ঢাকা ০৬:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

১০ কোটি টাকার পণ্য বিক্রির তথ্য গোপন

এক কোটি ৩১ লাখ টাকা ভ্যাট ফাঁকি দেয় ‘সাদিক এগ্রো’

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:২১:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০২৪ ২৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছাগলকান্ডে আলোচিত সাদিক এগ্রোর ৪টি খাবারের দোকানে বিপুল ভ্যাট ফাঁকির তথ্য পেয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। রাজধানীর তেজগাঁও, গুলশান, মহাখালী ও মোহাম্মদপুরের দোকানে অভিযান চালিয়ে এই তথ্য জানায় এনবিআর।

সংস্থার কর্মকর্তারা জানান, সাদিক এগ্রো ১০ কোটি টাকার পণ্য বিক্রির তথ্য গোপন করেছে। এতে ভ্যাট ফাঁকি হয়েছে এক কোটি ৩১ লাখ টাকা।

এর আগে, এনবিআরের ঢাকা উত্তর ও পশ্চিম ভ্যাট কমিশনারেটের কর্মকর্তারা অভিযান চালান। এ সময় জব্দ করা হয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নথি। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ভ্যাট ফাঁকির তথ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হন তারা।

কর্মকর্তারা জানান, ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত এই ৪টি দোকানে বিক্রি হয় প্রায় ১৫ কোটি টাকার পণ্য। এতে ভ্যাটের পরিমাণ দাঁড়ায় দেড় কোটি টাকা। কিন্তু সাদিক এগ্রো পরিশোধ করে মাত্র ১৮ লাখ টাকা। এদিকে, ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগে সাদিক এগ্রোর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

১০ কোটি টাকার পণ্য বিক্রির তথ্য গোপন

এক কোটি ৩১ লাখ টাকা ভ্যাট ফাঁকি দেয় ‘সাদিক এগ্রো’

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:২১:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০২৪

ছাগলকান্ডে আলোচিত সাদিক এগ্রোর ৪টি খাবারের দোকানে বিপুল ভ্যাট ফাঁকির তথ্য পেয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। রাজধানীর তেজগাঁও, গুলশান, মহাখালী ও মোহাম্মদপুরের দোকানে অভিযান চালিয়ে এই তথ্য জানায় এনবিআর।

সংস্থার কর্মকর্তারা জানান, সাদিক এগ্রো ১০ কোটি টাকার পণ্য বিক্রির তথ্য গোপন করেছে। এতে ভ্যাট ফাঁকি হয়েছে এক কোটি ৩১ লাখ টাকা।

এর আগে, এনবিআরের ঢাকা উত্তর ও পশ্চিম ভ্যাট কমিশনারেটের কর্মকর্তারা অভিযান চালান। এ সময় জব্দ করা হয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নথি। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ভ্যাট ফাঁকির তথ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হন তারা।

কর্মকর্তারা জানান, ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত এই ৪টি দোকানে বিক্রি হয় প্রায় ১৫ কোটি টাকার পণ্য। এতে ভ্যাটের পরিমাণ দাঁড়ায় দেড় কোটি টাকা। কিন্তু সাদিক এগ্রো পরিশোধ করে মাত্র ১৮ লাখ টাকা। এদিকে, ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগে সাদিক এগ্রোর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।