ঢাকা ০১:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিরিয়ানি রান্নায় চাল ভেঙে যাচ্ছে? রইল ঝরঝরে রাখার কৌশল ঘণ্টার পর ঘণ্টা অফিসের চেয়ারে বসে কাজ? অজান্তেই বাড়তে পারে ঝুঁকি বৈভবের প্রভাব এবার দক্ষিণ আফ্রিকায়, দাম দেড় কোটির বেশি পাঠাওয় থেকে ১ কোটি ৯০ লাখ গ্রাহকের তথ্য চুরির , বাড়ছে সাইবার ঝুঁকি শুভ মহালয়া আজ, দুর্গোৎসবের ক্ষণগণনা শুরু পাহাড় রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির মৌলভীবাজার কমিটি, জিতু সভাপতি-সুমন সম্পাদক ‘নুন-পান্তা খেয়েও ছেলের সঙ্গে থাকতে চাই’ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের নিয়ে বসুন্ধরার ব্যতিক্রমী ক্রীড়া আয়োজন ষড়যন্ত্র করে গণতন্ত্রের সংগ্রাম থামানো যাবে না: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত টাইব্রেকারের রোমাঞ্চে জয়পুরহাট সদরকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন কালাই

ঘণ্টার পর ঘণ্টা অফিসের চেয়ারে বসে কাজ? অজান্তেই বাড়তে পারে ঝুঁকি

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:১২:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সকাল থেকে অফিসের চেয়ারে বসে কাজ, একের পর এক মিটিং, কম্পিউটারের সামনে দীর্ঘক্ষণ কাটানো। অফিস শেষে বাড়ি ফিরেও স্বস্তি নেই—কখনও মোবাইল, কখনও গেমিং, আবার কখনও ওটিটি প্ল্যাটফর্মে সিরিজ দেখা। প্রতিদিনের এই অভ্যাসই অজান্তে বাড়িয়ে দিতে পারে গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি। দীর্ঘক্ষণ একটানা বসে থাকলে পায়ের শিরায় রক্ত জমাট বাঁধার আশঙ্কা বাড়তে পারে, যা জটিল পরিস্থিতিতে প্রাণঘাতীও হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঝুঁকি শুধু বয়স্ক বা শয্যাশায়ী মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দীর্ঘক্ষণ নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থাকেন এমন তরুণদেরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

শিরায় রক্ত জমাট বাঁধে কেন?

ডিপ ভেন থ্রম্বোসিস (ডিভিটি) হলো শরীরের গভীর শিরায় রক্ত জমাট বাঁধার একটি অবস্থা। সাধারণত পায়ের গভীর শিরায় এই সমস্যা দেখা যায়। জমাট রক্তের কোনো অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে রক্তপ্রবাহের সঙ্গে ফুসফুসে পৌঁছালে পালমোনারি এম্বোলিজম হতে পারে, যা জীবনসংকট তৈরি করতে পারে।

স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করার সময় পায়ের পেশি সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে শিরার রক্তকে হৃদ্‌যন্ত্রের দিকে ফিরিয়ে নিতে সাহায্য করে। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে পেশির এই কার্যকলাপ কমে যায়। ফলে রক্তপ্রবাহ ধীর হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে এবং বিশেষ করে অন্য ঝুঁকির কারণ থাকলে রক্ত জমাট বাঁধার আশঙ্কা বাড়তে পারে।

অফিসের কাজ, দীর্ঘ যাত্রা কিংবা টানা কয়েক ঘণ্টা গেমিং ও ওটিটি দেখার অভ্যাস—সব ক্ষেত্রেই তাই নিয়মিত বিরতি নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

ধূমপানের চেয়েও বিপজ্জনক কি বসে থাকা?

