বিয়ে বাড়িতে মাংস কম দেওয়ার ঘটনায় হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬ ৯৩ বার পড়া হয়েছে
গাইবান্ধায় বিয়ে বাড়িতে মাংস কম দেওয়ার ঘটনার সঙ্গে যুক্ত হত্যা মামলার আসামি গোলজার রহমান (৪৫)কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৩।
আরও পড়ুন : ‘স্বার্থের উৎসব’: ১,৭০৯ কোটি টাকার সুবিধা নিয়েছে ড. ইউনূস
বুধবার (২ এপ্রিল) রাত সোয়া ৯টায় র্যাবের একটি অভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদরের ঘাগোয়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে থেকে তাকে আটক করে।
গ্রেফতারকৃত হলেন, গোলজার রহমান উত্তর ঘাগোয়া(টেঙ্গরজানি) গ্রামের মৃত আব্দুর সামাদের ছেলে।
আরও পড়ুন : দেশজুড়ে চোখ রাঙাচ্ছে হাম
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান র্যাব-১৩ এর মিডিয়া বিভাগের সিনিয়র সহকারী পরিচালক বিপ্লব কুমার গোস্বামী। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিসূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২২ জুন রাত ২ টার দিকে বিয়ে বাড়ির খাবার অনুষ্ঠানে আসামী গোলজার এবং তাদের সহযোগীদের প্লেটে মাংস কম হওয়ায় মনোয়ারা বেগম ভুক্তভোগী ছায়দার আলীর মুখে মাংস ভাত সহ প্লেট ছুড়ে মারে।
আরও পড়ুন : তীব্র তাপদাহের আভাস, পারদ ছুঁতে পারে ৪২ ডিগ্রি
এরুপ অন্যায় কাজের প্রতিবাদ করলে গোলজার রহমান সহ তার সহযোগীরা রান্না করার লাকরি, লাঠি ও লোহার রড দিয়ে ছায়দার আলীর ওপর হামলা চালায়। পরে আশেপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে আহত ছায়দার আলী কে উদ্ধার করে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে ভর্তি করায়। এরপর অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরের দিন বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন : সংসদে ১৩৩টি অধ্যাদেশের ৯৮টি উত্থাপিত, বিশেষ কমিটির সুপারিশ
ঘটনাটি ঘিরে এলাকা জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছেলে বাদী হয়ে সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানা যায়, এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব অভিযান চালিয়ে হত্যা মামলার আসামি গোলজার রহমান কে গ্রেফতার করে।
র্যাব-১৩ এর মিডিয়া বিভাগের সিনিয়র সহকারী পরিচালক বিপ্লব কুমার গোস্বামী বলেন,বুধবার (২ এপ্রিল) রাত ৯ টা ১৫ মিনিটের দিকে গাইবান্ধা র্যাব -১৩ ক্যাম্পের একটি অভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আসামীকে স্থানীয় ঘাগোয়া ইউনিয়ন পরিষদের সামন থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আসামি কে সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
























