ঢাকা ০৩:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সম্পদ নিয়ে অপপ্রচার, ‘আংশিক তথ্য প্রকাশে বিভ্রান্তি’ পার্বত্য চট্টগ্রামে উদ্ধার-ত্রাণে সেনাবাহিনীর তৎপরতা আরও ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস, বন্যা-ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়ছে ট্রাম্পের চাপে লাল কার্ড বাতিল, হ্যারি কেনদের আবেদন খারিজ! ফের বিতর্ক শিল্পের বিকাশ ছাড়া টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সম্ভব নয় ৬ নদীর পানি বিপদসীমা ছাড়িয়েছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বহু প্রাম প্লাবিত আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচে কি সিদ্ধান্ত হয়েছিল? জানালেন কলিনা নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে দালালতন্ত্র থেকে বেরিয়ে আসতে হবে: সারজিস জামিনে কারামুক্ত গৌরনদী উপজেলা আ’ লীগের সাধারণ সম্পাদক হারিছুর শেষযাত্রায় খামেনেইর কফিন পাহাড়ায় যুদ্ধবিমান

পার্বত্য চট্টগ্রামে উদ্ধার-ত্রাণে সেনাবাহিনীর তৎপরতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:৩৪:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে পার্বত্য চট্টগ্রামে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

শুক্রবার (১০ জুলাই) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, স্থানীয় প্রশাসন, অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে দুর্গত এলাকায় উদ্ধার অভিযান, ত্রাণ সহায়তা এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম চলছে।

আইএসপিআর জানায়, পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতার কারণে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন সড়কে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সেনাবাহিনীর সদস্যরা ভারী যন্ত্রপাতি ও প্রকৌশল সরঞ্জাম ব্যবহার করে ধ্বংসাবশেষ অপসারণ এবং সড়ক যোগাযোগ পুনরুদ্ধারে কাজ করছেন।

ভূমিধসের ঝুঁকিতে থাকা এলাকা থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২২১টি পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়ে স্থানান্তর করা হয়েছে।

পর্যটকদের উদ্ধারে পরিচালিত অভিযানে বান্দরবান থেকে ১৪০ জন পর্যটককে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া সাজেকে আটকে পড়া প্রায় ৬০০ পর্যটকের মধ্যে প্রথম ধাপে ১৫০ জনকে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়েছে। বাকি পর্যটকদেরও পর্যায়ক্রমে সরিয়ে নেওয়ার কাজ অব্যাহত রয়েছে।

দুর্গত মানুষের জন্য বিভিন্ন এলাকায় রান্না করা খাবার, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও অন্যান্য জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পাহাড়ি ও বাঙালি পরিবারের মধ্যে চাল, ডাল, তেল, আলুসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীও পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

আইএসপিআর জানিয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামের সার্বিক পরিস্থিতি সেনাবাহিনী নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধার, ত্রাণ সহায়তা, যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃস্থাপন এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পার্বত্য চট্টগ্রামে উদ্ধার-ত্রাণে সেনাবাহিনীর তৎপরতা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:৩৪:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে পার্বত্য চট্টগ্রামে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

শুক্রবার (১০ জুলাই) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, স্থানীয় প্রশাসন, অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে দুর্গত এলাকায় উদ্ধার অভিযান, ত্রাণ সহায়তা এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম চলছে।

আইএসপিআর জানায়, পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতার কারণে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন সড়কে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সেনাবাহিনীর সদস্যরা ভারী যন্ত্রপাতি ও প্রকৌশল সরঞ্জাম ব্যবহার করে ধ্বংসাবশেষ অপসারণ এবং সড়ক যোগাযোগ পুনরুদ্ধারে কাজ করছেন।

ভূমিধসের ঝুঁকিতে থাকা এলাকা থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২২১টি পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়ে স্থানান্তর করা হয়েছে।

পর্যটকদের উদ্ধারে পরিচালিত অভিযানে বান্দরবান থেকে ১৪০ জন পর্যটককে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া সাজেকে আটকে পড়া প্রায় ৬০০ পর্যটকের মধ্যে প্রথম ধাপে ১৫০ জনকে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়েছে। বাকি পর্যটকদেরও পর্যায়ক্রমে সরিয়ে নেওয়ার কাজ অব্যাহত রয়েছে।

দুর্গত মানুষের জন্য বিভিন্ন এলাকায় রান্না করা খাবার, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও অন্যান্য জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পাহাড়ি ও বাঙালি পরিবারের মধ্যে চাল, ডাল, তেল, আলুসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীও পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

আইএসপিআর জানিয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামের সার্বিক পরিস্থিতি সেনাবাহিনী নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধার, ত্রাণ সহায়তা, যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃস্থাপন এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।