ঢাকা ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মতিউরের সাথে সম্পর্ক রেখে অঢেল সম্পদের মালিক আরজিনা

বিশেষ প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:১৬:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুলাই ২০২৪ ৪৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছাগলকাণ্ডে আলোচিত এনবিআর কর্মকর্তা মতিউর রহমানের সাথে সম্পর্ক রেখে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন আরেক কর্মকর্তা আরজিনা খাতুন। রাজধানীতে ফ্ল্যাট, গ্রামে রয়েছে আলিশান বাড়ি। রয়েছে পরিবারের সদস্যদের নামে-বেনামে জমি, বাসায় বিলাসবহুল ইন্টেরিয়র। এমনকি ব্যবহার করছেন দামি সব আসবাবপত্র।

আরজিনা খাতুন মাত্র তিন বছরে ৫০০ ভরি স্বর্ণালঙ্কারের মালিক তিনি। এর ২০০ ভরিই চোরাচালানের মাধ্যমে আনা। এমন অভিযোগ দুদকের কাছে।

রাজস্ব বোর্ডের মূসক মনিটরিং, পরিসংখ্যান ও সমন্বয়ের দ্বিতীয় সচিব হলেন আরজিনা খাতুন। এর আগে তিনি চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের উপ-কমিশনার ছিলেন।

চলতি বছরের গত ১০ জুন দু’দকে তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন এক ব্যক্তি। অভিযোগে বলা হয়, মিথ্যা তথ্য দিয়ে পণ্য আমদানি, মানিলন্ডারিং, স্বর্ণ চোরাচালান চক্রের সাথে যোগসাজস আর দুর্নীতি করে বিপুল পরিমান সম্পদ অর্জন করেছেন আরজিনা খাতুন।

রাজধানীর মিরপুরে প্রায় দুই হাজার বর্গফুটের বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে থাকেন তিনি। যা কিনতে গুনতে হয়েছে এক কোটি ৩০ লাখ টাকা। কিন্তু রেজিসস্ট্রেশনসহ খরচ দেখিয়েছেন মাত্র ৬৮ লাখ।

ফ্ল্যাটটি কিনতে গিয়ে তার নেওয়া ব্যাংক ঋণ স্যাংশন হয় ২০২০ সালে। তবে অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে বিস্তর গড়মিল। ব্যাংক ঋণ স্যাংশন হওয়ায় এক বছর আগেই ফ্ল্যাট কেনা এবং রেজিস্ট্রেশন করা।

এনবিআর কর্মকর্তা আরজিনার গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ীর নারোয়া ইউনিয়েনর তালুতপারা গ্রামে। কাস্টমসে চাকরির তিন বছরের মধ্যে গ্রামের ছন আর টিনের বাড়িটিকে করেছেন আলীশান ভবন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, চট্টগ্রামে বদলির পর ২০২২ সালে গ্রামে তার পরিবারের সদস্যদের নামে কিনেছেন পাঁচটি জমি। যার বর্তমান বাজারমূল্য অর্ধকোটি টাকা। ২০১৮ থেকে ২৩ সালের মধ্যে ৫০০ ভরি স্বর্ণ আর ডায়মন্ড কিনেছেন নগদ টাকায়। যার ২০০ ভরি এক সিএন্ডএফ ব্যাবসায়ীর মাধ্যমে তিন ধাপে চোরাচালানের মাধ্যমে এনেছেন বলে অভিযোগ দুদকে।

এসব বিষয়ে আরজিনা খাতুন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমি যড়যন্ত্রের শিকার। আমার এক্স হাজবেন্ড মামলা করেছে, আমিও করেছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মতিউরের সাথে সম্পর্ক রেখে অঢেল সম্পদের মালিক আরজিনা

আপডেট সময় : ০১:১৬:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুলাই ২০২৪

ছাগলকাণ্ডে আলোচিত এনবিআর কর্মকর্তা মতিউর রহমানের সাথে সম্পর্ক রেখে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন আরেক কর্মকর্তা আরজিনা খাতুন। রাজধানীতে ফ্ল্যাট, গ্রামে রয়েছে আলিশান বাড়ি। রয়েছে পরিবারের সদস্যদের নামে-বেনামে জমি, বাসায় বিলাসবহুল ইন্টেরিয়র। এমনকি ব্যবহার করছেন দামি সব আসবাবপত্র।

আরজিনা খাতুন মাত্র তিন বছরে ৫০০ ভরি স্বর্ণালঙ্কারের মালিক তিনি। এর ২০০ ভরিই চোরাচালানের মাধ্যমে আনা। এমন অভিযোগ দুদকের কাছে।

রাজস্ব বোর্ডের মূসক মনিটরিং, পরিসংখ্যান ও সমন্বয়ের দ্বিতীয় সচিব হলেন আরজিনা খাতুন। এর আগে তিনি চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের উপ-কমিশনার ছিলেন।

চলতি বছরের গত ১০ জুন দু’দকে তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন এক ব্যক্তি। অভিযোগে বলা হয়, মিথ্যা তথ্য দিয়ে পণ্য আমদানি, মানিলন্ডারিং, স্বর্ণ চোরাচালান চক্রের সাথে যোগসাজস আর দুর্নীতি করে বিপুল পরিমান সম্পদ অর্জন করেছেন আরজিনা খাতুন।

রাজধানীর মিরপুরে প্রায় দুই হাজার বর্গফুটের বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে থাকেন তিনি। যা কিনতে গুনতে হয়েছে এক কোটি ৩০ লাখ টাকা। কিন্তু রেজিসস্ট্রেশনসহ খরচ দেখিয়েছেন মাত্র ৬৮ লাখ।

ফ্ল্যাটটি কিনতে গিয়ে তার নেওয়া ব্যাংক ঋণ স্যাংশন হয় ২০২০ সালে। তবে অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে বিস্তর গড়মিল। ব্যাংক ঋণ স্যাংশন হওয়ায় এক বছর আগেই ফ্ল্যাট কেনা এবং রেজিস্ট্রেশন করা।

এনবিআর কর্মকর্তা আরজিনার গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ীর নারোয়া ইউনিয়েনর তালুতপারা গ্রামে। কাস্টমসে চাকরির তিন বছরের মধ্যে গ্রামের ছন আর টিনের বাড়িটিকে করেছেন আলীশান ভবন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, চট্টগ্রামে বদলির পর ২০২২ সালে গ্রামে তার পরিবারের সদস্যদের নামে কিনেছেন পাঁচটি জমি। যার বর্তমান বাজারমূল্য অর্ধকোটি টাকা। ২০১৮ থেকে ২৩ সালের মধ্যে ৫০০ ভরি স্বর্ণ আর ডায়মন্ড কিনেছেন নগদ টাকায়। যার ২০০ ভরি এক সিএন্ডএফ ব্যাবসায়ীর মাধ্যমে তিন ধাপে চোরাচালানের মাধ্যমে এনেছেন বলে অভিযোগ দুদকে।

এসব বিষয়ে আরজিনা খাতুন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমি যড়যন্ত্রের শিকার। আমার এক্স হাজবেন্ড মামলা করেছে, আমিও করেছি।