আলিমে ভর্তি শুরু ২ সেপ্টেম্বর, আবেদন চলবে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৫৬:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে আলিম (একাদশ) শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালা ও বিস্তারিত নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বোর্ডের রেজিস্ট্রার প্রফেসর এস.এম. তৌহিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক স্মারকপত্রে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে বলা হয়েছে, আলিমে ভর্তির ক্ষেত্রে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের জারি করা ‘একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা-২০২৬’ অনুসরণ করতে হবে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইনে আলিমে ভর্তির আবেদন শুরু হবে। আবেদন করা যাবে ১০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত। ভর্তি-সংক্রান্ত সব কার্যক্রম নির্ধারিত ওয়েবসাইট xiclassadmission.gov.bd-এর মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে।
পরীক্ষা নয়, ফলের ভিত্তিতে ভর্তি
আলিমে ভর্তির জন্য কোনো লিখিত বা মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে না। শিক্ষার্থীদের এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার জিপিএ ও মোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধা তালিকা তৈরি করে ভর্তি করা হবে।
গুরুত্বপূর্ণ সময়সূচি
- অনলাইন আবেদন: ২–১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৮টা পর্যন্ত
- পুনঃনিরীক্ষণে ফল পরিবর্তনকারীদের আবেদন: ১২–১৩ সেপ্টেম্বর, রাত ৮টা পর্যন্ত
- পছন্দক্রম পরিবর্তন: ১২–১৩ সেপ্টেম্বর, রাত ৮টা পর্যন্ত
- প্রথম ফল প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর, রাত ৮টা
- প্রাথমিক সিলেকশন নিশ্চয়ন: ১৭–১৯ সেপ্টেম্বর, রাত ৮টা পর্যন্ত
- মাদ্রাসায় চূড়ান্ত ভর্তি: ২০–২২ সেপ্টেম্বর
- ক্লাস শুরু: ২৩ সেপ্টেম্বর
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রাথমিক সিলেকশন নিশ্চয়ন না করলে শিক্ষার্থীর মনোনয়ন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।
৯৩ শতাংশ মেধা, ৭ শতাংশ কোটা
যেকোনো শিক্ষাবর্ষে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আলিমে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
মোট আসনের ৯৩ শতাংশ সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। বাকি ৭ শতাংশ কোটা হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে। এর মধ্যে ৫ শতাংশ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান ও নাতি-নাতনিদের এবং ২ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধীনস্থ দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য রাখা হয়েছে।
আবেদন ও নিশ্চয়ন ফি
অনলাইনে আবেদনের জন্য ২২০ টাকা ফি দিতে হবে। প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হওয়ার পর মনোনয়ন নিশ্চিত করতে দিতে হবে ৩৪০ টাকা।
সর্বোচ্চ ভর্তি ও সেশন চার্জ নির্ধারণ
এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে—
| প্রতিষ্ঠান | সর্বোচ্চ ফি |
|---|---|
| ঢাকা মেট্রোপলিটন | ৫,০০০ টাকা |
| ঢাকা ছাড়া অন্যান্য মেট্রোপলিটন | ৩,০০০ টাকা |
| জেলা পর্যায় | ২,০০০ টাকা |
| উপজেলা/মফস্বল | ১,৫০০ টাকা |
নন-এমপিও ও আংশিক এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে বাংলা ও ইংরেজি ভার্সন অনুযায়ী ফি আলাদা। ঢাকা মেট্রোপলিটনে বাংলা ভার্সনে সর্বোচ্চ ৭,৫০০ এবং ইংরেজি ভার্সনে ৮,৫০০ টাকা নেওয়া যাবে। অন্যান্য মেট্রোপলিটনে এ হার যথাক্রমে ৫,০০০ ও ৬,০০০ টাকা; জেলা পর্যায়ে ৩,০০০ ও ৪,০০০ টাকা এবং উপজেলা/মফস্বলে ২,৫০০ ও ৩,০০০ টাকা।
অতিরিক্ত ফি নিলে ব্যবস্থা
বোর্ড অনুমোদিত ভর্তি ফি ও সেশন চার্জের বাইরে কোনো প্রতিষ্ঠান অতিরিক্ত অর্থ নিতে পারবে না। মন্ত্রণালয় বা বোর্ডের অনুমতি ছাড়া অতিরিক্ত আসনে কিংবা নির্ধারিত সময়ের বাইরে শিক্ষার্থী ভর্তি করাও যাবে না।
নীতিমালা অমান্য করলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি বা স্বীকৃতি বাতিল এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






