স্বাস্থ্যঝুঁকি বোঝাতে প্রায়ই বলা হয়, ‘বসে থাকাই নতুন ধূমপান’। তবে বসে থাকা ধূমপানের চেয়েও বেশি ক্ষতিকর—এমন সাধারণীকরণের পক্ষে নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।

দীর্ঘক্ষণ নিষ্ক্রিয় থাকার সঙ্গে হৃদ্‌রোগ, বিপাকীয় সমস্যা এবং রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকির সম্পর্ক রয়েছে। অন্যদিকে ধূমপানও রক্তনালি ও হৃদ্‌যন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর এবং রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই একটির সঙ্গে অন্যটির সরাসরি তুলনা না করে উভয় অভ্যাসের ঝুঁকি কমানোই জরুরি।

গবেষণায় কী জানা গেছে?

২০২৪ সালের একটি গবেষণায় দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার সঙ্গে শিরায় রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকির সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে। গবেষণার উদ্ধৃত ফল অনুযায়ী, দিনের অধিকাংশ সময় বসে কাটানো ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে বেশি সক্রিয় ব্যক্তিদের চেয়ে এই ঝুঁকি ২৪ শতাংশ বেশি ছিল। প্রতিদিন বসে থাকার সময় এক ঘণ্টা বাড়ার সঙ্গে ঝুঁকি প্রায় ২ শতাংশ বাড়ার সম্পর্কও উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে গবেষণায় পাওয়া এমন পরিসংখ্যানকে ব্যক্তিবিশেষের নিশ্চিত ঝুঁকি হিসেবে দেখা ঠিক নয়। গবেষণার ধরন, অংশগ্রহণকারীদের বৈশিষ্ট্য এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যগত কারণের ওপর ফলাফল নির্ভর করতে পারে।

এ ছাড়া স্থূলতা, ধূমপান, আগে ডিভিটি হওয়ার ইতিহাস, বংশগত রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা, সাম্প্রতিক অস্ত্রোপচার, দীর্ঘ সময় শয্যাশায়ী থাকা এবং কিছু হরমোনজনিত চিকিৎসাও ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

অফিসে বসে কাজ করলেও কীভাবে সতর্ক থাকবেন?

দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার অভ্যাস পুরোপুরি এড়িয়ে চলা অনেকের পক্ষে সম্ভব নয়। তবে দৈনন্দিন রুটিনে কিছু পরিবর্তন এনে নিষ্ক্রিয়তার সময় কমানো যায়।

নিয়মিত বিরতি নিন: কাজের ফাঁকে সুযোগমতো উঠে দাঁড়ান এবং কয়েক মিনিট হাঁটুন।


পায়ের পেশি সচল রাখুন: বসে থাকার সময় পায়ের পাতা ও গোড়ালি নাড়ান এবং গোড়ালি ওঠানো-নামানোর মতো সহজ নড়াচড়া করুন।


দীর্ঘ বৈঠকে নড়াচড়ার সুযোগ রাখুন: সম্ভব হলে বিরতির সময় দাঁড়ান বা অল্প হাঁটাহাঁটি করুন।


নিয়মিত শরীরচর্চা করুন: হাঁটা ও অন্যান্য শারীরিক কার্যকলাপকে দৈনন্দিন রুটিনের অংশ করুন।


ব্যক্তিগত ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন থাকুন: আগে রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা হয়ে থাকলে কিংবা অস্ত্রোপচার, দীর্ঘ ভ্রমণ বা অন্য ঝুঁকির কারণ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।


কোন লক্ষণ দেখলে সতর্ক হবেন?

পায়ের একদিকে অস্বাভাবিক ফোলা, ব্যথা, স্পর্শে অস্বস্তি বা ত্বক লালচে হয়ে গেলে ডিপ ভেন থ্রম্বোসিসের সম্ভাবনা বিবেচনা করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। এসব লক্ষণ অন্য কারণেও হতে পারে, তাই পরীক্ষা ছাড়া নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না।

অন্যদিকে, হঠাৎ শ্বাসকষ্ট, বুকব্যথা, কাশির সঙ্গে রক্ত আসা কিংবা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে পালমোনারি এম্বোলিজমসহ গুরুতর সমস্যার আশঙ্কা থাকতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা নিতে হবে।

দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলেই যে রক্ত জমাট বাঁধবে, তা নয়। তবে কাজের ব্যস্ততায় শরীরকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা নিষ্ক্রিয় রাখাও নিরাপদ অভ্যাস নয়। তাই সুস্থ থাকতে নিয়মিত শরীরচর্চার পাশাপাশি কাজের ফাঁকে নড়াচড়া করুন, বিরতি নিন এবং শরীরের অস্বাভাবিক লক্ষণ অবহেলা করবেন না।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ঘণ্টার পর ঘণ্টা অফিসের চেয়ারে বসে কাজ? অজান্তেই বাড়তে পারে ঝুঁকি

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:১২:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

সকাল থেকে অফিসের চেয়ারে বসে কাজ, একের পর এক মিটিং, কম্পিউটারের সামনে দীর্ঘক্ষণ কাটানো। অফিস শেষে বাড়ি ফিরেও স্বস্তি নেই—কখনও মোবাইল, কখনও গেমিং, আবার কখনও ওটিটি প্ল্যাটফর্মে সিরিজ দেখা। প্রতিদিনের এই অভ্যাসই অজান্তে বাড়িয়ে দিতে পারে গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি। দীর্ঘক্ষণ একটানা বসে থাকলে পায়ের শিরায় রক্ত জমাট বাঁধার আশঙ্কা বাড়তে পারে, যা জটিল পরিস্থিতিতে প্রাণঘাতীও হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঝুঁকি শুধু বয়স্ক বা শয্যাশায়ী মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দীর্ঘক্ষণ নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থাকেন এমন তরুণদেরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

শিরায় রক্ত জমাট বাঁধে কেন?

ডিপ ভেন থ্রম্বোসিস (ডিভিটি) হলো শরীরের গভীর শিরায় রক্ত জমাট বাঁধার একটি অবস্থা। সাধারণত পায়ের গভীর শিরায় এই সমস্যা দেখা যায়। জমাট রক্তের কোনো অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে রক্তপ্রবাহের সঙ্গে ফুসফুসে পৌঁছালে পালমোনারি এম্বোলিজম হতে পারে, যা জীবনসংকট তৈরি করতে পারে।

স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করার সময় পায়ের পেশি সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে শিরার রক্তকে হৃদ্‌যন্ত্রের দিকে ফিরিয়ে নিতে সাহায্য করে। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে পেশির এই কার্যকলাপ কমে যায়। ফলে রক্তপ্রবাহ ধীর হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে এবং বিশেষ করে অন্য ঝুঁকির কারণ থাকলে রক্ত জমাট বাঁধার আশঙ্কা বাড়তে পারে।

অফিসের কাজ, দীর্ঘ যাত্রা কিংবা টানা কয়েক ঘণ্টা গেমিং ও ওটিটি দেখার অভ্যাস—সব ক্ষেত্রেই তাই নিয়মিত বিরতি নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

ধূমপানের চেয়েও বিপজ্জনক কি বসে থাকা?

স্বাস্থ্যঝুঁকি বোঝাতে প্রায়ই বলা হয়, ‘বসে থাকাই নতুন ধূমপান’। তবে বসে থাকা ধূমপানের চেয়েও বেশি ক্ষতিকর—এমন সাধারণীকরণের পক্ষে নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।

দীর্ঘক্ষণ নিষ্ক্রিয় থাকার সঙ্গে হৃদ্‌রোগ, বিপাকীয় সমস্যা এবং রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকির সম্পর্ক রয়েছে। অন্যদিকে ধূমপানও রক্তনালি ও হৃদ্‌যন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর এবং রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই একটির সঙ্গে অন্যটির সরাসরি তুলনা না করে উভয় অভ্যাসের ঝুঁকি কমানোই জরুরি।

গবেষণায় কী জানা গেছে?

