ঢাকা ০৯:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মায়ের কাছে যাওয়ার চেষ্টা, ৭ তলার কার্ণিশে আটকা পড়লো কিশোরী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৪:০৫:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪ ৩৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চৌদ্দ বছর বয়সী কিশোরীর বাবা নেই। মায়ের বিয়ে হয়ে গেছে অন্যত্র। ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বি-ব্লকের একটি ভবনে দাদীর সাথে থাকতো সে। মায়ের কাছে যেতে চাইছিলো সে অনেকদিন থেকে। কিন্তু, দাদী যেতে দেয়নি। এ নিয়ে দাদীর ওপর অভিমান করে সে।

বুধবার (১৯ জুন) সকালে আটতলা ভবনের সাততলা থেকে কার্ণিশ বেয়ে নেমে মায়ের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে কার্ণিশে আটকে পড়ে সে। এ অবস্থায় এক প্রত্যক্ষদর্শী বুধবার (১৯ জুন) সকালে ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ নম্বরে ফোন করে এক কিশোরীর কার্ণিশে আটকে পড়ার তথ্য জানায়। কলটি রিসিভ করেছিলেন ৯৯৯ কলটেকার এএসআই লোকমান হোসেন ।

এএসআই লোকমান তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি বারিধারা ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এবং ভাটারা থানায় দ্রুত উদ্ধারের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জানায়।

পরে সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের উদ্ধারকারী দল ও ভাটারা থানা পুলিশের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সংশিষ্ট ফায়ার সার্ভিস স্টেশন, থানা পুলিশ ও কলারের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছিলেন ৯৯৯ ডিসপাচার ফায়ার ফাইটার মেহেদী হাসান।

অবশেষে আটতলা ভবনের সাততলার ফ্ল্যাটের ভেতর থেকে জানালার গ্রিল কেটে কার্ণিশ থেকে কিশোরীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। বারিধারা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার মো, রাজু ৯৯৯ কে এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মায়ের কাছে যাওয়ার চেষ্টা, ৭ তলার কার্ণিশে আটকা পড়লো কিশোরী

আপডেট সময় : ০৪:০৫:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪

চৌদ্দ বছর বয়সী কিশোরীর বাবা নেই। মায়ের বিয়ে হয়ে গেছে অন্যত্র। ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বি-ব্লকের একটি ভবনে দাদীর সাথে থাকতো সে। মায়ের কাছে যেতে চাইছিলো সে অনেকদিন থেকে। কিন্তু, দাদী যেতে দেয়নি। এ নিয়ে দাদীর ওপর অভিমান করে সে।

বুধবার (১৯ জুন) সকালে আটতলা ভবনের সাততলা থেকে কার্ণিশ বেয়ে নেমে মায়ের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে কার্ণিশে আটকে পড়ে সে। এ অবস্থায় এক প্রত্যক্ষদর্শী বুধবার (১৯ জুন) সকালে ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ নম্বরে ফোন করে এক কিশোরীর কার্ণিশে আটকে পড়ার তথ্য জানায়। কলটি রিসিভ করেছিলেন ৯৯৯ কলটেকার এএসআই লোকমান হোসেন ।

এএসআই লোকমান তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি বারিধারা ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এবং ভাটারা থানায় দ্রুত উদ্ধারের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জানায়।

পরে সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের উদ্ধারকারী দল ও ভাটারা থানা পুলিশের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সংশিষ্ট ফায়ার সার্ভিস স্টেশন, থানা পুলিশ ও কলারের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছিলেন ৯৯৯ ডিসপাচার ফায়ার ফাইটার মেহেদী হাসান।

অবশেষে আটতলা ভবনের সাততলার ফ্ল্যাটের ভেতর থেকে জানালার গ্রিল কেটে কার্ণিশ থেকে কিশোরীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। বারিধারা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার মো, রাজু ৯৯৯ কে এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন।