ঢাকা ০৩:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

‘জিয়া খেতে খেতেই ফাঁসির আদেশে স্বাক্ষর করতেন’

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:০৫:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুন ২০২৪ ৩৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জিয়াউর রহমান রক্তাক্ত হাতেই খাবার খেতে বসতেন। এমনকি খেতে খেতেই ফাঁসির আদেশে স্বাক্ষর করতেন।

তিনি আরও বলেন, এই জিয়ার নির্দেশেই অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করা হয়েছে। যা স্বাধীন দেশের এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। জিয়া স্বাধীনতা বিরোধীদের ছেড়ে দিয়ে প্রমাণ করেছে, সে পরাজিত শক্তির দালাল ছিল। জিয়া মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনায় বিশ্বাস করতো না। সাড়ে পাঁচ বছরের শাসন আমলে জিয়ার ২১টি ক্যু/পাল্টা ক্যু হয়। লে. কর্নেল তাহেরকে সে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছিলো। অত্যন্ত হিংস্র ও বেপরোয়া হয়ে উঠেছিলো জিয়া ।

বুধবার (২৬ জুন) জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য মোহা. আসাদুজ্জামান আসাদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

অ্যান্থনী মাসকারেনাহাসের ‘বাংলাদেশ লিগ্যাসী অব ব্লাড’ বইয়ের উদ্বৃতি দিয়ে শেখ হাসিনা আরও বলেন, যেখানে তিনি লিখেছেন, তথ্যমতে ১৯৭৭ সালের ৯ অক্টোবর পর্যন্ত মাত্র দুই মাস জিয়াউর রহমান এক হাজার ১৪৩ জন সৈনিককে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করেছিলো।

সরকার প্রধান বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যার পর জিয়া সংবিধান লঙ্ঘন করে একাধারে সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতির পদ দখল করে। ইতিহাসের ঘৃণ্যতম হত্যাকান্ডে জিয়ার সংশ্লিষ্টতা ছিলো। খুনি ফারুক-রশিদরা আগে থেকেই জাতির জনককে হত্যার পরিকল্পনা করে যা জিয়া জানতো। জিয়া সেনাছাউনিতে বসে দলছুট রাজনীতিবিদদের নিয়ে বিএনপি গঠন করে। তিনি যেভাবে ক্ষমতা দখল করেছিলেন, তেমনি অবৈধভাবে বিএনপি সৃষ্টি করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

‘জিয়া খেতে খেতেই ফাঁসির আদেশে স্বাক্ষর করতেন’

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:০৫:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুন ২০২৪

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জিয়াউর রহমান রক্তাক্ত হাতেই খাবার খেতে বসতেন। এমনকি খেতে খেতেই ফাঁসির আদেশে স্বাক্ষর করতেন।

তিনি আরও বলেন, এই জিয়ার নির্দেশেই অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করা হয়েছে। যা স্বাধীন দেশের এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। জিয়া স্বাধীনতা বিরোধীদের ছেড়ে দিয়ে প্রমাণ করেছে, সে পরাজিত শক্তির দালাল ছিল। জিয়া মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনায় বিশ্বাস করতো না। সাড়ে পাঁচ বছরের শাসন আমলে জিয়ার ২১টি ক্যু/পাল্টা ক্যু হয়। লে. কর্নেল তাহেরকে সে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছিলো। অত্যন্ত হিংস্র ও বেপরোয়া হয়ে উঠেছিলো জিয়া ।

বুধবার (২৬ জুন) জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য মোহা. আসাদুজ্জামান আসাদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

অ্যান্থনী মাসকারেনাহাসের ‘বাংলাদেশ লিগ্যাসী অব ব্লাড’ বইয়ের উদ্বৃতি দিয়ে শেখ হাসিনা আরও বলেন, যেখানে তিনি লিখেছেন, তথ্যমতে ১৯৭৭ সালের ৯ অক্টোবর পর্যন্ত মাত্র দুই মাস জিয়াউর রহমান এক হাজার ১৪৩ জন সৈনিককে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করেছিলো।

সরকার প্রধান বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যার পর জিয়া সংবিধান লঙ্ঘন করে একাধারে সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতির পদ দখল করে। ইতিহাসের ঘৃণ্যতম হত্যাকান্ডে জিয়ার সংশ্লিষ্টতা ছিলো। খুনি ফারুক-রশিদরা আগে থেকেই জাতির জনককে হত্যার পরিকল্পনা করে যা জিয়া জানতো। জিয়া সেনাছাউনিতে বসে দলছুট রাজনীতিবিদদের নিয়ে বিএনপি গঠন করে। তিনি যেভাবে ক্ষমতা দখল করেছিলেন, তেমনি অবৈধভাবে বিএনপি সৃষ্টি করেন।