ঢাকা ১০:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

স্বামীকে আটকে রেখে নববধূকে দলবেঁধে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৭

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৯:৪২:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুন ২০২৪ ৪১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীর খিলক্ষেতে নববধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার (২৯ জুন) পুলিশ প্রধান আসামি কাশেমসহ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করে।

এর আগে শুক্রবার (২৮ জুন) মাঝরাতে ওই নববধূ তার স্বামীকে নিয়ে রাজধানীর খিলক্ষেতে এক আত্মীয়ের বাসা থেকে ফিরছিলেন। এ সশয় পথে ৬ থেকে ৭ ব্যক্তি তাদের বনরূপা এলাকায় নিয়ে স্বামীকে আটকে রেখে নববধূকে ধর্ষণ করে। এরপর সেখান থেকে কৌশলে ছাড়া পেয়ে ঘটনাটি পুলিশকে জানায় নববধূর স্বামী।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আটক কাশেম জানিয়েছে, ওই নববধূর সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। তাকে বিয়ে না করায় পরিকল্পিতভাবে দলবল নিয়ে ধর্ষণ করে।

জানা গেছে, ওই নববধূ শুক্রবার (২৮ জুন) সন্ধ্যায় তার স্বামীকে নিয়ে ঘুরতে বের হন। তারা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বনরূপা এলাকায় গেলে সেখানে আবুল কাশেম ওরফে সুমন নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে ৭ জনের একটি দল তাদের অপহরণ করে। ভুক্তভোগী নববধূ ও তার স্বামীকে বনরূপা এলাকার ঝোপঝাড়ের ভেতরে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এরপর স্বামীর কাছে ৭০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে তারা। মুক্তিপণের টাকা আনার জন্য ছেড়ে দিলে তিনি বেরিয়ে এসে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেন।

এরপর পুলিশ বনরূপা এলাকায় যায়। পুলিশের টের পেয়ে দুর্বৃত্তরা ঝোপঝাড়ের ভেতরে বারবার তাদের অবস্থান পরিবর্তন করতে থাকে। শনিবার (২৯ জুন) ভোর ৪টার দিকে পুলিশ সেখান থেকে নববধূকে উদ্ধার করে পুলিশ।

এ বিষয়ে পুলিশের গুলশান বিভাগের ডিসি রিফাত রহমান শামীম বলেন, ঘটনাটি জানার পরই অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা দলবদ্ধ ধর্ষণের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

স্বামীকে আটকে রেখে নববধূকে দলবেঁধে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৭

আপডেট সময় : ০৯:৪২:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুন ২০২৪

রাজধানীর খিলক্ষেতে নববধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার (২৯ জুন) পুলিশ প্রধান আসামি কাশেমসহ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করে।

এর আগে শুক্রবার (২৮ জুন) মাঝরাতে ওই নববধূ তার স্বামীকে নিয়ে রাজধানীর খিলক্ষেতে এক আত্মীয়ের বাসা থেকে ফিরছিলেন। এ সশয় পথে ৬ থেকে ৭ ব্যক্তি তাদের বনরূপা এলাকায় নিয়ে স্বামীকে আটকে রেখে নববধূকে ধর্ষণ করে। এরপর সেখান থেকে কৌশলে ছাড়া পেয়ে ঘটনাটি পুলিশকে জানায় নববধূর স্বামী।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আটক কাশেম জানিয়েছে, ওই নববধূর সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। তাকে বিয়ে না করায় পরিকল্পিতভাবে দলবল নিয়ে ধর্ষণ করে।

জানা গেছে, ওই নববধূ শুক্রবার (২৮ জুন) সন্ধ্যায় তার স্বামীকে নিয়ে ঘুরতে বের হন। তারা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বনরূপা এলাকায় গেলে সেখানে আবুল কাশেম ওরফে সুমন নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে ৭ জনের একটি দল তাদের অপহরণ করে। ভুক্তভোগী নববধূ ও তার স্বামীকে বনরূপা এলাকার ঝোপঝাড়ের ভেতরে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এরপর স্বামীর কাছে ৭০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে তারা। মুক্তিপণের টাকা আনার জন্য ছেড়ে দিলে তিনি বেরিয়ে এসে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেন।

এরপর পুলিশ বনরূপা এলাকায় যায়। পুলিশের টের পেয়ে দুর্বৃত্তরা ঝোপঝাড়ের ভেতরে বারবার তাদের অবস্থান পরিবর্তন করতে থাকে। শনিবার (২৯ জুন) ভোর ৪টার দিকে পুলিশ সেখান থেকে নববধূকে উদ্ধার করে পুলিশ।

এ বিষয়ে পুলিশের গুলশান বিভাগের ডিসি রিফাত রহমান শামীম বলেন, ঘটনাটি জানার পরই অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা দলবদ্ধ ধর্ষণের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।