২০২৪ সালের একটি গবেষণায় দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার সঙ্গে শিরায় রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকির সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে। গবেষণার উদ্ধৃত ফল অনুযায়ী, দিনের অধিকাংশ সময় বসে কাটানো ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে বেশি সক্রিয় ব্যক্তিদের চেয়ে এই ঝুঁকি ২৪ শতাংশ বেশি ছিল। প্রতিদিন বসে থাকার সময় এক ঘণ্টা বাড়ার সঙ্গে ঝুঁকি প্রায় ২ শতাংশ বাড়ার সম্পর্কও উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে গবেষণায় পাওয়া এমন পরিসংখ্যানকে ব্যক্তিবিশেষের নিশ্চিত ঝুঁকি হিসেবে দেখা ঠিক নয়। গবেষণার ধরন, অংশগ্রহণকারীদের বৈশিষ্ট্য এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যগত কারণের ওপর ফলাফল নির্ভর করতে পারে।

এ ছাড়া স্থূলতা, ধূমপান, আগে ডিভিটি হওয়ার ইতিহাস, বংশগত রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা, সাম্প্রতিক অস্ত্রোপচার, দীর্ঘ সময় শয্যাশায়ী থাকা এবং কিছু হরমোনজনিত চিকিৎসাও ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

অফিসে বসে কাজ করলেও কীভাবে সতর্ক থাকবেন?

দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার অভ্যাস পুরোপুরি এড়িয়ে চলা অনেকের পক্ষে সম্ভব নয়। তবে দৈনন্দিন রুটিনে কিছু পরিবর্তন এনে নিষ্ক্রিয়তার সময় কমানো যায়।

নিয়মিত বিরতি নিন: কাজের ফাঁকে সুযোগমতো উঠে দাঁড়ান এবং কয়েক মিনিট হাঁটুন।


পায়ের পেশি সচল রাখুন: বসে থাকার সময় পায়ের পাতা ও গোড়ালি নাড়ান এবং গোড়ালি ওঠানো-নামানোর মতো সহজ নড়াচড়া করুন।


দীর্ঘ বৈঠকে নড়াচড়ার সুযোগ রাখুন: সম্ভব হলে বিরতির সময় দাঁড়ান বা অল্প হাঁটাহাঁটি করুন।


নিয়মিত শরীরচর্চা করুন: হাঁটা ও অন্যান্য শারীরিক কার্যকলাপকে দৈনন্দিন রুটিনের অংশ করুন।


ব্যক্তিগত ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন থাকুন: আগে রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা হয়ে থাকলে কিংবা অস্ত্রোপচার, দীর্ঘ ভ্রমণ বা অন্য ঝুঁকির কারণ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।


কোন লক্ষণ দেখলে সতর্ক হবেন?

পায়ের একদিকে অস্বাভাবিক ফোলা, ব্যথা, স্পর্শে অস্বস্তি বা ত্বক লালচে হয়ে গেলে ডিপ ভেন থ্রম্বোসিসের সম্ভাবনা বিবেচনা করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। এসব লক্ষণ অন্য কারণেও হতে পারে, তাই পরীক্ষা ছাড়া নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না।

অন্যদিকে, হঠাৎ শ্বাসকষ্ট, বুকব্যথা, কাশির সঙ্গে রক্ত আসা কিংবা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে পালমোনারি এম্বোলিজমসহ গুরুতর সমস্যার আশঙ্কা থাকতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা নিতে হবে।

দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলেই যে রক্ত জমাট বাঁধবে, তা নয়। তবে কাজের ব্যস্ততায় শরীরকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা নিষ্ক্রিয় রাখাও নিরাপদ অভ্যাস নয়। তাই সুস্থ থাকতে নিয়মিত শরীরচর্চার পাশাপাশি কাজের ফাঁকে নড়াচড়া করুন, বিরতি নিন এবং শরীরের অস্বাভাবিক লক্ষণ অবহেলা করবেন না।