করে দিয়েছিল: রিজভী মাদক কারবারে নেতাদের সম্পৃক্ততা থাকলেও হাত কাঁপানো যাবে না: আইনমন্ত্রী জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ, আপত্তি জানানোর শেষ সময় ২২ সেপ্টেম্বর অবসরের এক মাস পরই কামব্যাক! ফের আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসি, কবে-কোথায়? সর্বজনীন পেনশনে বড় পরিবর্তনের পরিকল্পনা, স্বামী-স্ত্রী পাবেন আজীবন সুবিধা বংশালের মেসে জবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ, মিলেছে চিরকুট এশিয়ান গেমসে যোগ দিতে জাপান গেলেন সেনাপ্রধান নিখোঁজের সাত দিন পর ডোবা থেকে বস্তাবন্দি শিশুর মরদেহ উদ্ধার

২০২৭ সালের পাঠ্যবইয়ে জিয়াউর রহমানের ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৫০:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নবম-দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্য পাঠ্যবইয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ নিবন্ধ অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে নিবন্ধটির সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধকালীন তাঁর একটি ডায়েরির ছবিও যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

এনসিটিবি জানিয়েছে, মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা হিসেবে আলোচিত নিবন্ধটি নতুন অধ্যায় হিসেবে পাঠ্যবইয়ে যুক্ত করার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি (এনসিসিসি)।

এনসিটিবির চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা বলেন, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে নবম-দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্য বইয়ে নিবন্ধটি অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে এনসিসিসি চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। যার যতটুকু অবদান, তা নিরপেক্ষ ও নির্মোহভাবে পাঠ্যবইয়ে তুলে ধরতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা কোনো একক ব্যক্তি বা দলের কৃতিত্ব নয়’

এনসিটিবির কারিকুলাম সংশ্লিষ্টরা জানান, নবম-দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্য বইয়ের ২২ নম্বর গদ্যে জিয়াউর রহমানের পরিচয়ে তাঁকে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, সাবেক রাষ্ট্রপতি, সেনাপ্রধান, জেড ফোর্সের অধিনায়ক, ১ নম্বর সেক্টর কমান্ডার ও ‘বীর উত্তম’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিবন্ধটি শুরুর আগে দেওয়া ব্যাখ্যায় ১৯৭২ সালে দৈনিক বাংলায় প্রকাশিত ‘একটি জাতির জন্ম’ এবং ১৯৮০ সালে অধুনালুপ্ত দৈনিক দেশ-এ প্রকাশিত ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’কে মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সেখানে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা কোনো একক ব্যক্তি বা দলের কৃতিত্ব নয়। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, মওলানা ভাসানী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জিয়াউর রহমান ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদকে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম থেকে সশস্ত্র প্রতিরোধের বর্ণনা

নিবন্ধে ১৯৭১ সালের মার্চে চট্টগ্রাম থেকে সশস্ত্র বিদ্রোহের মাধ্যমে স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা এবং সম্মুখসমরের নানা ঘটনার বর্ণনা রয়েছে।

চট্টগ্রামে পাকিস্তানি বাহিনীর গতিবিধি সম্পর্কে জিয়াউর রহমান লিখেছেন, মার্চের শুরু থেকেই ২০তম বেলুচ রেজিমেন্টের ‘রহস্যজনক গতিবিধি’ দেখে পরিস্থিতি আঁচ করা যাচ্ছিল। এরপর পাকিস্তানি জেনারেলদের চট্টগ্রামে আসা এবং সামরিক প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

২৫ মার্চ রাতে চট্টগ্রামে পাকিস্তানি বাহিনীর অভিযান শুরুর খবর পাওয়ার পর তাঁর নেতৃত্বে প্রতিরোধ গড়ে তোলার বর্ণনাও রয়েছে নিবন্ধটিতে। সেখানে ‘উই রিভোল্ট’ বলার পর পাকিস্তানি অফিসারদের আটক এবং ব্যাটালিয়নকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

কালুরঘাটের ঘোষণার স্মৃতিচারণ

নিবন্ধের একটি বড় অংশজুড়ে রয়েছে কালুরঘাট স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের স্মৃতি। ২৭ মার্চ সন্ধ্যায় রেডিও স্টেশনে গিয়ে একটি এক্সারসাইজ খাতার পাতায় স্বাধীনতার ঘোষণার কথা লেখার বর্ণনা দিয়েছেন জিয়াউর রহমান।

তাঁর লেখায় রয়েছে, বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে ওই ঘোষণা বিশ্বের বিভিন্ন রেডিওতে প্রচারিত হয় এবং বিশ্ববাসী বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সম্পর্কে জানতে পারে।

এ ছাড়া পটিয়ার পাহাড়ে মুক্তাঞ্চল গঠন, ইপিআরের সদস্যদের সঙ্গে যুক্ত হওয়া এবং পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম দিকের সম্মুখসমরের বর্ণনাও নিবন্ধটিতে রয়েছে।

