ঢাকা ০৫:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাস-ট্রেনে আগুনের সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের যোগসূত্র: রিজভী সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যান মুনীমসহ কয়েকজনের ২৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ চার জেলায় নতুন পুলিশ সুপার, বদলি আরও ১৮ কর্মকর্তা সিলেটে টানা দুই দিন তীব্র গরম, তাপমাত্রা ৩৭.৭ ডিগ্রি জয়পুরহাটে ৭৩ লাখ টাকার কষ্টিপাথরের মূর্তিসহ আটক ৪ সিআইপি অনিরুদ্ধ রায়কে ঘিরে RAW, ব্যাংকঋণ ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ ঘরে ঘুমিয়ে থাকা মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ মিলল ধান খেতের পাশে সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন ক্লিনিকের অনুমোদন নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাসভাড়া বাড়ল, কিলোমিটারে ১৭ পয়সা জাতিসংঘে তারেক রহমানের প্রথম ভাষণ, সামনে বাংলাদেশের নতুন বার্তা

সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যান মুনীমসহ কয়েকজনের ২৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:৫২:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান ও সিনিয়র সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনীম, সাবেক প্রথম সচিব মো. ঈদতাজুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের ২৫টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের শুনানি শেষে ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত এ আদেশ দেন।

দুদকের আবেদনে বলা হয়েছে, মুনীম, ঈদতাজুলসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে সংস্থাটি। অনুসন্ধানে তাদের কয়েকটি ব্যাংক হিসাবে সন্দেহজনক ও অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। পাশাপাশি এসব হিসাবে থাকা অর্থ অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া বা হস্তান্তরের চেষ্টা চলছে বলেও বিশ্বস্ত সূত্রে তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে দুদক।

দুদকের উপপরিচালক ও অনুসন্ধান দলের দলনেতা মো. সাইদুজ্জামান আদালতে আবেদনটি করেন। আবেদনে বলা হয়, অনুসন্ধান শেষ হওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তাদের অস্থাবর সম্পদ হস্তান্তর, রূপান্তর বা অন্যত্র স্থানান্তর করলে অনুসন্ধান কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে ব্যাংক হিসাবগুলো দ্রুত অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন।

আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনীমের নামে ব্র্যাক ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক ও প্রাইম ব্যাংকে একাধিক হিসাব রয়েছে। তাঁর স্ত্রী লায়লা জেসমিনের নামেও অগ্রণী ও প্রাইম ব্যাংকে হিসাব রয়েছে।

অন্যদিকে, মো. ঈদতাজুল ইসলামের নামে ব্র্যাক ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক (এমবিপিএলসি) ও সোনালী ব্যাংকে একাধিক হিসাবের তথ্য দেওয়া হয়েছে। শর্মি মালা আনসারীর নামেও মার্কেন্টাইল ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক ও উত্তরা ব্যাংকে একাধিক হিসাব রয়েছে।

দুদকের আবেদনে মোট ২৫টি ব্যাংক হিসাবের বিবরণ দেওয়া হয়েছে। এসব হিসাবের মধ্যে ব্র্যাক ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক ও উত্তরা ব্যাংকের হিসাব রয়েছে।

দুদক জানিয়েছে, অনুসন্ধানের ধারাবাহিকতায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে আরও কোনো স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ বা ব্যাংক হিসাবের তথ্য পাওয়া গেলে কমিশনের অনুমোদন নিয়ে সেগুলো ক্রোক এবং নতুন ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার জন্য পরবর্তী সময়ে আদালতে আবেদন করা হবে।

এর আগে মুনীম, ঈদতাজুল ও তাঁদের স্ত্রীদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। ২০২৫ সালের মে মাসে দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাঁদের বিদেশযাত্রার ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যান মুনীমসহ কয়েকজনের ২৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:৫২:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান ও সিনিয়র সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনীম, সাবেক প্রথম সচিব মো. ঈদতাজুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের ২৫টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের শুনানি শেষে ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত এ আদেশ দেন।

দুদকের আবেদনে বলা হয়েছে, মুনীম, ঈদতাজুলসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে সংস্থাটি। অনুসন্ধানে তাদের কয়েকটি ব্যাংক হিসাবে সন্দেহজনক ও অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। পাশাপাশি এসব হিসাবে থাকা অর্থ অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া বা হস্তান্তরের চেষ্টা চলছে বলেও বিশ্বস্ত সূত্রে তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে দুদক।

দুদকের উপপরিচালক ও অনুসন্ধান দলের দলনেতা মো. সাইদুজ্জামান আদালতে আবেদনটি করেন। আবেদনে বলা হয়, অনুসন্ধান শেষ হওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তাদের অস্থাবর সম্পদ হস্তান্তর, রূপান্তর বা অন্যত্র স্থানান্তর করলে অনুসন্ধান কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে ব্যাংক হিসাবগুলো দ্রুত অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন।

আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনীমের নামে ব্র্যাক ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক ও প্রাইম ব্যাংকে একাধিক হিসাব রয়েছে। তাঁর স্ত্রী লায়লা জেসমিনের নামেও অগ্রণী ও প্রাইম ব্যাংকে হিসাব রয়েছে।

অন্যদিকে, মো. ঈদতাজুল ইসলামের নামে ব্র্যাক ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক (এমবিপিএলসি) ও সোনালী ব্যাংকে একাধিক হিসাবের তথ্য দেওয়া হয়েছে। শর্মি মালা আনসারীর নামেও মার্কেন্টাইল ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক ও উত্তরা ব্যাংকে একাধিক হিসাব রয়েছে।

দুদকের আবেদনে মোট ২৫টি ব্যাংক হিসাবের বিবরণ দেওয়া হয়েছে। এসব হিসাবের মধ্যে ব্র্যাক ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক ও উত্তরা ব্যাংকের হিসাব রয়েছে।

দুদক জানিয়েছে, অনুসন্ধানের ধারাবাহিকতায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে আরও কোনো স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ বা ব্যাংক হিসাবের তথ্য পাওয়া গেলে কমিশনের অনুমোদন নিয়ে সেগুলো ক্রোক এবং নতুন ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার জন্য পরবর্তী সময়ে আদালতে আবেদন করা হবে।

এর আগে মুনীম, ঈদতাজুল ও তাঁদের স্ত্রীদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। ২০২৫ সালের মে মাসে দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাঁদের বিদেশযাত্রার ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন।