গাজী নজরুলের ‘শূন্য’ আসনে নির্বাচনে লড়বেন হিরো আলম!

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৫৯:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলাম পদ হারালে ওই আসনের সম্ভাব্য উপনির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম।
বিতর্ক, সমালোচনা ও নানা আলোচনার মধ্যেও দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার চেষ্টা করছেন হিরো আলম। বগুড়ার কেবল ব্যবসায়ী থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট নির্মাতা হিসেবে পরিচিতি পাওয়া এই ব্যক্তি এর আগে একাধিকবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।
হিরো আলম এর আগে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তিনি বিভিন্ন সময়ে নির্বাচনে অনিয়ম ও বাধার অভিযোগ তুলে আলোচনায় আসেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘আমজনতা’ দলের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নেননি তিনি। এ ছাড়া ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও প্রার্থী হওয়ার আগ্রহের কথা জানিয়েছিলেন।
সম্প্রতি সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে নৈতিক স্খলনের অভিযোগে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির গঠনতন্ত্রের ৬২ ধারা অনুযায়ী এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করার কথাও জানিয়েছে দলটি।
আইনগত ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শেষে যদি ওই আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়, তাহলে সেখানে উপনির্বাচনের সুযোগ তৈরি হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতেই সম্ভাব্য উপনির্বাচনে অংশ নেওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন হিরো আলম।
এক অডিওবার্তায় হিরো আলম বলেন, সংসদ সদস্য হওয়ার ইচ্ছা তার দীর্ঘদিনের। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান। যেকোনো আসনে উপনির্বাচন হলে সেখানে প্রার্থী হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনে জনগণ তাকে কীভাবে গ্রহণ করে, সেটিও দেখতে চান। পাশাপাশি নির্বাচনে অংশ নিলে কোনো ধরনের বাধা বা হামলার মুখোমুখি হতে হয় কি না, সেটিও পর্যবেক্ষণ করতে চান।
হিরো আলম বলেন, “আমার ওপর জামায়াত অ্যাটাক করে, বিএনপি অ্যাটাক করে নাকি এনসিপি অ্যাটাক করে—তা দেখতে চাই। কয়েকবার নির্বাচনে লড়েছি, এবার উপনির্বাচনে দেখি জনগণ কী করে।”
তবে গাজী নজরুল ইসলাম সত্যিই সংসদ সদস্য পদ হারাবেন কি না এবং আসন শূন্য হলে হিরো আলম শেষ পর্যন্ত প্রার্থী হবেন কি না—সেটিই এখন দেখার বিষয়।





