শিক্ষাবিদদের প্রতিক্রিয়া

বরেণ্য শিক্ষাবিদ ও জাতীয় অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, জিয়াউর রহমানের লেখা নিবন্ধটির ঐতিহাসিক মূল্য রয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা স্বাধীনতার সংগ্রাম সম্পর্কে জানতে পারবে এবং পাঠ্যবইয়ে এটি অন্তর্ভুক্ত করা যৌক্তিক।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক শাহ শামীম আহমেদ বলেন, নিবন্ধটি অন্তর্ভুক্ত হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন ঘটনার বিষয়ে জানার সুযোগ পাবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক জানান, এনসিসিসির সভায় নিবন্ধটি সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ আগস্ট মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এনসিসিসির সভায় নিবন্ধটি পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

২০২৭ সালের পাঠ্যবইয়ে জিয়াউর রহমানের ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৫০:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নবম-দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্য পাঠ্যবইয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ নিবন্ধ অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে নিবন্ধটির সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধকালীন তাঁর একটি ডায়েরির ছবিও যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

এনসিটিবি জানিয়েছে, মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা হিসেবে আলোচিত নিবন্ধটি নতুন অধ্যায় হিসেবে পাঠ্যবইয়ে যুক্ত করার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি (এনসিসিসি)।

এনসিটিবির চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা বলেন, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে নবম-দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্য বইয়ে নিবন্ধটি অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে এনসিসিসি চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। যার যতটুকু অবদান, তা নিরপেক্ষ ও নির্মোহভাবে পাঠ্যবইয়ে তুলে ধরতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা কোনো একক ব্যক্তি বা দলের কৃতিত্ব নয়’

এনসিটিবির কারিকুলাম সংশ্লিষ্টরা জানান, নবম-দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্য বইয়ের ২২ নম্বর গদ্যে জিয়াউর রহমানের পরিচয়ে তাঁকে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, সাবেক রাষ্ট্রপতি, সেনাপ্রধান, জেড ফোর্সের অধিনায়ক, ১ নম্বর সেক্টর কমান্ডার ও ‘বীর উত্তম’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিবন্ধটি শুরুর আগে দেওয়া ব্যাখ্যায় ১৯৭২ সালে দৈনিক বাংলায় প্রকাশিত ‘একটি জাতির জন্ম’ এবং ১৯৮০ সালে অধুনালুপ্ত দৈনিক দেশ-এ প্রকাশিত ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’কে মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সেখানে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা কোনো একক ব্যক্তি বা দলের কৃতিত্ব নয়। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, মওলানা ভাসানী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জিয়াউর রহমান ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদকে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম থেকে সশস্ত্র প্রতিরোধের বর্ণনা

নিবন্ধে ১৯৭১ সালের মার্চে চট্টগ্রাম থেকে সশস্ত্র বিদ্রোহের মাধ্যমে স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা এবং সম্মুখসমরের নানা ঘটনার বর্ণনা রয়েছে।

চট্টগ্রামে পাকিস্তানি বাহিনীর গতিবিধি সম্পর্কে জিয়াউর রহমান লিখেছেন, মার্চের শুরু থেকেই ২০তম বেলুচ রেজিমেন্টের ‘রহস্যজনক গতিবিধি’ দেখে পরিস্থিতি আঁচ করা যাচ্ছিল। এরপর পাকিস্তানি জেনারেলদের চট্টগ্রামে আসা এবং সামরিক প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

২৫ মার্চ রাতে চট্টগ্রামে পাকিস্তানি বাহিনীর অভিযান শুরুর খবর পাওয়ার পর তাঁর নেতৃত্বে প্রতিরোধ গড়ে তোলার বর্ণনাও রয়েছে নিবন্ধটিতে। সেখানে ‘উই রিভোল্ট’ বলার পর পাকিস্তানি অফিসারদের আটক এবং ব্যাটালিয়নকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

কালুরঘাটের ঘোষণার স্মৃতিচারণ

নিবন্ধের একটি বড় অংশজুড়ে রয়েছে কালুরঘাট স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের স্মৃতি। ২৭ মার্চ সন্ধ্যায় রেডিও স্টেশনে গিয়ে একটি এক্সারসাইজ খাতার পাতায় স্বাধীনতার ঘোষণার কথা লেখার বর্ণনা দিয়েছেন জিয়াউর রহমান।

তাঁর লেখায় রয়েছে, বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে ওই ঘোষণা বিশ্বের বিভিন্ন রেডিওতে প্রচারিত হয় এবং বিশ্ববাসী বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সম্পর্কে জানতে পারে।

এ ছাড়া পটিয়ার পাহাড়ে মুক্তাঞ্চল গঠন, ইপিআরের সদস্যদের সঙ্গে যুক্ত হওয়া এবং পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম দিকের সম্মুখসমরের বর্ণনাও নিবন্ধটিতে রয়েছে।

শিক্ষাবিদদের প্রতিক্রিয়া

বরেণ্য শিক্ষাবিদ ও জাতীয় অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, জিয়াউর রহমানের লেখা নিবন্ধটির ঐতিহাসিক মূল্য রয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা স্বাধীনতার সংগ্রাম সম্পর্কে জানতে পারবে এবং পাঠ্যবইয়ে এটি অন্তর্ভুক্ত করা যৌক্তিক।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক শাহ শামীম আহমেদ বলেন, নিবন্ধটি অন্তর্ভুক্ত হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন ঘটনার বিষয়ে জানার সুযোগ পাবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক জানান, এনসিসিসির সভায় নিবন্ধটি সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ আগস্ট মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এনসিসিসির সভায় নিবন্ধটি পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।